এ কেমন ‘ক্লিন ইমেজ’!

প্রথম পাতা

মোহাম্মদ ওমর ফারুক | ২০ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:০০
অন্যের বাড়ি, জমি দখলের অনেক অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। মসজিদ, ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি নিজের কব্জায় নেয়ার অভিযোগও আছে। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার নাম। তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিসুর রহমান নাঈম। সম্প্রতি তাকে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ক্যাসিনো ও নানা অপরাধকাণ্ডে নাম আসায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা আবু কাওছারকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়। সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেয়া হয়। গুরুতর অভিযোগের কারণে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধেও এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়।
দেশ-বিদেশে আলোচিত ক্যাসিনো ও দুর্নীতি বিরোধী অভিযান শুরুর পর তড়িঘড়ি করেই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। বলা হচ্ছিল ক্লিন ইমেজের নেতাদের দায়িত্ব দেয়া হবে সম্মেলনের মাধ্যমে। দলে অনুপ্রবেশকারী, অপরাধকাণ্ডে জড়িত এমন কাউকে দলের কোন দায়িত্ব না দেয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশেই শুরু হয় ক্যাসিনো, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান। এই অভিযান চলার মধ্যেই নাঈমের মতো একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নানা মহল থেকে।

নাঈমের বাবা মফিজ উদ্দিন ব্যাপারী ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। এক সময় অতি সাধারণ জীবন ছিল নাঈমদের। দক্ষিণ খান থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বদলে যেতে থাকে তার অবস্থা। সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে তার দখল, চাঁদাবাজির মাত্রা বেড়ে যায়। এসব করেই তিনি এখন বিপুল অর্থ বিত্তের মালিক। ‘হোয়াইট হাউস’ নামে গড়েছেন আলিশান বাড়ি। আছে একাধিক অস্ত্র। জন সমাগমে প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে গুলি করে বধু বরণ করেছিলেন আলোচিত এ কাউন্সিলর। কয়েক বছর আগের সেই দৃশ্যের ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নাঈম অবশ্য স্বীকার করেছেন নিজের বৈধ অস্ত্র থেকেই তিনি গুলি ছুড়েছিলেন। তার হাতে এমন দুটি অস্ত্র রয়েছে। আর দখল চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানিয়েছেন, স্বেচ্ছা সেবক লীগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় তার প্রতিপক্ষের লোকজন অপপ্রচারে নেমেছে।  
নাঈম এমনটা দাবি করলেও সরজমিন এলাকার চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। তার বিরুদ্ধে গত কয়েকদিন আগেও নির্যাতিত জনতার ব্যানারে এলাকায় হয়েছে মানববন্ধন। নানাভাবে তার নির্যাতনের শিকার শতাধিক মানুষ অংশ নেন ওই মানববন্ধনে।

