মানুষ এখন স্বস্তিতে শান্তিতে আছে

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ মে ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০১
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মা’ আখ্যা দেয়া জনগণের সঙ্গে তামাশা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যে ভোট চুরিতে এক্সপার্ট, মানুষ খুনে এক্সপার্ট, ?দুর্নীতিতে এক্সপার্ট, কালো টাকা সাদা করে, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে, সে আবার গণতন্ত্রের মা হয়? এটা দেশের মানুষকে নিয়ে তামাশা করা, আর কিছু নয়।

গতকাল গণভবনে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যে খুন করে, এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে, তাকে বলে গণতন্ত্রের মা! এটা গণতন্ত্র হলো কোথা থেকে? ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থেকে খুব বড়াই করছিল তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হলো। কিন্তু আন্দোলন সংগ্রাম করেছে জনগণ, তারা তাদের ভোট চুরি মেনে নেয়নি। যার ফলে তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের অপকর্মের তো শেষ নেই। ব্যাংকের টাকা-পয়সা লুটপাট করে খেয়ে চলে গেছে। সব বিদেশে পাচার করেছে।
সেই পাচার করা টাকা ধরা পড়েছে আমেরিকায়, সিঙ্গাপুরে। কিছু টাকা আমরা ফেরত এনেছি। পাচার করা টাকা ধরা পড়লো বিদেশিদেরই কাছে। এজন্য আমাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার কাজ তো এটাই ছিল। খুন খারাবি। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। মেয়র নির্বাচনের পর ৬ জনকে হত্যা করলো।

জিয়াউর রহমান আসার পর থেকে আওয়ামী লীগের ওপর নির্যাতন শুরু হয়। খালেদা জিয়াও একই কাজ করেছে। ঘরে থাকতে পারেনি কেউ। মেয়েদের ওপর যে অত্যাচার করেছে, একদিকে পুলিশ আরেকদিকে বিএনপির ক্যাডাররা, রাস্তায় ফেলে যে অত্যাচার করেছে, আমরা তো তা ভুলতে পারি না। এতিমের অর্থ আত্মসাতের মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিচার একটা হয়ে গেছে। কোরআন শরীফে বলা আছে, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করলে যে অন্যায়, তার শাস্তি সে পাচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা উন্নত হয়েছি, উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি, আজ স্যাটেলাইট পাঠিয়ে বাংলাদেশকে অন্য মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছি। মাত্র ৯ বছরে বাংলাদেশের যে অর্থনৈতিক উন্নতি করেছি, আর কেউ তো তা পারেনি। জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদের ক্ষমতায় এনেছে বলেই তো আমরা করতে পেরেছি। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ওরা করবে কেন? ওরা রাজাকার-আলবদর-যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছে।

জাতির পিতার খুনিকে ভোট চুরি করে   এমপি বানিয়েছে। তাদের কাজই খুনি, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদ নিয়ে। এরা তো দেশের কল্যাণ চায় না। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। তাদের হৃদয়ে পেয়ারা পাকিস্তান। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর সেনাবাহিনীতে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও  সৈনিককে হত্যা করেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর আকাশ বাতাস তখন ভারি হয়ে ছিল বিধবাদের কান্নায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ এখন স্বস্তিতে, শান্তিতে আছে। দু’বেলা খাবার পাচ্ছে। মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ ও দেশের জনগণের মধ্যেই হারানো মা-বাবা-ভাইয়ের স্নেহ পেয়েছি বলে আমার একটাই লক্ষ্য দেশের মানুষের জীবন-মান উন্নত করা। আজীবন হতাহতদের পরিবারগুলোর পাশে থাকারও প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ফারমার্স ব্যাংকের ৬ কর্মকর্তাকে দুদকে তলব

ইবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি ফিরিয়ে দিলো প্রশাসন

পরবর্তী শুনানি আগামীকাল, আইনজীবী না থাকায় আদালতের উষ্মা

মৌলভীবাজারে হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের মিছিল ও পথসভা

‘মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে’

পাচারকারী নারীর সঙ্গে কেজরিওয়ালের ছবি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড়

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাশের হার ১৪ শতাংশ

শহিদুল আলমের ডিভিশনের আপিল শুনানি ১লা অক্টোবর

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় আওয়ামী লীগ

মেহেরপুরে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

১লা অক্টোবর থেকে রেডি হয়ে যান : মওদুদ

বেরোবির ভর্তি জালিয়াতি তথ্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন জমা

‘দুর্নীতিবাজদের শাস্তি হবে, তবে যাবজ্জীবন নয়’

বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদার চিকিৎসা বিষয়ে রিটের শুনানি ১লা অক্টোবর

বৃহস্পতিবারের পরিবর্তে বিএনপির জনসভা শনিবার

ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষককে পুলিশে দিল এলাকাবাসী