জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে স্বাগত জানালো ২০ দলীয় জোট

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:৫৬
সমপ্রতি বিএনপি, জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া ও যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ে গঠিত নতুন জোট ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে স্বাগত জানিয়েছে ২০ দলীয় জোট। গতকাল সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে জোটের এক বৈঠক শেষে সমন্বয়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বৈঠকের বিষয় সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

তিনি বলেন, বৈঠকে আমরা সদ্য গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্য পর্যালোচনা করে এসব দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছি। আমরা এই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন হওয়াকে স্বৈরাচার হটিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অগ্রগতি হিসেবে দেখছি। এই কারণে ঐক্যফ্রন্টকে ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে স্বাগত জানাচ্ছি। নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা মনে করি এই জোট গঠনের মধ্য দিয়ে আগামী দিনের জনগণের আন্দোলন বেগবান হবে এবং এই সরকার জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে।

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি যে, ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলোর মধ্যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, নির্বাচনের আগে সংসদ বাতিল, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ নির্বাচনের আগে থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন এই জাতীয় দাবি নিয়ে আমরা অনেকদিন ধরেই আন্দোলন করছিলাম। এটার সঙ্গে ২০ দলীয় জোটের নেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তিরও দাবি করেছে। সেজন্য এই ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অন্যদিকে, বৈঠক শেষে এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ মানবজমিনকে বলেন, আজ ঐক্যফ্রন্ট নিয়েই আলোচনা হয়েছে।
তবে আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও কর্মসূচির বিষয় উঠলে বলা হয় শিগগিরই ৪/৫ দিনের মধ্যে আরেকটি বৈঠক হতে পারে।

সেখানে কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে। এর আগে সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ২০ দলীয় জোটের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ জোটের শরিক দল জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, জাগপা’র তাসমিয়া প্রধান, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, লেবার পার্টির অপর অংশের হামদুল্লাহ আল মেহেদী,  বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মণি, পিপলস লীগের (পিএল) সাধারণ সম্পাক সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ন্যাশনাল  ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) মন্‌জুর হোসেন ঈসা উপস্থিত ছিলেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

kazi

২০১৮-১০-১৫ ২২:২৫:১৪

মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন । এতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার তো হবেই না । বরং এক স্বৈরাচারী থেকে আরেক স্বৈরাচারী আসবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মনোবৃত্তি কোনো রাজনৈতিক নেতার মস্তিষ্কে নাই।

আপনার মতামত দিন

‘ইসরাইলকে স্বীকৃতির দেয়ার পরিকল্পনা নেই পাকিস্তানের’

৫২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে উৎসবমুখর চবি

খালেদার চিকিৎসা সংক্রান্ত রিটের আদেশ সোমবার

গীতাঞ্জলী’র অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে বেলারুশে

আগাম জামিন চেয়ে মির্জা আব্বাস দম্পতির আবেদন

পশ্চিমারা ইসলামিক পরিচয় ধ্বংস করতে চায়- মাওলানা ফজলু

প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া গ্রেপ্তার-মামলার তালিকা সিইসিকেও দিল বিএনপি

লোকসভায় ২৯৭-৩০৩ আসন পেতে পারে বিজেপি

শহিদুলের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন

জে-লো কাণ্ড!

বায়ুদূষণে কেমন আছেন দিল্লির রিক্সাওয়ালা!

জীবনে কম্পিউটার ব্যবহার না করেও জাপানের সাইবার নিরাপত্তামন্ত্রী, জানেন না ইউএসবি পোর্ট কি

আজ থেকে প্রাথমিক-ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর অগ্নিপরীক্ষা

গুলশানে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার চলছে

বোরকার বিরুদ্ধে সৌদি নারীদের অভিনব প্রতিবাদ