নাঈম যে আলিশান বাড়িতে থাকেন এই বাড়ির জায়গাটি দখলের অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। এই বাড়িটির পাশে ৬২ শতাংশ একটি জমি দখলে নিয়ে সেখানে গামের্ন্টস করেছেন নাঈম। জমিটির প্রকৃত মালিক মিনারা বেগম এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বাড়িটি উদ্ধারের জন্য। ভুক্তভোগী মিনারা বেগম বলেন, কাউন্সিলরের বাড়ির পেছনের এই জমিটি পাকিস্তান আমল থেকে আমাদের দখলে, কিন্তু কয়েক বছর আগে এখানে বালু ফেলতে গেলে কাউন্সিলর বাধা দেন। এরপর চারদিকে দেয়াল দিয়ে সেটা তারা দখল করে নেয়। কোনো জায়গায় গিয়ে আমি বিচার পাইনি। থানায় গিয়েছি মামলা নেয়নি। কেউ এগিয়ে আসেনি। তিনি বলেন ,কাউন্সিলর নাঈমের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে চায় না। আরেক ভোক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল আজম প্রিন্স বলেন, বাবুস সালাম ওয়াকফ এস্টেট মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এয়ারপোর্ট রেস্তোরা ও তৃতীয় তলায় দাওয়াত রেস্ট হাউস তার নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন দীর্ঘদিন ধরে। বহুবার  চেষ্টা করেও সেটি উদ্ধার করতে পারিনি। এদিকে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত গবেষক ড. হারুন-অর-রশিদ অভিযোগ করেন তারও একটি জমি দখল করেছেন এই নেতা। তিনি বলেন, ২০১০ সালে আমাদের জায়গায় যখন বাউন্ডারি দিতে আসি তখন তিনি বাধা দেন। তিনি বলেন এখানে তার নাকি অংশ আছে। কিছুদিন পর রাতে, আধাঁরে মাটি ফেলে জায়গাটি দখল করে নেন। এখন সেখানে বাড়ি ঘর তুলে ভাড়া দিয়েছেন। রোকেয়া বেগম নামের আরেক ভুক্তভোগী জমি দখলের অভিযোগ করেন সেচ্ছাসেবক লীগের এই নেতার বিরুদ্ধে। রোকেয়া বেগম বলেন, অনেক কষ্ট করে আমার স্বামী একটু জায়গা কিনে দিয়ে গেছেন। আমার সম্পত্তি বলতে এই জায়গাটিই আছে। আমরা যখন বাড়ি করার জন্য রড টিন এনেছি। সেই রড টিন লুট করে নিয়ে গেছে নাঈমের লোকজন। এখন এই জায়গায় তিনি বাড়ি বানিয়ে থাকেন আর আমি পথে পথে ঘুরি। অভিযোগ রয়েছে কাওলায় কাউন্সিলরের অফিসটিও দখল করে রেখেছেন তিনি। জমিটির মালিক মজিবুর রহমান বলেন, এই অফিসের প্রায় তিন কাটা জমি আমার। তা জোর করে দখল করে রেখেছেন তিনি।

অবিভক্ত ঢাকার তৎকালীন মেয়র বিমানবন্দর পাবলিক টয়লেট ফয়েজ নামে এক ব্যক্তিকে ইজারা দেন। তার মৃত্যুর পর ওই টয়লেট ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পান আবদুল হান্নান ওরফে জাপানি হান্নান। তার হয়ে এটি দেখাশোনা করতেন রোকন। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ডিএনসিসি সেটি দখলমুক্ত করে। মোটর বসিয়ে অবৈধভাবে পানি বিক্রির অভিযোগে রোকনকে তিন মাসের সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টয়লেটের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেন নজরুল ইসলাম মোহনকে। তিনি উত্তরাপূর্ব থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কাগজপত্রে টয়লেটটি মোহনের ব্যবস্থাপনায় থাকলেও তাজুল নামে এক ব্যক্তি  সেটি দখল করে নিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে কাউন্সিলর নাঈমের নির্দেশে তিনি এটি দখল করেন। টয়লেটে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন তাজুল। নাঈমকে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট একটা অর্থ দেন তিনি। এদিকে এয়ারপোর্ট পাবলিক টয়লেট চত্ত্বর ঘিরে অবৈধভাবে গড়ে উঠছে বেশ কয়েকটি  হোটেল ও দোকানপাট। এসব  দোকানে টয়লেট থেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে।

