বড়পুকুরিয়া খনির সাবেক ৭ এমডিসহ ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর থেকে | ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৪১
দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা চুরির ঘটনায় সাবেক ৭ এমডিসহ ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার চার্জশিট আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। গতকাল বিকালে দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমদ ভুঞা চার্জশিট আমলে নিয়ে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দিনাজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের মামলা পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত পাবলিক প্রসিকিউটর এড এম. আমিনুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই চাঞ্চল্যকর মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ বিষয়ে শুনানি শেষে বিচারক মামলার অভিযোগপত্রের তালিকাভুক্ত বড়পুকুরিয়ার সাবেক ৭ এমডিসহ ২৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। অভিযোগপত্রের তালিকায় রয়েছেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্পের সাবেক ৭ জন এমডিসহ ২৩ জন আসামি। এরা হলেন- সাবেক এমডি মো. মাহবুবুর রহমান, মো. আব্দুল আজিজ খান, প্রকৌশলী খুরশিদ আলম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, মো. আনিসুজ্জামান, প্রকৌশলী এসএম নুরুল আওরঙ্গজেব ও প্রকৌশলী হাবিব উদ্দীন আহমেদ। গত ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৮ সালের ১৯শে জুলাই পর্যন্ত ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন কয়লা চুরি হয় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে। যার আনুমানিক মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা ৮৪ পয়সা।
এই ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আনিসুর রহমান বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ২৪শে জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেন। মামলাটি দুদকের তফশীলভুক্ত হওয়ায় দুদক কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। দুদক তদন্ত শেষে এক বছর পর ২৪শে জুলাই ২০১৯ তারিখে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। সেই থেকে অভিযুক্তরা আদালতে হাজির হয়নি। মঙ্গলবার দুপুরে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিচারক মামলার চার্জশিটটি আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kazi

২০১৯-১০-১৬ ০২:৪২:৪৩

জেল দিয়ে কি লাভ ? অনেকে ভবিষ্যত বংশধর অথবা জেল খাটার পর আত্মসাৎ কৃত অর্থে আর্থিক নিশ্চিতি হয়ে থাকলে জেল খাটতে প্রস্তুত থাকে। জেল দিলে জনগণের লাভ তো হয়-ই না, আত্মসাৎ কারিকে বরং জনগণের টাকায় লালনপালন করা হয়। এতে জনগণ আরও এক দফা ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এসব মামলায় আত্মসাৎ কৃত অর্থ সূদাসলে তাদের সম্পত্তি থেকে আদায় করাই জনগণের জন্য লাভজনক । তারা এই অর্থ পরিশোধ করে জেল মুক্তি চাইলে আদালত বিবেচনা করতে পারেন । আদালত মামলার শুরুতেই মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির স্বার্থে এই সুযোগ অফার দিতে পারেন।

আপনার মতামত দিন

চট্টগ্রাম-৮ উপ নির্বাচনে মনোনয়ন কিনলেন বিএনপির দুই নেতা

আমরা ন্যায়বিচার চাই: খন্দকার মাহবুব হোসেন

পুরুষ ক্রিকেটের জয়ে ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেল কাঠমান্ডু

দেশীয় সংস্কৃতি কম থাকার জন্য সময়স্বল্পতাকে দুষলেন পাপন

৩৪ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সারা মারিন

লাভা উদগীরণে নিউজিল্যান্ডে নিহত ৫, নিখোঁজ অনেক

মামলাটি দ্রুত এগুচ্ছে এটিই ইতিবাচক দিক

পরিবেশ ছাড়পত্রহীন স্থাপনা অপসারণে হাইকোর্টের রুল

আজ মুখোমুখি বসছেন পুতিন-জেলেনস্কি

“শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞানার্জনের জন্য, লাশ হতে নয়”

সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৬

হারিরিই হতে পারেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী

উইন্ডিজদের বিরুদ্ধে হারের কারণ জানালেন কোহলি

অধ্যাপক অজয় রায় আর নেই

চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের ৪ সদস্য আটক

বৃহস্পতিবার বৃটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচন