দুদকের দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ মে ২০১৮, সোমবার, ৪:২০
দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দুদকের সহকারী পরিচালক এস. এম. শামীম ইকবালকে বরখাস্ত এবং একই অপরাধে সহকারী পরিচালক বীর কান্ত রায়কে চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এস. এম. ইকবাল সমন্বিত জেলা কার্যালয়, খুলনায় কর্মরত অবস্থায় একটি দুর্নীতির মামলায় এক বছরের বেশি সময় আদালতে চার্জশিট দাখিল না করে নিজের কাছে রেখে দেন। দুদকের বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গতকাল রোববার তাকে দুদকের চাকুরী থেকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়। এ বরখাস্ত আদেশের ফলে তিনি অবসরের কোনো সুবিধা পাবেন না। অন্যদিকে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, দিনাজপুরে কর্মরত সহকারী পরিচালক বীর কান্ত রায় একটি ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির মামলায় তদন্ত কার্যক্রমে এক বছরের বেশি সময়ক্ষেপণ করেন।
দুদক কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে প্রমাণ পান যে, বীর কান্ত রায় কোন না কোনভাবে আসামী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রমে বিলম্ব করেছেন।
এ অপরাধে তাকে আজ সোমবার চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ প্রসঙ্গে দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, দুদক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জড়িয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করতে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দুদকে প্রাতিষ্ঠানিক অনুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

৪ মিনিটে মিশরের জালে আরো ২ গোল রাশিয়ার

প্রচারণায় কেন্দ্রীয় নেতারা উত্তেজনা বাড়ছে

গ্যালারিতে অন্য আকর্ষণ

উছিলা বিশ্বকাপ উদ্দেশ্য ভিন্ন

নারী নির্যাতন মামলায় কম সাজার নেপথ্যে

খালেদার চিকিৎসা ও মুক্তির দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ কাল

বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান সুলতান মনসুরের

রোহিঙ্গা নেতাকে গলা কেটে হত্যা

বিশুদ্ধ পানি স্যানিটেশন ও খাদ্য সংকট চরমে

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডে বরাদ্দযোগ্য অর্থ নেই

খুলনায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ওপর হামলা, নোয়াখালীতে সংঘর্ষ

নোয়াখালীতে প্রবাসী খুন, ৬ মাসেও গ্রেপ্তার হয়নি আসামি

ফাঁকা ঢাকায় ছিনতাই আতঙ্ক

ওয়ান ইলেভেনের কুশীলবদের নিয়ে বিএনপি এবার সক্রিয়

সাগর-রুনি হত্যা রহস্য উদঘাটন কত দূর?

সাবেক ইসরাইলি মন্ত্রী ইরানের গুপ্তচর?