প্রতিদিন ওই টয়লেট থেকে বিক্রি হয় হাজার হাজার গ্যালন পানি। অসংখ্য  মোটরসাইকেল ও গাড়ি  ধোয়ার কাজও চলে এ টয়লেট  থেকে। জানা যায়, এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার টাকা আয় হয়। অভিযোগ রয়েছে, নাঈম ও তার পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দর গোলচত্ত্বরের পূর্ব পাশের বাবুস সালাম মসজিদ মাদ্রসা কমপ্লেক্স মার্কেট নিজেদের কব্জায় নিয়েছেন। এ নিয়ে বিরোধে সেখানে বেশ কয়েকদিন আগে নাঈম-এর অনুসারীদের হামলায় তিন নারীসহ চারজন আহত হন। এ নিয়ে বিমানবন্দর থানায় নাঈমসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন হামলায় গুরুতর আহত ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন ভূঁইয়া ওরফে প্রিন্স। মামলার বাদী প্রিন্স বলেন, কাউন্সিলরের নেতৃত্ব্বে মার্কেট দখলে নিতে কয়েক দফা হামলা ও ফাঁকা গুলি করেন। এ ছাড়া মসজিদ কমপ্লেক্স দখল করায় আদালতে মামলা করেছেন বাবুস সালাম ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্ল্লিসৈয়দ মোস্তফা হোসেন। এতে কাউন্সিলর নাঈম ছাড়াও মোতালেব মুন্সী, আনিছুর রহমান ও মামুন সরকারকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, কাউন্সিলর নাঈম নিজেকে প্রিন্সিপাল দাবি করে কমপ্লেক্সটি দখল করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, দখল ও চাঁদাবাজি করছেন। ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করায় নাঈম ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে আরও  বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। এই মসজিদ কমপ্লেক্সটি থেকে প্রতি মাসে মসজিদে দান ও মার্কেট থেকে মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো আয় হয়। অভিযোগ রয়েছে, নাঈম  জোর করে  দোকানগুলোর ভাড়া নিয়ে যান। কমপ্লেক্সের টাকা ইচ্ছেমতো ব্যয় করেন। তিনি কারও কাছে জবাবদিহি করেন না।

নাঈমের বিরুদ্ধে  দখলের অভিযোগে কয়েকটি মামলাও রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মামলা আছে আদালতেই (নালিশি মামলার নম্বর ৪৯৩৯/১৯৯৮, বাদী সাঈদা আখতার পপি। মামলা নাম্বার পিপি ১৭২৪/২০০২ বাদী সাজেদা বেগম। দেওয়ানি  মোকদ্দমা ৬৩২/২০১১, বাদী রফিউদ্দিন)। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (উত্তরা থানায় জিডি নাম্বার ১৫৬০/২০০১) রয়েছে। বিমানবন্দর থানাসহ তার বিরুদ্ধে প্রায় ১২ টি মামলার কাগজ এসেছে এই প্রতিবেদকের হাতে। প্রতিবাদী কয়েকজন মামলা করলেও অনেকেই আবার মামলা করার ঝমেলায় জড়াতে চান না। ওই এলাকায় প্রায় শতাধিক ভূক্তভোগী রয়েছে, যারা কোনো না কোনোভাবে তার অত্যাচারেন শিকার। তারা সবাই মিলে ‘আমরা নির্যাতিত জনতা ’ নামে একটি ফ্ল্যাটফর্মও গড়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, আশিয়ান সিটি হয়ে দক্ষিণখান বাজার-গাওয়াইর রুটে ইজিবাইক থেকে মাসে ১ লাখ টাকা, কাওলা রেলগেট থেকে শিয়ালডাঙ্গা হয়ে দক্ষিণখান বাজার রুটে চলাচল করা অটোরিকশা থেকে আজমের মাধ্যমে মাসে ১ লাখ টাকা, কসাইবাড়ির ছয়টি বাস কাউন্টার থেকে জনৈক জান্নাতের মাধ্যমে মাসে ৩০ হাজার টাকা, কসাইবাড়ি টায়ারপট্টি ফুটপাত থেকে জান্নাত ও আজমের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা, মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের সামনের ফুটপাত থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা, আশকোনা  রেলগেট  থেকে হাজী ক্যাম্প পর্যন্ত ফুটপাতে জামাই বাবুর মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা, বাবুস সালাম মসজিদ মার্কেটের দুটি আবাসিক হোটেল  থেকে ম্যানেজার মনিরের মাধ্যমে মাসে নির্ধারিত অংকের টাকা, রেলস্টেশন ও রেললাইনের পূর্বপাশে পার্কিংয়ের দোকান (পুকুরপাড়) থেকে জনৈক সাজু ও রুবেলের মাধ্যমে মাসে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, রেললাইনের পশ্চিমপাশে জনৈক শাহীন আক্তারের মাধ্যমে দৈনিক সাড়ে ১০ হাজার টাকা হিসেবে মাসে ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা আদায় করেন কাউন্সিলর নাঈম। অভিযোগ রয়েছে, নাঈম ও তার লোকেরা আশকোনায় নির্মাণাধীন র‌্যাব কার্যালয়ের পাশে একটি লেক দখল করতে যান। মাছ চাষের কথা বলে সেখানে ঘর তৈরি  করলে তাদের আটক করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পরে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান তারা। সম্প্রতি শর্টগানের গুলি ছুড়ে বধূবরণ করার ভিডিও ভাইরায় হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান বলেন, লাইসেন্সকৃত অস্ত্রের অপব্যবহার করলে সেই লাইসেন্স বাতিল করা হয়। যেমন রাস্তা ঘাটে কুকুরকে গুলি করা, বিয়ে বা অন্য অনুষ্ঠানে গুলি ফুটিয়ে আনন্দ করা, এলাকাতে গুলি ফুটিয়ে  খেলার উদ্বোধন ইত্যাদি।

