পিয়াজের ফের সেঞ্চুরি

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৩২
খুচরা বাজারের পর এবার রাজধানীর পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পিয়াজের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। রাজধানীর কাওরান বাজার ও শ্যামবাজারের পাইকারি পিয়াজ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এই চিত্র পাওয়া গেছে। পাইকারি বাজারে পিয়াজের দাম বাড়ায় আবারো রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এবং মহল্লার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি দেশি পিয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে ভারতীয় পিয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকা এবং মিয়ানমারের পিয়াজ ৮৫ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা পিয়াজের দাম বাড়ার জন্য পাইকারি বিক্রেতাদের দায়ী করছেন। আর পাইকারি বিক্রেতারা বলেছেন, আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবং মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পিয়াজ নষ্ট হওয়ায় দাম বেড়ে গেছে।

পিয়াজ ব্যবসায়ী মানিক মিয়া বলেন, আমরা গত সোমবার রাজধানীর শ্যামবাজার থেকে প্রতি কেজি দেশি পিয়াজ কিনেছি ৯০ টাকা দরে, আর ভারতীয় পিয়াজ কিনেছি ৮০ টাকা করে।
গতকাল মঙ্গলবার একই পিয়াজ কিনতে হয়েছে যথাক্রমে ৯৫ ও ৮৫ টাকা কেজি দরে। এর সঙ্গে পরিবহন ও লেবার খরচ যোগ করলে প্রতি কেজি দেশি পিয়াজের দাম পড়বে ১০০ টাকা এবং ভারতীয় পিয়াজ ৯০ টাকা। তিনি বলেন, ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে এখন আমাদের দেশি পিয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা এবং ভারতীয় পিয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকা বিক্রি করতে হবে।

অন্যদিকে শ্যামবাজারে পাইকারি পিয়াজ বিক্রেতা মেসার্স নিউ আল মদিনা ট্রেডার্সের কর্ণধার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা প্রতি কেজি দেশি পিয়াজ বিক্রি করেছি ৯৫ টাকা, ভারতীয় পিয়াজ ৮০ থেকে ৮২ টাকা।

পিয়াজের দাম বাড়ার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারত থেকে কোনো পিয়াজ আসছে না। আর মিয়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ আনা হচ্ছে তার ৩০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট পড়ছে। এই পিয়াজ মানুষ কিনতে চাচ্ছে না। ফলে দেশে পিয়াজের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, দ্রুত পিয়াজ আমদানি করতে না পারলে আগামী ২/৩ মাস পিয়াজের দাম আরো বাড়তে পারে।

অন্যদিকে কাওরান বাজারের পাইকারি পিয়াজ বিক্রেতা খান অ্যান্ড সন্সের স্বত্ত্বাধিকারী মো. লোকমান হোসেন বলেন, গতকাল প্রতি কেজি দেশি পিয়াজ ৯৫ টাকা, ভারতীয় পিয়াজ ৮০ টাকা এবং মিয়ানমারের পিয়াজ ৭৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আশা করছি আগামী কিছু দিনের মধ্যে পিয়াজের দাম কমে যাবে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত সরকার পিয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার খবরে রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি বাজারে পিয়াজের দাম একদিনেই প্রতি কেজি ২০ টাকা বেড়ে যায়। ওইদিন সকালে প্রতি কেজি পিয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হলেও বিকেলে তা বেড়ে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়। পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে পিয়াজের কেজি ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যায়।

পরে পিয়াজের দাম কমাতে সরকার মিয়ানমার, তুরস্ক ও মিশর থেকে পিয়াজ আমদানির জন্য এলসি খোলে। একইসঙ্গে দেশীয় বাজারে পিয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ মনিটরিং জোরদার করা হয়। সে সঙ্গে টিসিবির মাধ্যমে পিয়াজ বিক্রির পরিমাণ বাড়ানো হয়। মিয়ানমার থেকে প্রচুর পিয়াজ দেশে প্রবেশ করে। এতে করে গত সপ্তাহে পিয়াজের কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় নেমে আসে। কিন্তু গত তিন/চার দির ধরে আবারো পিয়াজের দাম বেড়ে আবারো ১০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

চট্টগ্রাম-৮ উপ নির্বাচনে মনোনয়ন কিনলেন বিএনপির দুই নেতা

আমরা ন্যায়বিচার চাই: খন্দকার মাহবুব হোসেন

পুরুষ ক্রিকেটের জয়ে ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেল কাঠমান্ডু

দেশীয় সংস্কৃতি কম থাকার জন্য সময়স্বল্পতাকে দুষলেন পাপন

৩৪ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সারা মারিন

লাভা উদগীরণে নিউজিল্যান্ডে নিহত ৫, নিখোঁজ অনেক

মামলাটি দ্রুত এগুচ্ছে এটিই ইতিবাচক দিক

পরিবেশ ছাড়পত্রহীন স্থাপনা অপসারণে হাইকোর্টের রুল

আজ মুখোমুখি বসছেন পুতিন-জেলেনস্কি

“শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞানার্জনের জন্য, লাশ হতে নয়”

সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৬

হারিরিই হতে পারেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী

উইন্ডিজদের বিরুদ্ধে হারের কারণ জানালেন কোহলি

অধ্যাপক অজয় রায় আর নেই

চুয়াডাঙ্গায় জামায়াতের ৪ সদস্য আটক

বৃহস্পতিবার বৃটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচন