খালেদার জামিন প্রশ্নে আদেশ আজ

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ মার্চ ২০১৮, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০০
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষের করা   পৃথক লিভ টু আপিলের শুনানি গতকাল শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আজ আদেশ দেবেন আপিল বিভাগ। গতকাল উভয়পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ আদেশের জন্য সোমবার (আজ) দিন ধার্য করেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও খন্দকার মাহবুব হোসেন। দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে বুধবার (১৪ই মার্চ) এক আদেশে খালেদা জিয়ার জামিন রোববার পর্যন্ত স্থগিত করে এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদককে লিভ টু আপিল দায়েরের নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। পরে বৃহস্পতিবার দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা পৃথক লিভ টু আপিল করেন।
গত ১২ই মার্চ খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

গতকাল সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ ও আশপাশ এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের প্রতিটি প্রবেশ পথে নেয়া হয় কড়া  নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে আদালতে শুনানি শুরু হয়। শুরুতে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান আদালতে খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আদেশ পড়ে শোনান। খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতে লঘুদণ্ড দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় তিনি উচ্চ আদালতের একটি মামলার নজির উল্লেখ করে বলেন, এই মামলায় এক আসামিকে দুই বছরের সাজা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আপিল বিভাগ জামিন দেননি। হাইকোর্টে আমরা এই যুক্তি দেখিয়েছিলাম। কিন্তু হাইকোর্ট এই যুক্তি গ্রহণ করেননি। হাইকোর্ট যে চারটি যুক্তিতে খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়েছিলেন গতকাল সেই যুক্তিগুলো পর্যায়ক্রমে তুলে ধরে এর বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন খুরশিদ আলম খান। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া জামিনের অপব্যবহার করেছিলেন কি না- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। হাইকোর্ট বলেছেন, খালেদা জিয়া জামিনের অপব্যবহার করেননি। কিন্তু খালেদা জিয়া বিচারিক আদালতের অনুমতি না নিয়েই বিদেশে গিয়েছিলেন। যিনি আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশে যেতে পারেন না- জামিনের অপব্যবহার এর চেয়ে আর কি হতে পারে। খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়ে হাইকোর্টের যুক্তি প্রসঙ্গে গতকাল শুনানিতে খুরশিদ আলম খান বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা এখানে মেডিকেল সার্টিফিকেট দেননি। শুনানিতে দুদক আইনজীবী বলেন, হাইকোর্ট নিজেই বলেছেন যে তাড়াতাড়ি পেপারবুক প্রস্তুত করা সম্ভব। যদি তাই হয় তাহলে হাইকোর্ট যেসব যুক্তিতে জামিন দিয়েছে সেটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আদালতের চারটি গ্রাউন্ডই প্রিপেয়ার্ড নয়।  

খুরশিদ আলম খান বলেন, বিচারিক আদালত তাঁকে (খালেদা জিয়া) দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯ ধারায় পাঁচ বছরের সাজা দিয়েছেন। কিন্তু ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় অপরাধ প্রমাণ হওয়ার পরও আদালত তাঁকে সাজা দেননি। তিনি বয়স্ক মহিলা এবং শারীরিকভাবে অসুস্থ- এ বিবেচনায় বিচারিক আদালত তাকে দশ বছরের  সাজা না দিয়ে পাঁচ বছরের সাজা দেয়া সমুচিত বলে মনে করেছেন।

এখন তিনি একই সুবিধা দু’বার পেতে পারেন না। এ সময় আদালত প্রশ্ন করেন, এটি কি বিচারিক আদালত গ্রহণ করেছেন, জবাবে খুরশিদ আলম খান বলেন হ্যাঁ, গ্রহণ করেছেন। দশ বছরের সাজা না দিয়ে পাঁচ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। আদালত বলেন, পাঁচ বছরের সাজা দেয়ায় উনার (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থা কি ভালো হয়ে গেছে?  

তিনি বলেন, এ মামলায় খালেদা জিয়া রায়ের আগে ও পরে দুই মাস ২৬ দিন কারাগারে আছেন। হাইকোর্ট তাকে চার মাসের জামিন দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে পেপারবুক প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন। পেপারবুক প্রস্তুত হলে শুনানি শুরু হোক। সে পর্যন্ত তার জামিন স্থগিত থাকুক। আপিল নিষ্পত্তি হলে তিনি আবার জামিন আবেদন করতে পারবেন। মাত্র দুই মাস ২৬ দিনের মধ্যে তাকে জামিন দেয়া সমুচিত হবে না।

