প্রচারণায় কেন্দ্রীয় নেতারা উত্তেজনা বাড়ছে

প্রথম পাতা

ইকবাল আহমদ সরকার, গাজীপুর থেকে | ২০ জুন ২০১৮, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৪৭
ঈদ ছুটির পর জনবহুল গাজীপুর এখনো আগের রূপে না ফিরলেও হাতে থাকা স্বল্প সময়ের মধ্যেই ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন মেয়র প্রার্থীরা। প্রচারণা থেমে নেই সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীদের। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চষে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। গ্রিন ও ক্লিন সিটি, পরিকল্পিত আধুনিক সিটি, যানজটমুক্ত  ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট মেরামত, গ্যাস- বিদ্যুৎসহ নাগরিক সুবিধা দেয়ার নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন। প্রচার-প্রচারণা চলবে আগামী ২৪শে জুন পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৬শে জুন। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মেয়র প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দুই দলের কেন্দ্রীয় নেতারা রয়েছেন গাজীপুরের নির্বাচনী মাঠে। আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ, সরকার ও আওয়ামী লীগকে বেকায়দায় ফেলতে মামলা- হামলার অভিযোগ তুলছেন বিএনপি প্রার্থী।
আর মামলা, হয়রানি সহ নানা অভিযোগ তুলে নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছেন বিএনপি মেয়র প্রার্থী। অন্যদিকে, ইসলামী ফ্রন্টের মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে সরকারি দলের কেন্দ্রীয় নেতারা রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে।

মঙ্গলবার সকালে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিমপুর বাজার এলাকায় সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পথসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। এ প্রচারণায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম সমালোচনা করেন বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে। সভায় বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, কীভাবে আমাকে এবং আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করে এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যাগুলোর সমাধান করা যায়, সে জন্য জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। ছুটি শেষে অন্যান্য জেলার শ্রমিক ভোটাররাও আমাকে ভোট দিতে তাদের বাসাবাড়িতে চলে এসেছে। আমাকে, আওয়ামী লীগকে ও সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য প্রতিপক্ষ নানা অভিযোগ তুলছে, মামলার কথা বলছে। আমি বলছি, তাদের নামে এসব মামলা নির্বাচনের সময় হয়নি। আগে তারা যে সময় গাড়ি ভাঙচুর ও নাশকতা করেছে সে সময় মামলা হয়েছে। তাদের সরকারের আমলে আমাদের নামেও মামলা দেয়া হয়েছিল। আহসান উল্লাহ মাস্টারকে মারার পরও আমাদের সবার নামে ২০/২৫টি করে মামলা দিয়েছিল। সে হিসেবে সরকার, আওয়ামী লীগ ও নির্বাচন কমিশনকে যাতে তারা প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে সেজন্য আমি বলেছি আদালতের কাজ আদালত করবে। জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। আমি সবাইকে নিয়ে এ নির্বাচনে নেমেছি। বিশেষ করে রমজান মাসে আমরা ইফতারের পর সেহরি পর্যন্ত নগরবাসীর কাছে গিয়েছি, কথা বলেছি কীভাবে নৌকাকে বিজয়ী করা যায়। আমার আহ্বান, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে, মানুষের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে আপনারা সবাই নৌকায় ভোট দিন। আমি গাজীপুরকে, আপনাদেরকে একটি গ্রিন ও ক্লিন সিটি উপহার দিতে চাই।

