করোনা মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়া

সচেতনতার প্রয়োজন ছিল শুরু থেকেই

মিজানুর রহমান, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ফিরে

ষোলো আনা ২০ মার্চ ২০২০, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৩

আমি বাংলাদেশে আসি ১৬ দিন হলো। যখন আসি তখন দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল শহরে ৩০ জন করোনায় আক্রান্ত ছিলো। এরমধ্যে ২০ জন সুস্থ হয়। তারা সবাই চীন থেকে এসেছিল। ২ জন নিয়ম না মেনে চার্চে যাওয়ায় তাদের মধ্য থেকে ভাইরাস ছড়ায়। সরকার খুবই দায়িত্বশীলভাবে দায়িত্ব পালন করে। সকল টার্মিনাল থেকে শুরু করে সবস্থানেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করা হয়। সকলের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হতো।
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- আক্রান্ত ব্যক্তি কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে সব খেয়াল রাখা হতো যাদের সঙ্গে মিশেছে তাদেরও কোয়ারেন্টিন করা হতো।

সেখানে শুরুর দিকে মাস্ক সংকট ছিলো। পরে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এতকিছুর পরেও দ্রব্যমূল্যের দাম স্বাভাবিক ছিলো। রাস্তায় জার্ম কিলিং স্প্রে করা হয় নিয়মিত। আমাদের আরো সচেতন হওয়া উচিত। যেখানে ফাস্ট ওয়ার্ল্ড দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে আমাদের দেশের আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন ছিলো শুরু থেকেই। এখনও সময় আছে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।

আপনার মতামত দিন

ষোলো আনা অন্যান্য খবর

ছোট্ট আল-আমিনের প্যাডেল

১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

‘মেসি’র প্রিয় রোনালদো

১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

অপরূপ সাজেক

১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

পর্তুগালে স্বাগত

১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

করোনা থেকে বলছি

১৪ আগস্ট ২০২০

রক্তের স্যুপ

১৪ আগস্ট ২০২০



ষোলো আনা সর্বাধিক পঠিত