যেভাবে পতন ঘটে বশিরের- (শেষ পর্ব)

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৮ জুলাই ২০১৯, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৪৮
দুই বছর আগে হঠাৎ করে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও সৌদি আরব সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে প্রতিবেশী দেশ কাতারের সঙ্গে। মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি কাতারের অব্যাহত সমর্থন নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল আরব আমিরাত ও সৌদি আরব। এই পরিস্থিতিতে বেশ জটিল অবস্থায় পড়ে যান সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশির। সুদানের অর্থনীতি বাঁচাতে ইউএই’র মতো কাতারও কয়েক বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছিল। বশিরের ইসলামবাদী ঘরোয়া রাজনৈতিক মিত্ররা তাকে চাপ দেন, কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করা যাবে না। সুতরাং, এই সংকটে কোনো পক্ষে যেন বশির না যান। সাবেক উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার মতে, এই মিত্রদের বার্তা ছিল স্পষ্ট।
কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে হবে।

পরের বছর ২০১৮ সালের মার্চে লোহিত সাগরবর্তী সুয়াকিন বন্দর উন্নয়নে কাতারের সঙ্গে ৪০০ কোটি ডলারের চুক্তি সই করে সুদান। তার আগে অবশ্য বশির সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন ইউএই ও সৌদি আরবের পক্ষে তিনি যাবেন না। অবশ্য তাদের বিরুদ্ধেও তিনি যাননি। কিন্তু ইউএই’র প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদকে তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, ইসলামপন্থীদের দমন করবেন, সেখান থেকেও তিনি সরে আসেন। জ্যেষ্ঠ ঐ সরকারী কর্মকর্তার মতে, দেশের শক্তিধর ইসলামপন্থী ব্যক্তিত্বদের শত্রু বানাতে ভয় কাজ করছিল বশিরের মনে। এই ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন আলি ওসমান তাহা, যিনি সাবেক প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তার উত্তরসূরি বাকরি হাসান সালেহ। এই দু’জনই বশিরকে ক্ষমতায় আনা অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলেন।

২০১৮ সালের অক্টোবর নাগাদ, সুদান ফের অর্থনৈতিক সংকটে পতিত হয়। দেশে খাদ্য, জ্বালানি ও মুদ্রা সংকট দেখা দেয়। বশিরের নিজ দল ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির বৈঠকে, দলের জ্যেষ্ঠ সদস্য গামার হাবানি তাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন ইউএই ও সৌদি আরব আর সাহায্য করছে না সুদানকে। বশির জবাবে বলেন, ‘আমাদের ভাইয়েরা চায়, আমি তোমাদের অর্থাৎ ইসলামিস্টদের ত্যাগ করি।’ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের দিকে, ইউএই সুদানে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। বশির দেশে ইসলামিস্টদের প্রভাব ক্ষুণœ না করায় স্পষ্টতই ক্ষুব্ধ ছিল ইউএই। হাবানি বলেন, ‘যেহেতু বশির ইসলামিস্টদের পরিত্যাগ করতে ও কাতারের বিরুদ্ধে যেতে রাজি হননি, সেহেতু সৌদি আরব ও আমিরাত আর আর্থিক সহায়তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সুদান কোনো পক্ষ নেবে না, সেটাই তারা মানতে রাজি নয়।’

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বশির দৃশ্যত নিজের ভাগ্য নিজেই নির্ধারণ করে ফেলেন। তখন দেশে ইতিমধ্যেই খাবারের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ওই সময় শীর্ষ নেতাদের নিয়ে গঠিত সূরা কাউন্সিলের এক বৈঠকে বশির বলে ওঠেন, ‘আমরা সবাই ইসলামিস্ট! ইসলামিস্ট হতে পেরে আমরা গর্বিত।’ জ্যেষ্ঠ ওই কর্মকর্তার মতে, এই কথা বলার পর আর পেছন ফেরার কোনো উপায় ছিল না। এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে বশির ইসলামিস্টদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না।

