অর্থনীতি পুনর্গঠনে সপ্তাহে ৩টি ছুটির চিন্তাভাবনা নিউজিল্যান্ডের

মানবজমিন ডেস্ক

বিশ্বজমিন ২৩ মে ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:১২

নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জ্যাসিন্ডা আরডার্ন বলেছেন, পর্যটন বাড়াতে এবং কাজ ও জীবনের মধ্যে ভারসাম্য আনতে সপ্তাহে ৩টি ছুটি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। ফেসবুকে এক লাইভ ভিডিওতে তিনি বলেছেন, অর্থনীতি চাঙ্গা করতে সপ্তাহে কর্মদিবস কমানো ও সরকারি ছুটি বৃদ্ধির বিষয়টি অনেকেই পরামর্শ দিয়েছেন। এতে করে ঘরোয়া পর্যটনও বাড়বে, যেহেতু করোনাভাইরাসের কারণে সীমান্ত বন্ধ থাকায় বিদেশীরা আসবে না। এ খবর দিয়েছে গার্ডিয়ান।
খবরে বলা হয়, অনানুষ্ঠানিকভাবে হলেও প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে আনন্দিত অনেকেই। অনেকেই প্রশ্ন করছে এই মহামারির পর সিস্টেমিক পরিবর্তন আসবে, নাকি জীবন আগের মতোই সাধারণ অবস্থায় ফিরে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী আরডার্ন কথা বলছিলেন, রটোরুয়া থেকে। এটি নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে সুপরিচিত পর্যটন স্পটগুলোর একটি। তিনি বলেন, অনেক নাগরিকই তাকে বলেছেন যে, কর্মজীবনে আরেকটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচার সুযোগ পেলে তারা নিজ দেশেই আরও বেশি বেশি করে ঘুরতেন। এই মহামারির কারণে দেশের পর্যটন খাত বড় ধরণের ধাক্কা খেয়েছে।
সকল সীমান্ত বন্ধ। ফলে বিদেশী পর্যটন আসা বন্ধ। এছাড়া অনেক নাগরিকেরই বেতন কমছে। আবার অনেকে ভবিষ্যতের কথা ভেবে সঞ্চয় করছেন।
এই প্রেক্ষিতেই ঘরোয়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সপ্তাহে ৩ দিন ছুটির প্রসঙ্গ তুললেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘অনেক মানুষই বলছে যে আমাদের সপ্তাহে ৪ কর্মদিবস থাকা উচিৎ। এই বিষয়টি শেষ পর্যন্ত চাকরিদাতা কোম্পানি ও কর্মীদেরই বিষয়। তবে আমি আগেও যেমনটা বলেছি, এই কভিড থেকে আমরা যা শিখলাম, আর মানুষ বাড়িতে বসে যেভাবে কাজ করছে, তাতে বলা যায় আগের কর্মদক্ষতা আনা সম্ভব। আপনি যদি চাকরিদাতা হয়ে থাকেন, আর আপনার পক্ষে সম্ভব হয়, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখুন। যদি আপনার কর্মক্ষেত্রেই এটা সম্ভব হয়, তাহলে তা হয়তো পুরো দেশের পর্যটন খাতের জন্য সহায়ক হবে।’
পারপিচুয়াল গার্ডিয়ান নামে ২০০ কর্মীর সংগঠন চালান অ্যান্ড্রু বার্ন্স। তিনি ২০১৮ সালেই নিজ কোম্পানিতে ৪ কর্মদিবসের নিয়ম চালু করেছেন। তার মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই পরামর্শ অবশ্যই বাস্তবায়নযোগ্য।

 

আপনার মতামত দিন

বিশ্বজমিন অন্যান্য খবর

হার্ভার্ড গবেষণায় পরামর্শ

যৌন মিলনের সময়ও মাস্ক পরুন

৫ জুন ২০২০



বিশ্বজমিন সর্বাধিক পঠিত