ইন্দোরে লতা নেই, আছে প্রার্থনা

স্পোর্টস রিপোর্টার, ইন্দোর (ভারত) থেকে

খেলা ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৫৭

ইন্দোর বিমানবন্দরে নেমেই চোখে পড়লো এক নারীর বিশাল ছবি। বুঝতে বাকি রইলো না তিনি মারাঠা সাম্রাজ্যের হোলকার রাজবংশের মহারানী অহল্যা বাই হোলকার। তার নামেই  বিমানবন্দরের নামকরণ করা হয়েছে। তবে এই শহরে তারপরেও আরেক নারীর নাম সর্বাধিক উচ্চারিত। যার জন্য মধ্যপ্রদেশের শহর ইন্দোরকে বলা হয় সুরের নগরী। কারণ তিনি ভারতের সুরের রানী। হ্যাঁ, বলছি লতা মঙ্গেশকরের কথা। লতার জন্ম এই শহরে হলেও তিনি বড় হয়েছেন নাগপুর ও মুম্বাইয়ে।
আর তাই নিজ জন্মস্থানে তার স্মৃতি ছাড়া আর কিছুই নেই। তবে এখানে লতা না থাকলে তার জন্য আছে শ্রদ্ধা আর প্রার্থনা। সিএনজি ড্রাইভার, দোকানের সাধারণ কর্মচারী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ তার নাম শুনলেই সম্মানে মাথা নত করেন। বলেন- ‘ও লতাজি! তিনি তো ইন্দোরের প্রাণ।’
এই প্রজন্মের অনেকেই সঠিক করে বলতে পারেন না লতার বাড়ি কোথায়? বলার সে সুযোগও নেই। সেখানে লতার কোন চিহ্নও নেই। এই সুরের রানী বর্তমানে শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ। ১০ই নভেম্বর থেকে ভর্তি আছেন হাসপাতালে। আর সে কারণেই হয়তো তার জন্মস্থানে এখন প্রার্থনার জন্য মানুষের ভিড়। প্রতিদিনই সেখানে চলছে পূজা-অর্চনা, ভক্তরা নিয়ে আসছেন ফুল। প্রার্থনা চলছে যেন সুরের রানী ভালো হয়ে ফিরে আসেন তাদের মাঝে। ইন্দোরে টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ দল। ভারতের বিপক্ষে তিন দিনেই হেরেছে ম্যাচ। লতার সুরের শহরে ব্যাটে-বলে তাল তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন মুমিনুল হক সৌরভের দল। আজ তারা ইন্দোর ছেড়ে পৌঁছাবেন কলকাতায়। সেখানে খেলবেন সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। সেখানে ব্যাট হাতে সুর আর ছন্দে ফিরবেন মুমিনুলনরা এটিই এখন টাইগার-ভক্তদের প্রার্থনা।

খেলা অন্যান্য খবর

ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ

ম্যানইউকে বাঁচালেন গ্রিনউড

১৫ ডিসেম্বর ২০১৯





আপনার মতামত দিন

খেলা সর্বাধিক পঠিত