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে শুনানি শুরু করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ পর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মামলার বিস্তারিত পড়া শুরু করলে খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী এতে আপত্তি তোলে বলেন, এখনতো আপিলের শুনানি  হচ্ছে না। মামলার মেরিটে যাওয়ার দরকার কি? এ সময় আদালত বলেন, আমরা মামলাটি একটু ভালো করে শুনি। আপনারাই (খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা) বলেছেন, আমরা গতদিন শুনি নাই। আমরা আপনাদের কথা পরে শুনবো। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, বিচারিক আদালতে সাক্ষীদের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে, এই মামলার সামারিতে খালেদা জিয়ার অনুমোদন ছিল। তার অজ্ঞাতে টাকা এসেছে বা টাকা তোলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না, এটা সঠিক নয়। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার ধারাবাহিক ঘটনার বিবরণ দেন। তিনি বলেন, এই মামলার বিচার বিলম্বিত করতে এমন কোনো পথ নেই যা তারা (খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা) অবলম্বন করেননি। মামলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকবার তারা উচ্চ আদালতে এসেছিলেন। এই মামলাকে কাগজের মামলা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য ২০০৯ সাল থেকেই তারা চেষ্টা করে গেছেন। ২০১৮তে এসে মামলার রায় হলো।

হাইকোর্ট যে চারটি যুক্তিতে খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দিয়েছেন সেই যুক্তির বিপরীতে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তাকে ৫ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। তার সাজা খাটা শেষ হয়ে যাবে আর আপিল শুনানি হবে না- এমনতো হতে পারে না। মামলা দীর্ঘায়িত করার জন্য উনি (খালেদা জিয়া) ট্রায়াল কোর্টে যা করেছেন এখানে যেন তা করতে না পারেন। আদালতের উদ্দেশ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, হাইকোর্ট এই মামলার শুনানির জন্য চার মাসের মধ্যে পেপার বুক তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। আপনারা (আপিল বিভাগ) সময় কমিয়ে দুই মাস করে দেন। বিডিআর হত্যা মামলার মতো বড় মামলাতেও অল্প সময়ের মধ্যে হাজার হাজার পৃষ্ঠার পেপার বুক প্রস্তুত করা হয়েছিল।  

খালেদা জিয়ার জামিনের বিরোধিতা করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বিচারিক আদালত অনুকম্পা দেখিয়েছেন। অসুস্থতা ও বয়স বিবেচনায় নিম্ন আদালত তাকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। আবার একই বিবেচনায় হাইকোর্ট তাকে চার মাসের জামিন দিয়েছেন। তিনি (খালেদা জিয়া) বারবার অনুকম্পা পেতে পারেন না। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বিভিন্ন দেশের নজির উল্লেখ করে বলেন, রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ হবে, আর তার সঙ্গে জড়িতরা কোনো অনুকম্পা পেতে পারেন না। কোনো রাষ্ট্রেই এ বিষয়ে অনুকম্পা দেখানো হয়নি। শুনানির একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বিহারের সাবেক মুখ্য মন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মামলার নজির উল্লেখ করে বলেন, জনতা টাওয়ার মামলায় এরশাদের ৫ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল। সাড়ে তিন বছর পর তিনি জামিন পান। এ সময় প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, লালুপ্রসাদের ঘটনার সঙ্গে এ ঘটনার কি মিল আছে? জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, লালুপ্রসাদের মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও তার জামিন খারিজ হয়েছিল।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী শুনানিতে বলেন, লঘুদণ্ডের ক্ষেত্রে জামিন না দেয়ার নজির খুবই কম। আপিল বিচারাধীন থাকাবস্থায় জামিন দেয়াটাই স্বাভাবিক। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারা উল্লেখ করে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, হাইকোর্ট হচ্ছে এ ধরনের মামলায় জামিন দেয়া বা না দেয়ার স্বাভাবিক কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে যৌক্তিক কারণ দেখিয়েই জামিন দিয়েছেন। এখন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের এই আদেশের ক্ষেত্রে ইন্টারফেয়ার করবে কি না- সেটি আপিল বিভাগের বিবেচ্য বিষয়। তিনি হাইকোর্টে এ ধরনের জামিনের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগ ইন্টারফেয়ার করে না যদি না এখানে কোনো বিচ্যুতি ঘটে। এ জে মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য শেষে বেলা ১১টায় আধা ঘণ্টার বিরতিতে যান আদালত। বিরতির পর এ জে মোহাম্মদ আলী শুনানিতে বলেন, এই মামলায় স্বল্প মেয়াদে সাজা একটি দিক। আর আপিল হচ্ছে আরেকটি দিক। সাজা যদি কম থাকে তাহলে ভারসাম্যের ওপর জোর দিতে হবে। তিনি বলেন, এত এত মামলা ছেড়ে এই মামলাকে সামনে আনা হচ্ছে। এটাকেই আগে শুনতে হবে। আমরা চাই মামলাটি আদালতের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলুক। জামিন বিষয়ে হাইকোর্ট যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে আমি মনে করি এই সিদ্ধান্ত সঠিক। উচ্চ আদালতের বিভিন্ন মামলার নজির উল্লেখ করে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, এ ধরনের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে আপিল করলে আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জামিন পেতে পারেন। তিনি বলেন, এ মামলায় জাল নথি তৈরি করে খালেদা জিয়াকে ফাঁসানো হয়েছে। খালেদা জিয়া এ মামলায় কোনোভাবেই জড়িত নন। কোথাও তার কোনো স্বাক্ষর নেই। তথ্য প্রমাণে কোথাও আসেনি যে তিনি এ মামলায় জড়িত।

