রিফাতকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন মিন্নি: এসপি

অনলাইন

বরগুনা প্রতিনিধি | ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:০৪ | সর্বশেষ আপডেট: ২:৩১
বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন মানবজমিনকে জানিয়েছেন, মিন্নি রিমান্ডে বলেছেন, রিফাতকে শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন তিনি। বুধবার মিন্নি আদালতে বলেছিলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই। তিনি তার স্বামী হত্যার বিচার চান। যদিও সেদিন আদালতে তার পক্ষে কোন আইনজীবী ছিল না। মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, তার মেয়ের পক্ষে লড়তে কোন আইনজীবী রাজি হননি।

পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন আজ দুপুরে বলেন, মঙ্গলবার দিনভর মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বুধবার রিমান্ড মঞ্জুরের পর পুলিশ তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। মিন্নি এ হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
এদিকে, রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তৃতীয় আসামি রিশান ফারাজীকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে কোথা থেকে রিশানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা জানায়নি পুলিশ। রিশান বরগুনা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি রোডের দুলাল ফরাজীর ছেলে এবং এই মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীর ছোট ভাই।

রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী মিন্নিসহ এখন পর্যন্ত ১৬ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১০ জন রিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এছাড়াও এ মামলার চারজন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন।



এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Jony

২০১৯-০৭-১৮ ২২:৪৮:০৬

No lawyer for her.. unacceptable. No matter what the charges are always should have lawyer. She might be guilty of conspiring to hurt her husband but not murder. Thorough investigation and defense by lawyer needed.

খালেদ সাইফুল্লাহ।

২০১৯-০৭-১৮ ০৭:৩০:০৫

আসলে আইনি ব্যাবস্থার প্রতি মানুষের কোন আস্থা নেই এ কারনেই এ পুলিশ সুপারের কথা কেউ বিশ্বাস করতে পারছে না। কিন্তু সন্মানিত পাঠকদের বলছি আপনার নিশ্চিত থাকেন নিম্মি প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে এ ঘটনার সাথে জড়িত। যেভাবেই নিম্মি জড়িত থাকুক না কেন, দুটো মৃত্যুর পেছনেই নিম্মির কর্ম জড়িত এ কথা তো বিশ্বাস না করার কোন কারন নেই। ১ বছরের মধ্যে দুই স্বামী পরিবর্তন,তার মধ্যে একজন আবার নয়নবন্ড, দুটি বিয়ের আগেই আবার তাদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক। রিফাতের সাথে বিয়ের পরও নয়ন বন্ডের সাথে পরকীয়ার সম্পর্ক। স্বাভাবিক ভাবেই এ ধরনের সম্পর্ক কে বাংলাদেশের কোন ছেলে মেনে নেবে। রিফাত আর নয়ন বন্ডের মাঝখানে ছিল নিম্মি। প্রতিহিংসা দুটি ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী। আর এখন বেচে আছি নিম্মি। বাংলাদেশে এই নিম্মিদের মত নারীদের এখন অভাব নেই সবাই সতর্ক থাকুন নিম্মিদের হাত থেকে নিজেদের মূল্যবান জীবন রক্ষা করুন। ধর্ষকদেরও যেমন ফাসি চাই তেমনি নিম্মিদেরও ফাসি চাই। সবাই ভালো থাকবেন। সবাইকে ভালো রাখবেন।

ওমর ফারুক

২০১৯-০৭-১৮ ০৬:৩১:৫৭

এস পি'র বক্তব্যের সাথে ঘটনার মিল নাই। এস পি কাউকে রক্ষার প্রচেষ্টায় এমন সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করছেন। তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতারের স্থান উল্লেখ করা হচ্ছেনা। এটা কথিত বন্ধুক যুদ্ধের মতো ঘটনা।

আপনার মতামত দিন

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও বড় জয় কিশোরদের

রাখাইনে নির্যাতন অব্যাহত, কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান

এ কেমন শত্রুতা!

মওদুদের রিভিউ খারিজ, মামলা চলবে

ঢাকায় কিশোর গ্যাংয়ের ১৭ সদস্যের কারাদণ্ড

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

‘মিয়ানমারের অভিযোগ হাস্যকর’

রিয়ালের ড্রয়ে হতাশ জিদান

মির্জাপুরে গুলি করে ২৬ লাখ টাকা ছিনতাই

কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গুতে শিশুর মৃত্যু

সাবেক আইজি প্রিজনস সৈয়দ ইফতেখারকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

মোদির সামনে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করবেন গুতেরাঁ

ওএসডি হলেন জামালপুরের সেই ডিসি

জেলখানায় সবজি চাষ করেন সেই ধর্মগুরু

ঢামেকে আরও এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু

চুল কাটায় নজরদারি