অভিযোগের বিষয়ে আনিসুর রহমান নাঈম বলেন, যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তাদের মধ্যে সমস্যা আছে। আমি কোনোরকম দখলবাজিতে যুক্ত নই, কারও জমি দখল করে বাড়ি করিনি। পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতেই আমি আমার বাড়ি করেছি। আমাদের যে ব্যবসাবাণিজ্য ও সম্পদ রয়েছে এগুলোর সবই পৈত্রিক।  বাবা-চাচাদের। আমি দখল বা অপরাধ করে কোনো সম্পদ অর্জন করিনি। মার্কেট দখলের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, মার্কেটটি এখনো ওয়াকফ এস্টেট হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। আমি অন্যদের মতোই ভাড়া দিই। কারও কাছ  থেকে একটি টাকাও অবৈধভাবে নেইনি।  নিজের একটি পিস্তল ও শর্টগান আছে জানিয়ে নাঈম বলেন, আমি যদি অস্ত্র দিয়ে কোন অপরাধ করি তাহলে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে, সমস্যা নেই। গুলি ফোটানোর ব্যপারে তিনি বলেন, চার-পাঁচ বছর আগে আমি গুলি ফুটিয়েছিলাম কিনা তা মনে  নেই। তবে  সে সময় শর্টগান নতুন নিয়েছিলাম, হয়তো প্র্যাকটিস করেছিলাম। তখন আমি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম। এখন কেনো এতো অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে আসে মাথায় ধরে না।
নাঈমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ মানবজমিনকে বলেন, আমরা একই দিনে দায়িত্ব পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ এসেছে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করব।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সম্পর্ক ছিল মারিনি

কেন চাপের মুখে অর্থনীতি

গাম্বিয়ার প্রতি নৈতিক সমর্থন ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ দল শুনানি পর্যবেক্ষণে

কতজন কিনতে পারছে টিসিবি’র পিয়াজ

চলচ্চিত্র সমাজকে সংস্কার করতে পারে

জমকালো আয়োজনে পর্দা উঠলো বঙ্গবন্ধু বিপিএল’র

বাদলের শূন্য আসন নিয়ে মহাজোটে টানাপড়েন

সচিবালয়ের আশেপাশে হর্ন বাজালে এক মাসের জেল

শুদ্ধি অভিযানে নাম আসা কাউকে ছাড় নয়

আলোচনায় মোহনের ‘মঙ্গল আসর’

ছাগলনাইয়ায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১

স্বর্ণালঙ্কারের লোভেই বরিশালে তিন খুন

দিবারাত্রির টেস্টের প্রস্তাব পাকিস্তানের!

পদ হারানো রাব্বানী চান নুরের পদত্যাগ

হাইডেলবার্গে আলী রীয়াজের অনুষ্ঠানে বাধা

গৃহবধূর চুল কর্তন: উল্লাপাড়া আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে কী অ্যাকশন নেয়া হয়েছে, জানতে চান হাইকোর্ট