‘গারারা’য় মজেছেন তরুণীরা

ষোলো আনা

ফাহিমা আক্তার সুমি | ১৭ মে ২০১৯, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৫৭
রাজধানীতে ঈদকে সামনে রেখে মেয়েদের পোশাকে এবার নতুন চমক নিয়ে এসেছে ‘গারারা’। পবিত্র শবেবরাতের পর থেকেই রাজধানীর শপিংমলগুলোতে ক্রেতারা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। তবে কেনাকাটা এখনো খুব একটা জমেনি- না জমলেও ‘গারারা’ নামের পোশাকটি দৃষ্টি কাড়ছে তরুণীদের।

ঈদ উপলক্ষে ভারতীয় পোশাক ‘গারারা’ দোকানে তুলছেন ব্যবসায়ীরা। মোগল আমলের এই পোশাকটি ভারতীয় উপমহাদেশের একটি পোশাক। সময়ের বিবর্তনে ‘গারারা’ যোগ হয়েছে হাল ফ্যাশনে। এই পোশাকটির কামিজের দৈর্ঘ্য হাঁটু অব্দি। সঙ্গে থাকে সালোয়ার। সালোয়ারটি খানিকটা লম্বা তবে হাঁটুর কাছে এসে কুচি দেয়া। কুচি পরে বেশি ঘের হয়ে নিচের অংশ নেমে গেছে। রংয়েও রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন চমক। পোশাকগুলো সাধারণত জর্জেট, সিল্ক, কটন ও নেট কাপড়ের তৈরি। ‘গারারা’ ছাড়াও গাউন, বাবরি গাউন, কোটি সিস্টেম গাউনসহ নানান ধরনের পোশাক দোকানে সাজিয়ে রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ‘গারারা’ পোশাকটি বাজারে অনেক সারা ফেলেছে। তবে বাচ্চাদের পোশাকেও দেখা মেলে ভিন্নতা।

রাজধানীর গাউছিয়া, নিউমার্কেট, চাঁদনি চক ঘুরে দেখা যায় এমন চিত্র। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন আগামীতে ক্রেতাদের ভিড় আরো বাড়বে। জমবে বেচাকেনার উৎসব।

গাউছিয়া মার্কেটের ‘জরী ঘরে’ চোখ রাখতেই দেখা মেলে বাহারি ‘গারারা’। এই দোকানের বিক্রয়কর্মী মো. আলী হোসেন বলেন, পোশাকগুলো ভারত থেকে এসেছে। বাংলাদেশে শুধু ফিটিং করা হয়। এর দাম ৫ হাজার থেকে শুরু করে ১৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। এখন মোটামুটি বিক্রি হচ্ছে। তবে আশা করছি আগামী দু-একদিন পর থেকে আরো বিক্রি বাড়বে।

শিল্পী ফ্যাশনের পরিচালক মো. রাজু বলেন, গত বছরের তুলনায় ছয় রোজা থেকে অনেকটা ভালো বিক্রি হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে ভাগ্যের ওপর নির্ভর করবে কেমন বেচাকেনা হবে। যদিও প্রচণ্ড গরমে লোকজন বাসা থেকে বের হচ্ছে কম তবুও আশানুরূপ আসছে।

মিরপুর থেকে আসা দন্তচিকিৎসক সুরভি গাউছিয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পোশাক দেখছেন। তিনি বলেন, ‘গারারা’ পোশাকটা আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি জানতাম না এটা এইবার ঈদ উপলক্ষে আসছে। তবে গাউন কেনার জন্যই মূলত এসেছিলাম। এখন ‘গারারা’ দেখে মত অনেকটা ঘুরে গেছে। ‘গারারা’ বা ‘গাউন’ এই দুটোর ভেতরে যেকোনো একটা নিয়ে নেব।

ক্রেতা হাবিব মোহাম্মদপুর থেকে বাচ্চাদের নিয়ে এসেছেন নিউমার্কেটে। তিনি বলেন, দুই মেয়ের জন্য সিলভার কালারের ভারি কাজ করা দুইটা গাউন কিনেছি। ঈদে পরবে একটু আকর্ষণীয় দেখেই নিয়েছি। দুই হাজার করে দাম নিয়েছে একটির। পরিবারের বাকি সবারটাও কিনে ফেলব। প্রচণ্ড গরমে বাচ্চা-কাচ্চা নিয়ে বের হওয়া কষ্টকর।

এদিকে চাঁদনি চকের গজ কাপড় ও সেলাই বিহীন থ্রিপিচের দোকানগুলোতে দেখা যায় বেশ ভিড়। কাপড় কিনে বানানো জামার প্রস্তুতি চলছে এখন থেকেই। সিল্ক, ফেব্রিকস, কাতান ও নেটের উপরেও চাহিদার কমতি নেই ক্রেতাদের।  

গাউছিয়ায় শাড়ির দোকানগুলোতে দেখা যায় শাড়ি ছাড়াও লেহেঙ্গা দেখছেন ক্রেতারা। তবে অপরূপ নামে শাড়ির দোকানের বিক্রেতা বাবু জানান, সুতির কাপড়টা একটু বেশি বিক্রি হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে ফুল সিল্কের শাড়িটা বাজারে আসার সম্ভবনা আছে। শাড়ি বেশি বিক্রি হয় রোজার শেষের দিকে। কারণ তখন অনেকের বিয়ে থাকে।


এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সিলেটে বিএনপির সমাবেশ যথা সময়ে হবে : ডা. জাহিদ

ক্লাবগুলো কলঙ্কিত করলো যারা

আচমকা দৃশ্যপট বদলে গেল

প্রধানমন্ত্রী বলে গেছেন অভিযান অব্যাহত রাখতে

মোল্লা আবু কাওছার বিদেশে

ব্যাংক হিসাব জব্দ শামীমের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটি টাকা

ক্যাসিনোপাড়ার শতাধিক বিদেশি লাপাত্তা

প্রতি রাতে উড়তো কোটি কোটি টাকা

ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

নারায়ণগঞ্জে নব্য জেএমবি’র দুই সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৩

নেতাকর্মীদের আগ্রহ নেই

যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক নজরদারিতে

আফগানিস্তানে জঙ্গি ঘাঁটিতে সেনা অভিযানে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ফু ওয়াং ক্লাবে পুলিশের অভিযান

ভারতে দেহব্যবসায় বাধ্য করানো ৮ বাংলাদেশি যুবতীকে উদ্ধার

গোল্ডেন ড্রাগন বারে চলছে পুলিশের অভিযান