বিভিন্ন স্থানের পথসভায় তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি এবং ভোটারদের ওপর আস্থা আছে, আগামী নির্বাচনে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে আমাকে এবং নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন। এখানে আমরা সবাই এক। কেউ যেন বিভ্রান্তিমূলক কোনো কথা বা সংঘর্ষে না জড়ান বা কেউ কাউকে ছোট করে কথা বলবেন না। যারা কাউন্সিলর থাকবেন আপনাদের মূল্যায়িত করেই এখানে সব কাজ করা হবে। এটি স্থানীয় নির্বাচন, স্থানীয় মানুষ এবং ভোটারদের নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সবাই অংশগ্রহণ করবে- এটাই আমার প্রত্যাশা। সবার সহযোগিতা এবং নৌকা মার্কায় ভোট চাই। গতকাল বেলা ১১টায় মহানগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ড সুরাবাড়ি ধানসিঁড়ি স্কুল মাঠে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ১ নম্বর থেকে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে স্কয়ার গেট, লতিফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, তুরাগ ঈদগাহ মাঠ, হাতিমারা ঈদগাহ মাঠ, কালের ভিটা, মেঘলাল, নছার মার্কেট, মিতালী ক্লাব, নাদের স্কুলের পাশে, আমবাগ পূর্বপাড়া, মন্ত্রী মার্কেট, আনোয়ার মোল্লার বাড়ির পাশে, জেলখানা রোড, কেয়া স্পিনিং, নোয়াব আলী মার্কেটসহ ১৫টি পথসভায় বক্তব্য রাখেন। সকাল ১০টায় ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে পথসভার মাধ্যমে গণসংযোগ শুরু করেন। দুপুরে ২ নম্বর ওয়ার্ড লোহা আলীর মাজারে জোহরের নামাজ আদায় করেন।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার নগরের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাছা এলাকা থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপির জেলা সভাপতি ফজলুল হক মিলন, সাধারণ সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুলসহ দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। হাসান উদ্দিন সরকার বলেছেন, এই সরকারের যা চরিত্র তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আমরা আশঙ্কায় আছি। যদি নির্বাচনে কোনো অপতৎপরতা চালাতে চায়, প্রশাসনিক শক্তি প্রদর্শন ও পুলিশ দিয়ে হয়রানি করতে চাইলে আমরা সহজে ছেড়ে দেবো না। তিনি বলেন, নগরের কাশিমপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় আমাদের দলের নেতাকর্মীদের জুলুম ও পুলিশ দিয়ে হয়রানি শুরু করে দিয়েছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আমার অনুরোধ তারা যেন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন, যাতে করে নগরবাসী তাদের ভোটাধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করতে পারে। সিটি নির্বাচন সুষ্ঠুু করতে সেনা মোতায়েনের দাবি জানান তিনি। বিভিন্ন স্থানের পথসভায় হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী অতিরিক্ত মাত্রায় ওয়াদা দিচ্ছেন।