ততদিনে অর্থের জন্য হন্যে হয়ে ওঠেন বশির। তিনি চলে যান কাতারে। সাক্ষাত করেন আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে। বশিরের ঘনিষ্ঠরা বলেন, ওই বৈঠকের আগে কাতারি আমির তাকে এক বিলিয়ন ডলার দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সফর শেষে খালি হাতেই ফিরতে হয় তাকে। কেননা, আমির ওই বৈঠকে তাকে জানান ‘কিছু পক্ষে’র চাপে তিনি পূর্বের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছেন। কিন্তু আমির জানাননি কারা তাকে চাপ দিচ্ছিল। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা অবশ্য বলেন, সুদানের প্রতি কাতারের সমর্থন দেশের জনগণের সমৃদ্ধি ও মঙ্গলের জন্য। এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। ওই কর্মকর্তা বলেন, সুদানের প্রতি সাহায্য বন্ধে তৃতীয় কেউ কাতারকে চাপ দেয়নি। বরং, সুদানে কাতারের অর্থায়নে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
এদিকে পর্দার আড়ালে বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরিকল্পনায়ও গতি পেতে শুরু করেছে। খার্তুমের কোবার কারাগারে (যেখানে এখন বশিরকে আটক রাখা হয়েছে) বন্দী থাকা এক বিরোধী নেতা বর্ণনা দেন কীভাবে গোয়েন্দা প্রধান গোশ অপ্রত্যাশিতভাবে ২০১৯ সালের জানুয়ারির দিকে তার সঙ্গে সাক্ষাত করেন। শুধু তিনি নন, কারাগারে বন্দী মোট ৮ জন বিরোধী নেতার সঙ্গে সাক্ষাত করেন গোশ।

গোশ তাদের বলেন, তিনি আবুধাবি গিয়েছিলেন। ইউএই তাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জ্বালানি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক সাহায্য দেওয়া হবে। তিনি সুদানের নতুন একটি রাজনৈতিক কাঠামো সৃষ্টির জন্য বিরোধী নেতৃবৃন্দের সহায়তা চান। গোশের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এক সূত্র এই ঘটনা নিশ্চিত করেছে।

গোশ ১০ দিন পর আবারও কারাগারে যান। এবার তিনি ২৬টি কক্ষে যান। ওই বিরোধী নেতা বলেন, ‘ওই বৈঠকের পর পরিস্থিতির উন্নতি হয়। আমাদেরকে বিনামূল্যে সিগারেট দেওয়া হয়। কক্ষে টিবি দেওয়া হয়। তামাক দেওয়া হয়। আমরা খুব বিস্মিত হয়ে যাই এই ভেবে যে গোয়েন্দা প্রধান বিরোধী নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করছেন! কিন্তু যখন অভ্যুত্থান ঘটে, আমি বুঝে যাই কেন তিনি তা করেছিলেন।’

খার্তুমে কর্মরত একজন জ্যেষ্ঠ পশ্চিমা কূটনীতিক, বশিরের ও গোশের ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি জানান, মধ্য ফেব্রুয়ারিতে বশিরের জন্য মর্যাদাবান প্রস্থানের প্রস্তাব দেয় ইউএই ও গোশ। ওই পরিকল্পনা মোতাবেক, দেশে নির্বাচন হবে এবং অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বশিরই থাকবেন।

২২শে ফেব্রুয়ারি গোশ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বশির নিজ দল ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির নেতার পদ থেকে সরে যাবেন এবং ২০২০ সালের নির্বাচনে লড়বেন না। কিন্তু কিছুক্ষণ পর এক টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে বশির পদত্যাগের ব্যাপারে কোনো শব্দই উচ্চারণ করেননি। তিনি পরে দলীয় কর্মীদের বলেন, গোশ বিষয়টি বাড়িয়ে বলেছে। এরপর বশিরের বিরুদ্ধে কার্যক্রমে আরও গতি পায়।

