শাহবাগে ছুরিকাঘাতে হকার নিহত, খুনি আটক

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ মে ২০১৮, বুধবার
রাজধানীর শাহবাগ মোড়ের ফুটওভার ব্রিজের কাছে এক মাদকাসক্তের ছুরিকাঘাতে নূরুন্নবী মজুমদার নামে ফুটপাথের এক হকারের মৃত্যু হয়েছে। হকারের গলায় ছুরি চালিয়ে ঘাতক খায়রুল পালিয়ে যাওয়ার সময় রমনা জোনের ট্রাফিক সার্জেন্ট এসএম সিহাব মামুন ও পথচারীরা তাকে ধাওয়া করে আটক করেন। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ছিনতাই, নাকি অন্য কিছু তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে নয়টায় শাহবাগে বারডেম হাসপাতাল-সংলগ্ন পদচারী-সেতুর সামনে এই ঘটনা ঘটে। তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ মনে হচ্ছে বলেও জানায় পুলিশ।
ঘটনাস্থল থেকে খায়রুল আনাম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার পর নিহতের লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের ছোট ভাই শাহ পরান বলেন, গত ৫ বছর ধরে ফুটপাথে প্লাস্টিকের বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করছেন নূরুন্নবী। দুই ভাই মিলে ফুটপাথে মোট চারটি দোকান চালাতেন। বড় ভাই নূরুন্নবী মজুমদার ফুটওভার ব্রিজের ওপরে বসে গৃহস্থালীর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করতেন। এর মধ্যে রয়েছে ছোট-বড় ইস্পাতের চাকু, নেইল কার্টারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। সকালে দোকান খোলার পর মাদকাসক্ত এক ব্যক্তি এসে দোকান থেকে একটি ছুরি নিয়ে তার সামনে নাড়াচাড়া করতে থাকলে নূরুন্নবী তাকে জিনিসপত্র ধরতে নিষেধ করে। এসময় হঠাৎ করে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘাতক ব্যক্তি ভাইয়ের কণ্ঠালীতে ছুরিটি বসিয়ে দৌড় দেয়। তাকে দেখে অস্বাভাবিক মনে হচ্ছিল। এরপর সে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে পুলিশ ও পথচারীরা তাকে আটক করে। পরবর্তীতে ভাইকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক মর্গে ময়না তদন্ত শেষে নিহতের লাশ গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানান তিনি। তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে নূরুন্নবী সবার বড়। চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের শাহসুলতান গ্রামে তাদের বাড়ি। তার বাবার নাম মো. মোস্তফা মজুমদার। শাহ পরান ও নূরুন্নবী মিলে চকবাজারের উর্দুরোড এলাকায় থাকতেন। ১ বছর আগে বিয়ে করেছেন নূরুন্নবী। তার স্ত্রী সন্তানসম্ভবা হওয়ায় এখন বাবার বাড়িতে রয়েছেন।
রমনা থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান, দুজনের হাতাহাতির একপর্যায়ে আটক খায়রুল আনাম হকার নূরুন্নবীর দোকান থেকে একটি ছুরি নিয়ে তার গলায় বসিয়ে দেয়। পরবর্তীতে পথচারীরা মিলে খায়রুলকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। আটক খায়রুল এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন আছে। কি কারণে খায়রুল নূরুন্নবীকে খুন করেছে সেটা তদন্ত শেষে বলা যাবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

হলিউড থেকে রাজবধু

প্রিন্সেস ডায়ানার আশীর্বাদ যেন...

ময়মনসিংহ, বরিশাল, ফেনী ও দিনাজপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতর ৪

মাসিহ'র হিজাব না পরা এবং তারপর

যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই দ্বীপে আগ্নেয়গিরিতে প্রকৃতির খেলা

‘দর্শকের মনে জায়গা করে নেওয়া অনেক কঠিন’

এফএ কাপ চ্যাম্পিয়ন চেলসি

রাজধানীজুড়ে শতাধিক অবৈধ বাসস্ট্যান্ড

রাজকীয় বিয়ে

যানজটে বছরে ক্ষতি ৩৭ হাজার কোটি টাকা

অনিক হত্যার নেপথ্যে-

বেসরকারি শিক্ষকদের রাজনীতির লাগাম টানার উদ্যোগ

এশিয়ায় সবচেয়ে প্রবীণ মাহাথির শেখ হাসিনা চতুর্থ নেতা

টেক্সাসের গ্রান্দি নদী পাড়ি দিতে গিয়ে ২৩০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ক্ষোভের মুখে সিকৃবির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

নাইক্ষ্যংছড়ির নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের সরে যেতে মাইকিং