লোকসভা নির্বাচনে যত সব অঘটন

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ২৫ মে ২০১৯, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:৫০
‘বুরা না মানো, মোদি হে!’ হ্যাঁ ভারতে আবারও ফিরে এসেছে মোদি সরকার। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট শুধু জয়ই পায়নি, এটি সপষ্টভাবেই ভারতের স্বাধীনতার পর বিজেপি’র সব থেকে বড় বিজয়। তবে এ নির্বাচনে ঘটেছে অনেক অঘটনও। এরমধ্যে আছে আমেথিতে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর পরাজয় ও ভুপালে সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্ত প্রজ্ঞা ঠাকুরের জয়। আছে নানা চমকও। একনজরে দেখে নিন ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের যত অঘটন:

আমেথিতে রাহুল গান্ধীর পরাজয়
রাহুল গান্ধী ও তার দল কংগ্রেস আমেথিতে বিজেপি’র স্মৃতি ইরানির কাছে হেরে গেছে। আমেথিকে বলা হয় কংগ্রেসের দুর্গ। স্বাধীনতার পর এই তৃতীয়বারের মতো এমন অঘটন ঘটলো এ আসনে।
একই সঙ্গে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে এটি বিজেপি’র জন্য অন্যতম বড় জয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রজ্ঞা ঠাকুরের জয়
সন্ত্রাসবাদে অভিযুক্ত প্রজ্ঞা ঠাকুর তার আসনে জয় পেয়েছেন। তিনি ভারতের জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসে’কে দেশভক্ত বলে সমালোচিত হয়েছেন। তবে এ মন্তব্যের জন্য পরে ক্ষমা চান তিনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে ক্ষমা করেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এজন্য প্রজ্ঞাকে কোনোদিনই ক্ষমা করতে পারবেন না তিনি। কিন্তু তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেননি মোদি। এখন সেই প্রজ্ঞাই পার্লামেন্টে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন।
সর্বহারা চন্দ্রবাবু নাইডু
চন্দ্রবাবু নাইডু ও তার দল টিডিপি সব হারিয়েছেন। হ্যাঁ, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্র প্রদেশে একটি আসনেও জিততে পারেনি টিডিপি প্রার্থীরা। উল্লেখ্য, এবার নির্বাচনের শেষের দিকে তিনি বিজেপি বিরোধী কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। বিজেপি থামাও- এমন অঙ্গীকারে তিনি বিরোধী দলগুলোকে একত্রিত করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সেই চন্দ্রবাবু এখন সর্বহারায় পরিণত হয়েছেন। উল্টো দোর্দণ্ড প্রতাপ নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি।
দিল্লি থেকে মুছে গেছে আম আদমি পার্টি
অরবিন্দ কেজরিওয়াল নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি দিল্লি থেকে একটি আসনও পায়নি। তবে অঘটনের শেষ এখানেই নয়। শিক্ষাখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্য পরিচিত অতিশী মারলেনা শুধু বিজেপি প্রার্থীর কাছে হারেনই নি, তিনি তার আসনে তৃতীয় হয়েছেন। তার আসনে জয় পেয়েছেন ক্রিকেটার ও বিজেপি’র প্রার্থী গৌতম গাম্ভীর।
কর্ণাটকে ব্যর্থ কংগ্রেস-জেডি (এস) জোট
বিজেপিকে থামাতে কর্ণাটকে জোট বাঁধে কংগ্রেস ও জেডিএস। তবে এরপরও নিজেদের হার থামাতে পারেনি এই জোট। এমনকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেবে গৌড়াও তার আসন থেকে হেরে গেছেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি’র শক্তিশালী উত্থান
তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গ। ২০১৪ সালে এ রাজ্যে বিজেপি’র জয় ছিল মাত্র ২ আসনে। কিন্তু এবারই ঘুঁটি ঘুরিয়ে দিয়েছে দলটি। তৃণমূলের মমতা ব্যানার্জির কানের পাশ দিয়ে গুলি গেছে বলতে হবে। আসন সংখ্যায় এ রাজ্যে তৃণমূলের কাছাকাছিই থাকছে বিজেপি।
রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসের হার
গত বছরের ডিসেম্বরেও বিধানসভার নির্বাচনে এ দুই রাজ্যে বড় সফলতা পেয়েছিল কংগ্রেস। এখান থেকেই বিজেপি’র পতনের আশা সঞ্চার করেছিল দলটি। তবে লোকসভা নির্বাচনে দেখা গেছে এখানকার মানুষ আবারও মোদিকেই টেনে নিয়েছেন।
অঘটনের পর অঘটন। এবারের লোকসভা নির্বাচন ছিল চমকে ভরা। কিন্তু বুঝতে হবে, ‘মোদি হে তো মুমকিন হে!’ অর্থাৎ মোদি থাকলে সবই সম্ভব।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

২০ কিলোমিটার পথ পেরুতেই লাগছে ৬ ঘন্টা

টুঙ্গিপাড়ায় ৫টি মামলায় পুরুষশূণ্য এলাকা

পরিবাগে বহুতল ভবনে আগুন

সাকিব কেন ২০১৯ বিশ্বকাপের সেরা তার ব্যাখ্যা দিয়েছে ট্রেলিগ্রাফ

এশিয়া-প্যাসিফিকে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ- এডিবি

ঝিনাইদহে ৬৩ শতক জমি নিয়ে বিরোধ তুঙ্গে

ধর্ষণ মামলা করে বিপাকে প্রতিবন্ধী যুবতীর পরিবার

যশোরে বাসচাপায় মেধাবী দুই স্কুলছাত্র নিহত

‘নাগরিকত্ব ও সম্মান নিয়ে মিয়ানমারে ফিরতে চায় রোহিঙ্গারা’

চৌদ্দগ্রামে দুই লাশ উদ্ধার

মারা গেলেন স্বামীর দেয়া আগুনে দগ্ধ সাজেনূর

লতিফ সিদ্দিকী কারাগারে

অর্থনৈতিক স্বপ্নে পৌঁছতে হলে স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে ভাবতে হবে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবলীগ নেতা মনিরুল হত্যায় ৯ জনের ফাঁসি, ২ জনের যাবজ্জীবন

ধামরাইয়ে প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক

৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