সুদানের বিরোধী দলগুলো ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ইউএই। তখন ‘বশির-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি’ নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আমিরাত। এ কথা জানান এক বিদ্রোহী নেতা ও উভয় পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী এক ব্যক্তি।

৬ই এপ্রিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাশে প্রতিবাদের তাঁবু স্থাপন করে প্রতিবাদকারীরা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বশিরের বাসা থেকে বেশি দূরে নয়। কিন্তু সেদিন বশিরের জাতীয় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা ওই বিক্ষোভকারীদের থামানোর কোনো চেষ্টাই করেনি। হাবানি বলেন, ‘তখনই আমরা বুঝতে পারি সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলে নিতে যাচ্ছে।’ গোশ এই ফাঁকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেনা প্রধান ও পুলিশ প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা একমত হন যে, বশিরের শাসনের ইতি ঘটানোর সময় এসেছে। গোশের ঘনিষ্ঠ সূত্রটি জানায়, এদের প্রত্যেকেই বুঝতে পেরেছিলেন যে, ‘বশিরের দিন শেষ হয়ে এসেছে!’ বর্তমানে ক্ষমতাসীন ট্রাঞ্জিশনাল মিলিটারি কাউন্সিলের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেন যে, গোশ এই প্রক্রিয়ায় নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকায় ছিলেন।

এই পুরো পরিকল্পনায় সবার শেষে যোগ দেন মিলিশিয়া নেতা জেনারেল মোহাম্মেদ হামদান দাগালো। তিনি বশিরের দীর্ঘদিনের মিত্র। দাগালোকে বেশিরভাগ মানুষ হেমেদি হিসেবে চেনে। তিনি সুদানের আতঙ্ক জাগানিয়া বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস-এর প্রধান। ভারি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত এই প্যারামিলিটারি বাহিনীর সদস্য সংখ্যা হাজার হাজার। এই বাহিনীর হাতেই খার্তুমের নিয়ন্ত্রণ। দাগালোও পরিকল্পনায় অংশ নিলে, আর কিছুই বাকি রইলো না বশিরের পক্ষে। ১১ই এপ্রিল বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

কয়েকদিন পর ইউএই ও সৌদি আরবের সঙ্গে বশিরের সম্পর্ক রক্ষার দায়িত্বে থাকা হোসেন ফিরে আসান সুদানে। তিনি সেখানে সৌদি ও ইউএই প্রতিনিধিদলের অংশ ছিলেন। এই প্রতিনিধি দল সুদানের নতুন সামরিক শাসকদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। ২১শে এপ্রিল ইউএই ও সৌদি আরব জানায়, সুদানের জন্য ৩০০ কোটি ডলারের সাহায্য পাঠাবে তারা। জেনারেল হেমেদি পরবর্তীতে ঘোষণা দেন, সুদানের বাহিনী ইয়েমেনে থাকবে।

প্রায় কাছাকাছি সময়ে বিরোধী ও বিদ্রোহী বিভিন্ন গোষ্ঠী আবুধাবিতে আমিরাতি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাত করছিল। দারফুরের জাস্টিস অ্যান্ড ইকুয়ালিটি মুভমেন্ট নামে একটি বিদ্রোহী দলের জ্যেষ্ঠ নেতা আহমেদ তুগোদও সেই বৈঠকে ছিলেন। তিনি জানান, ওই বৈঠকে দেশে ঐক্যমত্য ও স্থিতিশীলতা নিয়ে তাদের মতামত জানতে চায় ইউএই। তুগোদ বলেন, আমরা শান্তি প্রক্রিয়া ও যুদ্ধক্ষেত্রের সংঘাত সমাধানের ওপর জোর দিয়েছি।