তিনি ডাবল রেললাইন ও চলমান বিআরটিসহ জাতীয় প্রকল্পগুলোকে স্থানীয় সরকারের প্রকল্প হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা, পরিধি ও স্থানীয় সরকার আইন সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা থাকলে তিনি এসব ওয়াদা দিতেন না। তিনি এমন কিছু ওয়াদা দিচ্ছেন যা প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতাকেও হার মানাচ্ছে। জাহাঙ্গীর আলম কথায় কথায় কেন্দ্রীয় সরকারের কথা বলছেন। কিন্তু সিটি করপোরেশনের মতো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ করার কোনো সুযোগ নেই। নিজের যোগ্যতা বলেই স্থানীয় সরকার পরিচালনা করতে হয়। নিজের যোগ্যতা না থাকলে কেন্দ্রীয় সরকার এসে স্থানীয় সরকার পরিচালনা করবে না। স্থানীয় খাত থেকে রাজস্ব আহরণের যোগ্যতা ও ধারণা থাকতে হবে এবং স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে। কারোর স্থানীয় সরকার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকলে তাকে স্থানীয় সরকার পরিচালনা করতে আসা মানেই জনগণের দুর্ভোগ ডেকে আনা। দুপুর পর্যন্ত তিনি নগরের গাছা (পূর্ব) অঞ্চলের ৩২, ৩৩, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইশড্ডা, জাঝর, অ্যারাবিয়ান গার্মেন্ট, বটতলাসহ বিভিন্ন এলাকা  এবং বিকালে নগরের টঙ্গী (পূর্ব) এলাকার টিএন্ডটি, শিলমুন, মরকুনসহ সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে তাদের দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নগরকে আটটি ভাগে ভাগ করে কেন্দ্রীয় নেতারা স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় করছেন। বিকালে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজের নগরের উত্তর ছায়াবীথি এলাকার বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অসিম কুমার উকিল। তার সঙ্গে জেলা সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতা কামাল হোসেন, জেলা নেতা দেলোয়ার হোসেন দেলু, জহির খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, ডাকসুর সাবেক ভিপি আকতারুজ্জামানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি টিম পুবাইল, মাঝুখান, মীরের বাজারসহ আশেপাশের এলাকার ১৪টি ভোট কেন্দ্রকে টার্গেট করে দিনভর নির্বাচনী প্রচার ও গণসংযোগ চালিয়েছেন। এই টিমে অন্যান্যের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নেতা বাবু রায় রমেশ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একটি টিমও রয়েছেন তাদের মেয়র প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে। বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মিডিয়া সেল-এর প্রধান ডা. মাজহারুল আলম জানান, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বিকালে দলের জেলা কার্যালয়ে মতবিনিময় করেন। এসময় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, খুলনা ও গাজীপুর এক নয়। গাজীপুরের বীর জনতা বারবার ইতিহাস রচনা করেছেন। আসন্ন মেয়র নির্বাচনেও গাজীপুরবাসী ধানের শীষকে বিজয়ী করে ইতিহাস রচনা করবে। খুলনার মতো কারচুপি গাজীপুরে করলে ক্ষমতাসীনদের শিকড়ে নাড়া লাগবে। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, কেন্দ্রীয় নেতা শ্যামা ওবায়েদ, বিএনপি কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এড. আব্দুস সালাম আজাদ, জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল, বিএনপি কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. মাজহারুল আলম, এড. রফিক শিকদার, গাজীপুর পৌর বিএনপি সভাপতি মীর হালিমুজ্জামান ননী, কাপাসিয়া থানা সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াৎ হোসেন সেলিম, কুতুব চেয়ারম্যান প্রমুখ। গাজীপুর জেলা বিএনপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে ও ২৮ নং ওয়ার্ডের হাড়িনালে গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী ছাড়াও বাকি ৫ জন মেয়র প্রার্থীও এলাকায় গণসংযোগ ও বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন পথসভায়। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন বিকালে বিদেশি একটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ টিমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাচনের পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে সামগ্রিক বিষয় তুলে ধরেন। পরে জালাল উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, সরকারি দলের অনেক নেতাকর্মী এই নির্বাচনে তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করাতে নানাভাবে প্রভাব খাটিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচন স্থগিত হওয়া থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত নানা বিষয়ে চলছে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। তাদের দলের কমপক্ষে ২৫ জন নেতা বর্তমানে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে। নির্বাচনে ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামীর জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান ১৫ নং ওয়ার্ডে ও নিজ ওয়ার্ডের নির্বাচনী কেন্দ্রে বিভিন্ন নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন এবং নির্বাচনী প্রচারণার ব্যাপারে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুখলেছুর রহমান, অর্থসচিব মাওলানা আব্দুল খালেক, ইসলামী ঐক্যজোট নেতা মাওলানা ইসমাইল হোসাইন, মাওলানা মন্‌জুরুল ইসলাম, মাওলানা শামীম আহমদসহ নেতৃবৃন্দ।

 মেয়র প্রার্থী ছাড়াও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নানা অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ থাকলেও নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে প্রত্যাশা করছেন নগরবাসী। তাদের প্রত্যাশা শেষ পর্যন্ত নিজের ভোট যেন নিজে পছন্দের প্রার্থীকে দিতে পারেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নির্বাচনের ইশতেহার প্রস্তুত করছে বিএনপি: আমীর খসরু

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আসিয়ানের পরবর্তী পদক্ষেপ কি?

প্রতি বছর দেয়া হবে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক’

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা সাজা স্থগিত চেয়ে খালেদার আপিল

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইইউ, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছতার প্রত্যাশা

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন যেনো প্রভাবিত না হয়

খাশোগি হত্যার রেকর্ড শুনতে চান না ট্রাম্প

লক্ষ্য ক্রাউন প্রিন্সকে রক্ষা করা!

ইসরাইলে আগাম নির্বাচন: হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

রোহিঙ্গারা ফেরত না যাওয়ায় মিয়ানমারে কৃত্রিম সন্তুষ্টি, ঢাকায় সমান হতাশা

এক বিশ্ববিদ্যালয়কেই ১৫০০ কোটি টাকা দান ধনকুবের ব্লুমবার্গ

সিরাজগঞ্জে অটোরিকশা চালক খুন

'আমি একজন স্বপ্নবিলাসী মেয়ে'

দ্বিতীয় দিনেও চলছে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

বাংলাদেশি বৃদ্ধাকে ঘরে ফিরিয়ে দিতে দুই দেশের হ্যাম রেডিও কাজ করছে

সাভারে নারীসহ ৩ শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার