বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন টুকু-সেলিমা

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:০৪
বিএনপির সর্বোচ্চ নীতির্নিধারক ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদে পদোন্নতি পেয়েছেন দলের দুই ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁদের এই পদোন্নতি দেন। গতকাল দুপুরে বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই দুই নেতার পদোন্নতির ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, কাউন্সিলের পর আমাদের কমিটিগুলো পুনর্গঠিত হয়েছে, কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে কয়েকটি শূণ্য পদ রয়েছে। আমাদের কয়েকজন বরেণ্য নেতা মারা গেছেন। ওই শূন্যপদগুলোর মধ্যে দুটিতে আজকে আমি দুইজনের নাম ঘোষণা করছি।’ সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ড. শাহিদা রফিক, কেন্দ্রীয় আবদুস সালাম আজাদ ও আলবার্ট পি কস্টা প্রমুখ। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৯শে মার্চ অনুষ্ঠিত বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে স্থায়ী কমিটির পরিধি বাড়িয়ে সংখ্যা করা হয় ঊনিশ।
কিন্তু কাউন্সিলের পর স্থায়ী কমিটির ১৭জনের নাম ঘোষণা করা হয়। সে বছরই সর্বশেষ বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল হয়েছিল। ইতিমধ্যে তিনজন সদস্য মারা যাওয়ায় সর্বমোট ৫টি পদ ফাঁকা ছিল। কাউন্সিলের তিন বছর তিন মাস পর তারই দুইটি শূন্য পদে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও সেলিমা রহমানকে যুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাবন্দি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমান। অন্য এক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে আইনী জটিলতায় ভারতে অবস্থান করতে হচ্ছে। বর্তমানে স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লে. জে. (অব.) মাহবুবুুর রহমান, মির্জা আব্বাস, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রয়াত তিন সদস্য হলেন- তরিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ ও এমকে আনোয়ার। এদিকে, বিএনপি স্থায়ী কমিটির নবনিযুক্ত সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘এটি আমার জন্য আনন্দের খবর। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে, আমাদের নেত্রী কারারুদ্ধ। তাঁকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে। দলের একটি দুঃসময়ে আমাকে স্থায়ী কমিটিতে নেয়া হয়েছে। আমি যেন আমার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি, সে চেষ্টা করব। নেত্রীকে মুক্ত করাই হবে আমাদের চ্যালেঞ্জ।’ ওদিকে, বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে পারেন এমন প্রত্যাশা ছিল তাদের অনুসারীদের। ফলে নাম দুইটি ঘোষণার পর অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ধরন পাল্টানোয় চিন্তিত চিকিৎসকরা

ডেঙ্গু রোগীর চাপে হিমশিম কর্তৃপক্ষ

প্রতিদিনই বাড়ছে রোগী

এরশাদের চেয়ারে জিএম কাদের

ধর্ষণ মামলার বিচারে হাইকোর্টের ৬ নির্দেশনা

রিফাত হত্যার পরিকল্পনায় মিন্নি জড়িত

হটলাইন কমান্ডো নিয়ে আসছেন সোহেল তাজ

শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে- সালমান এফ রহমান

বেসিক ব্যাংককে ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়

১১ খাতে ওয়াসার দুর্নীতি পেয়েছে দুদক

‘আমলারাই এ সরকার টিকিয়ে রেখেছে’

ঢাবি থেকে ৭ কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে আবারো শাহবাগ মোড় অবরোধ

ব্যাংক চান ডিসিরা

ব্যাগে শিশুর মাথা বহনকারী যুবককে পিটিয়ে হত্যা

পাকুন্দিয়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

সরল বিশ্বাসে ভুল অপরাধ নয়- দুদক চেয়ারম্যান