একপর্যায়ে খালেদা জিয়ার অন্য আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, এটা খালেদা জিয়ার মামলা বলেই এ মামলার গুরুত্ব অনেক। সাধারণ কোনো  মামলা হলে এ ধরনের জামিনের ক্ষেত্রে সরকার আপিলে আসতো না। জামিনের এত বিরোধিতা করতো না। ৪২৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট যে জামিন দিয়েছেন তা তো অযৌক্তিক না। হাইকোর্ট তো যথাযথ কারণ দেখিয়েই জামিন দিয়েছেন। আমরা আশা করি হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছেন সেটি আপিলেও বহাল থাকবে। শুনানি শেষে সোমবার (আজ) আদেশ দেয়া হবে বলে উভয়পক্ষের আইনজীবীদের জানান আদালত। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান, মওদুদ আহমদ, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, কায়সার কামাল, আমিনুল ইসলাম, বদরুদ্দোজা বাদল প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোমতাজ উদ্দিন ফকির, মুরাদ রেজা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত রায়, মোতাহার হোসেন সাজু প্রমুখ।    

শুনানির পর খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মনে করি, আইনগত যে দিকগুলো আমরা আদালতে তুলে ধরেছি, তার সবই আমাদের পক্ষে। দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ এর কোনো পাল্টা যুক্তি দিতে পারেনি। তাই আমরা আশা করি, হাইকোর্ট যে জামিন আদেশটি দিয়েছেন, সেটি আপিল বিভাগ বহাল রাখবেন। অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্ট যেসব যুক্তিতে খালেদা জিয়াকে জামিন দিয়েছেন   সেটি সঠিক হয়নি। সাজা ভোগ করা সময় শেষ  হয়ে গেছে, অথচ আপিল শুনানি হয়নি- এরকম কোনো ঘটনা এখানে ঘটেনি। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার দণ্ড পাঁচ বছর। এর মধ্যে আপিলটা দ্রুত শুনানি করা সম্ভব- এটি শুনানিতে বলেছি।

গত ৮ই ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। এ মামলার অন্য আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্তদের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা করা হয়। ২০শে ফেব্রুয়ারি সাজার রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদার আইনজীবীরা। ২২শে ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আপিল গ্রহণ করে খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতের দেয়া অর্থদণ্ডের আদেশ স্থগিত করে জামিন শুনানির দিন (২৫শে ফেব্রুয়ারি) ধার্য করেন। একই সঙ্গে এ মামলার বিচারিক আদালতের নথি তলব করেন যা ১৫ দিনের মধ্যে দাখিল করতে বলা হয় আদেশে। পরে ১১ই মার্চ বিচারিক আদালত থেকে হাইকোর্টে নথি আসে।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সিলেট থেকে ধানের শীষের প্রচারণা শুরু

হামলা, সংঘর্ষ-বাধা

‘চোখ রাঙালে চোখ তুলে নেয়া হবে’

নির্বাচন কমিশন বিব্রত

আলোকচিত্রী থেকে কয়েদি

ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ কেন অবৈধ নয়

ইআইইউ’র রিপোর্টে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকার পূর্বাভাস

সবার চোখ তৃতীয় বেঞ্চে

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ

অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে বিএনপি নেতা আটক

দুলু গ্রেপ্তার

পাবনায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খুন

এখন আর ভাষণে লাভ নেই, অ্যাকশনে যেতে হবে

ছাদ থেকে ফেলে বিএনপি নেতাকে হত্যা করেছে পুলিশ: রিজভী

ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকবে অধিকার

জীবনে এমন নির্বাচন দেখিনি