আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:০২
একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আজ বৈঠক করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সকাল সাড়ে ১০টায় নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে এ বৈঠক শুরু হবে। বৈঠকে অংশ নেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তা, রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ সুপার এবং  জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইসি। বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় সাধারণ এলাকা, মেট্রোপলিটন এলাকা এবং উপকূলীয়, দুর্গম ও পার্বত্য এলাকার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য পৃথক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। দশম জাতীয় নির্বাচনের আদলে এবারো আইনশৃঙ্খলায় থাকবে তিন স্তরের নিরাপত্তা ছক। জানা গেছে, ভোটকেন্দ্র পাহারার ক্ষেত্রে সাধারণ কেন্দ্রে একজন পুলিশসহ ১৪ জন, মেট্রোপলিটন এলাকার কেন্দ্রে তিনজন পুলিশসহ ১৫ জন এবং দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকার কেন্দ্রে দুইজন পুলিশসহ ১৪ জন রাখার বিষয়ে প্রাথমিক পরিকল্পনা রেখেছে ইসি।

তবে, ভোটকেন্দ্র সুরক্ষিত রাখতে বাইরে থাকবে সামরিক-আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। এর মধ্যে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে থাকবে সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।
আর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবে। কিন্তু কেন্দ্রে প্রবেশে অনুমতি লাগবে রিটার্নিং অথবা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার। এ ছাড়া নির্বাচনের বিধি-ভঙ্গ, প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য, চরিত্রহননের অপচেষ্টা প্রতিরোধে মাঠে থাকবে নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটরা। এবার সব মিলিয়ে প্রায় ৭ লাখের কাছাকাছি মোতায়েন হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এসব বাহিনী ৩০০ সংসদীয় আসনের ৪০ হাজার ১৮০টি কেন্দ্র পাহারা ও ১০ কোটি ৪২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৩ জন ভোটারের নির্বিঘ্নে ভোটদানে সহায়তা দিতে কাজ করবে। কমিশনের যুগ্ম সচিব খন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের কর্মযজ্ঞ বেশি হলেও ভিআইপি, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, থানা-প্রশাসন শূন্য করে সব নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে এ কাজে যুক্ত করা যাবে না। বৈঠকে, কীভাবে ফোর্স মোতায়েন হলে সব কূল বজায় থাকবে সেটিও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে।

সূত্রমতে, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোট গ্রহণের আগে ও পরে ভিন্ন মেয়াদের জন্য সেনা, র‌্যাব ও পুলিশসহ অন্য বাহিনী মোতায়েন করতে যাচ্ছে ইসি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ২৪শে ডিসেম্বর মাঠে নামবেন। ২রা জানুয়ারি পর্যন্ত তারা নির্বাচনী এলাকায় থাকবেন। বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সদস্যরা স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিম হিসেবে ২৬শে ডিসেম্বর থেকে ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। ২৯শে ডিসেম্বর ৩০০ আসনে সব মিলে ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামবেন। তারা ভোটের পর দুই দিনসহ সবমিলে চারদিন মাঠে থাকবেন।

২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনেও একইভাবে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছিল ইসি। তবে ২০০৮ সালে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে সেনা মোতায়েন করা হয়।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘চোর মেশিন’ ইভিএম বন্ধ করার দাবি

নিশানের সাবেক প্রধানের বিরুদ্ধে ৯০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

নিয়মিত মেডিকেল চেক-আপে কাল সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন এরশাদ

নৈতিক পরাজয় ঢাকতে আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব : ফখরুল

৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ ২০ শ্রমিকের

প্রথম মা হচ্ছেন লুসি, সন্তানের পিতার পরিচয় গোপন রাখবেন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে মিয়ানমার অত্যন্ত ধীর গতিতে

‘ইসরাইলিদের মালয়েশিয়ায় আসা উচিত নয়’

আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসবে গণজমায়েত শুরু, কঠোর নিরাপত্তা

‘বেস্ট সেলিং ব্রান্ড’ হলো আতঙ্ক- জাতিসংঘ মহাসচিব

১৮ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক মনিরের মামলায় ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র

ভিক্টোরিয়ার ৮টি গোডাউনে আগুন, শত কোটি টাকার পণ্য ভস্মিভূত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২

গাংনীতে অপহরণের ৪ মাস পর নারীর কঙ্কাল উদ্ধার

সহযোগিকে মিথ্যা স্বাক্ষ্য দিতে বলেছিলেন ট্রাম্প