বৃটিশ প্রিমিয়ার লিগের দল ম্যানচেস্টার সিটির মালিক ও আমিরাতি রাজপরিবারের সদস্য শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ান মূলত বিদ্রোহী ও আমিরাতের মধ্যকার যোগাযোগের বিষয়টি দেখভাল করেন। এ কথা জানান তুগোদ ও একজন মধ্যস্থতাকারী। এদিকে খার্তুমে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠাতে চেয়েছিল কাতার। কিন্তু কাতারের সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

বশিরের পতনের পর তার পুরোনো মিত্র জেনারেল হেমেদি এখন সুদানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি। তিনি ক্ষমতাসীন ট্রাঞ্জিশনাল মিলিটারি কাউন্সিলের প্রধান। সাবেক এই পশু ব্যবসায়ী ২০০৩ সালের দারফুর যুদ্ধে সবচেয়ে নৃশংস মিলিশিয়া কমান্ডার হিসেবে আন্তর্জাতিক কুখ্যাতি অর্জন করেন। তার মিলিশিয়া বাহিনীর বিরুদ্ধে গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া, বেসামরিক মানুষকে হত্যা ও ধর্ষণের মতো নৃশংসতা সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত করেছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তবে বশির সরকারের মতো হেমেদি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে ১৩ই এপ্রিল ট্রাঞ্জিশনাল মিলিটারি কাউন্সিল থেকে পদত্যাগ করেন গোশ। এই গোয়েন্দা প্রধানকে প্রতিবাদকারীরা রীতিমতো ঘৃণা করে। তাদের চাপেই তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। গোশ এখন কোথায় তা জানা যায়নি। তবে খার্তুমে তার বাসভবনের পাশে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে।

এদিকে ৩রা জুন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাইরে প্রতিবাদকারীদের অবস্থান গুঁড়িয়ে দেয় হেমেদির বাহিনী। প্রতিবাদকারীদের ওপর গুলিও ছুড়ে তারা। বিরোধী দলের ডাক্তাররা বলছেন, ১০০ জনেরও অধিক নিহত হয়েছেন। সুদানি কর্তৃপক্ষ বলছে, ৬২ জন নিহত হয়েছেন। এরপর সৈন্যরা সেখান থেকে বিভিন্ন প্ল্যকার্ড ও ব্যানার সরাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এসব প্ল্যাকার্ডে বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিল। কিছু স্লোগানে লেখা ছিল, ‘আমরা মিশরের মতো হতে চাই না।’, ‘আরব আমিরাত ও সৌদি আরব, সুদানে হস্তক্ষেপ করা বন্ধ কর।’

(গত পর্বের পর। সমাপ্ত। রয়টার্স অবলম্বনে।)



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ

মিন্নির জামিন আবেদন না মঞ্জুর

ঢাবির ভবনে ভবনে তালা, ক্লাস বর্জন

ব্রেস্ট ক্যান্সারে নতুন ওষুধ

মালয়েশিয়ার সাবেক রাজার বিচ্ছেদ নিয়ে ক্লাইম্যাক্স

রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে প্রিয়ার বিরুদ্ধে দুই মামলা

হিউম্যানস অব আসাম- পর্ব ১

পুলিশ যেভাবে বলতে বলেছে সেভাবেই বলেছি, বাবাকে মিন্নি

কায়রোতে ৭ দিনের জন্য ফ্লাইট স্থগিত বৃটিশ এয়ারওয়েজের

বাড্ডায় নিহত নারী ছেলেধরা ছিলেন না, ৪০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

নিজ আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে আহত ঢাবি ছাত্রলীগ নেতা

সাধারণ বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ওয়াশিংটন গেলেন ইমরান খান

২ সদস্যের বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি রুপি

চাঁদে যাচ্ছে ভারত!

‘আবারো ওজন কমানোর চেষ্টা করছি’

যেভাবে হোয়াইট হাউসে পৌঁছান প্রিয়া সাহা