বাংলাদেশ সীমান্তে ড্রোন মোতায়েন, নজরদারি কঠোর করছে বিএসএফ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৪ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার
মেঘালয় থেকে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার পর্যন্ত বাংলাদেশ সংলগ্ন সীমান্তে অসংখ্য ইসরাইলি ড্রোন মোতায়েন করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ওই অঞ্চল দিয়ে চোরাচালান ও পাচার ঠেকাতে এই কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে তারা। তবে ঠিক কতগুলো ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি বিএসএফ। এ খবর দিয়েছে দ্য হিন্দু।
খবরে বলা হয়, ভারতের আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্ত। এর মধ্যে আসামে রয়েছে ২৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত, যার ১১৯ কিলোমিটারই নদীতীরস্থ। আসামের পশ্চিমাঞ্চলে ধুবরি সেক্টরে পড়েছে ৬১ কিলোমাটির সীমান্তরেখা।
সেখান দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে ব্রক্ষ্মপুত্র নদ। দ্য হিন্দু জানিয়েছে, এই অঞ্চলটি সীমান্তরক্ষী দিয়ে কার্যকরভাবে পাহারা দেয়া কঠিন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অঞ্চলটিতে নজরদাড়ি বজায় রাখা আরো কঠিন হয়ে পড়ে। যার ফলে অবৈধ পাচারও হয় বেশি।

বিএসএফের গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল পিয়ুশ মর্দিয়া জানান, দুর্বল নজরদারি থাকা অংশের মধ্য দিয়ে চোরাচালান হয়। সাধারণত রাতের বেলা এসব কর্মকাণ্ড হয়ে থাকে। এই ড্রোন মোতায়েন আমাদের শারীরিক ও জীবতত্ত্বিক সীমাবদ্ধতা দূর করবে। ১৫০ মিটার উচু থেকে প্রতিনিয়ত ছবি পাঠাবে ড্রোনগুলো। গরু ও মানবপাচারকারীরা অবশ্য এসব ড্রোন সনাক্ত করতে পারবে। কিন্তু  বিএসএফের পরিকল্পনা হচ্ছে, পাচারকারীদের কাছে এই বার্তা পাঠানো যে, তাদের ওপর রাত-দিন নজরদারি করা হচ্ছে।

ড্রোন ছাড়া ধুবরি সেক্টরে মাটির নিচে থার্মাল-ইমেজার, স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রা পরিমাপক ডিভাইসও স্থাপন করেছে বিএসএফ। যাতে করে মানুষ, প্রাণী ও অন্যান্য বস্তুর চলাফেরার ওপর নজরদারি করা যায়।
দ্য হিন্দু জানায়, ব্রক্ষ্মপুত্র নদ দিয়ে দুই দেশের মধ্যে মাদক ও কফ সিরাপও পাচার হয়ে থাকে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

mahmudunnabi

২০১৯-১১-০৫ ১০:৪৬:৩১

লাজওয়াব। এতোটা সীমান্ত নজরদারী তো মনে হয় পাক-ভারত সীমান্তেও চলে না। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ নয় ঠেকাতে নয় বরং আসাম থেকে বাঙালী মুসলিমদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করাতেই এইসব ড্রোন মোতায়েন হচ্চে ইসরায়েল এর ইন্ধনে।

বিএএস আহমেদ জেরার্ড

২০১৯-১১-০৪ ০৯:৩০:২৮

চোরাকারবারিদের ওপর নজরদারি করতে নয় রাষ্ট্রের উপর নজরদারি করতেই ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে সীমান্তে এরকম নজরদারি খুবই ন্যাক্কারজনক আচরণ এবং চরম হীনমন্যতার পরিচয় বৈ আর কি?

আপনার মতামত দিন

নতুন গ্রেডে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কমবে না- অর্থ সচিব

দ্বিতীয় সপ্তাহে ট্রাম্পের অভিশংসন তদন্তের শুনানি

স্কুল ভবন নির্মাণ করতে ৫০ কবর উচ্ছেদ

জবিতে চেয়ারম্যানের স্বেচ্ছাচারিতায় শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে

টমেটোর গহনা পরে বিয়ের পিঁড়িতে পাকিস্তানি তরুণী

৪৪৪৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ

বিএনপি নেতা মীর নাসির ও ছেলে মীর হেলালের দণ্ড হাইকোর্টে বহাল

দেশে লবণের কোনো সংকট নেই, গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান

দুই মাসে দেশে ৩৪ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস

আশুলিয়ায় পুলিশের ‘সোর্স’কে কুপিয়ে হত্যা

‘আপাতত সহনীয় মাত্রায় জরিমানা’

‘তারা টাকা বানিয়ে ফেলেছে’

পারভেজ মোশাররফের রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার রায় ২৮ নভেম্বর

সেতুর নিচে বস্তা বস্তা পঁচা পিয়াজ

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পাকিস্তান ছাড়লেন নওয়াজ শরীফ

কূপের ভিতর বিক্ষোভকারী এমপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা