মাহাবুরকে হত্যা করে ধর্ষণের প্রতিশোধ নেয় রোমালী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৪:১৭ | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৩৮
ধর্ষনের শাস্তি দিতেই দেড় বছর আগে আশুলিয়ার গার্মেন্ট কর্মী মাহাবুরকে হত্যা করে রোমালী বেগম ও তার স্বামী। দীর্ঘ দেড় বছর পর এ  হত্যা রহস্য উন্মোচন করেছে পিবিআই। পাশাপাশি  চাপাইনবাগঞ্জ থেকে মাহবুর হত্যার সঙ্গে জড়িত স্বামী ও স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- চাপাইনবয়াবগঞ্জ নাচোল থানার শরুল্লা গ্রামের রইসুদ্দিনের ছেলে শামীম আক্তার (৩৬) ও তার স্ত্রী রোমালী বেগম (২৬)। হত্যার শিকার পোশাক শ্রমিক মাহাবুর কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার হোকডাংগা দালালপাড়া গ্রামের জাহিদ আলীর পুত্র।

এ ব্যাপারে  মাহাবুরের স্ত্রী খাদিজা বেগম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় চার জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।  পিবিআই গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।  

মামলার তদন্তকারী অফিসার পিবিআই ঢাকা জেলার সাব ইন্সপেক্টর(এসআই) সালেহ ইমরান জানান, হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলার বাদী ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এজাহার দায়ের করলেও তদন্তকালে তাদের কোন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না যাওয়ায় মামলাটি একটি ক্লুলেস মামলায় পরিনত হয়৷ দীর্ঘ তদন্তের পর তথ্য প্রযুক্তির সহযোগীতা নিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত উল্লেখিত আসামিদের সনাক্ত করা হয়।

তিনি জানান,  গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি দিয়েছে । তাদের দেয়া স্বীকারোক্তি এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাহাবুর তার দুই জন সহযোগি নিয়ে ঘটনার প্রায় মাস খানেক আগে  রোমালী বেগমকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে৷
বিষয়টি তার স্বামী শামীম আক্তার জানতে পারলে উভয়েই প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ খুজতে থাকে৷ এক পর্যায়ে ২০১৭ সালের ১৫ই ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রোমালী বেগম কৌশলে মাহাবুর কে আশুলিয়া থানার নিশ্চন্তপুর এলাকার আমেনা মসসিদ থেকে অল্প দূরে একটি ঝোপ এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা রোমালীর স্বামী শামীম এবং রোমালী দুজনেই মাহাবুরকে  শ্বাসরুদ্ধ করে এবং সুতা কাটার যন্ত্র দিয়ে গলা, পুরুষাঙ্গ এবং পেটে আঘাত করে হত্যা করে। পরে তারা ওই দিনই পালিয়ে বাড়ি চলে যায়।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

mostaq

২০১৯-০৪-১৮ ০৭:৩৪:১৪

বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এর উচিত ধর্ষক কে এমনকরে হত্যা করা।

MSR MEHAD

২০১৯-০৪-১৮ ০৭:৩২:২৭

যে দেশে সঠিক বিচার নেই সেই দেশে আইন নিজে হাতে তোলে নেওয়া ফরজ যদি ধর্ষিত পরিবার কে ফাঁসি দেওয়া হয় তা হলে সেই ও জোর করে ঐ মহিলাকে ধর্ষণ করতে হবে তার পর আদালতে ফাঁসি হোক ফাঁসি হলে একজনে হবে শুধু ধর্ষিতার স্বামীর আর যদি আদালত সঠিক বিচার করে তাহলে আসামীদের মুক্তি দিতে হবে এই বিচারে কিছু ধর্ষন বন্ধ হবে কারন ধর্ষক ব্যাক্তি খুন হবার পর তার পরিবার কোন বিচার পাবেনা, এবং সেই ভয়ে কোনন ব্যাক্তি ধর্ষন করতে চিন্তা করবে,সঠিক বিচার চাই তাদের মুক্তি চাই

Nixon pandit

২০১৯-০৪-১৮ ০৬:১৫:১৪

রুমালী বেগমের জবাব নেই । ঠিকই করেছেন উনি । দিদি তোমাকে সেলুট করি । পুলিশ বাবুদের অনুরোধ করছি অন্য দুই দর্শকদের পুলিশের হিরাসাতে নেয়া হোক ।

Raju

২০১৯-০৪-১৮ ০৫:৩৯:৫৩

আমিও একমত

Nasir ahned

২০১৯-০৪-১৮ ০৫:১৬:০৯

এরকম সাহসি নারীকে পুরস্ক্রিত করা উচিত।

Nasir ahned

২০১৯-০৪-১৮ ০৪:৫৮:১৯

বিচারে তো ধ র্ষনের স্বাস্তি হবে না। ৯৫% ধর্ষক নাকি খালাশ হয়ে জায়।। স্বামী ইস্ত্রিকে পুরস্ক্রিত করা উচিত। ধর্ষিতাকে না ধরে ধর্ষক ও তাদের সহজগীদের ধ রুন।

Rashed

২০১৯-০৪-১৮ ০৪:০৩:০৩

If it is proved they murdered for rape then they should be free.

Kazi

২০১৯-০৪-১৮ ০৩:৩৩:০০

ধর্ষণের প্রতিশোধ থেকে খুন। আইন প্রণেতাদের হুঁশ হবে কি ?? ধর্ষণের এমন কঠিন শাস্তি নির্ধারণ করে আইন প্রণয়ন করা উচিত যাতে ধর্ষণ বন্ধ হয় এবং প্রতিশোধ নিতে হত্যাও বন্ধ হয়।

আপনার মতামত দিন

প্রিয়তি ধর্ষণ চেষ্টা, তদন্তে ইন্টারপোল!

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে জাতীয় সংসদের বিশেষ আয়োজন

প্রার্থী হচ্ছেন না খালেদা জিয়া

সাকিব আবার শীর্ষে

দোষী ৬৭ জন ১৮ থেকে ২৩ তলা অবৈধ

নারী হতে বাংলাদেশির অস্ত্রোপচার গুজরাটে

সিমলায় আটকে আছে তদন্ত!

অনির্বাচিত সরকারকে গ্রহণ করার মূল্য দিচ্ছে জনগণ

ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু অনলাইনে চরম ভোগান্তি

চাল আমদানিতে শুল্ক কর বাড়িয়ে দ্বিগুণ

বান্ধবীর বাসায় আশিকের মৃত্যু নানা রহস্য

সিলেটের ৫ গুণীজনকে রত্ন ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে বিশ্বাঙ্গনে একত্রে লড়বে দুই দেশ

অধ্যক্ষ ফের দুই দিনের রিমান্ডে

ঢাকার ৮৪ ভাগ বহুতল ভবনই ত্রুটিপূর্র্ণ

পা হারানো রাসেলকে বাকি টাকা দেয়নি গ্রীনলাইন তীব্র ক্ষোভ হাইকোর্টের