অ্যাথলেটিক্স

চাকরি দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ার অভিযোগ

স্পোর্টস রিপোর্টার

খেলা ৩ জুন ২০২০, বুধবার

অ্যাথলেটিক্সেও সোনালী দিন আর নেই। পৃষ্ঠপোষকহীনতা, খেলোয়াড়দের অনাগ্রহ, সব মিলিয়ে অ্যাথলেটিক্স ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। যেটুকু আছে তা টিকিয়ে রাখছে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা। তাই অ্যাথলেটদের লক্ষ্য থাকে জাতীয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ভালো করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি, বাংলাদেশ জেল ও বাংলাদেশ পুলিশের মতো সরকারি সংস্থায় যোগ দেয়ার। সাবেক কৃতী অ্যাথলেটরাই সাধারণত এসব সংস্থার কোচের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা শেষে কোচরাই খেলোয়াড় সংগ্রহ ও অন্তর্ভুক্তিতে বড় অবদান রাখেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অ্যাথলেটদের কাছ থেকে অর্থ বাগিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক জাতীয় অ্যাথলেট ফরিদ খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে। একই অভিযোগে নাকি চাকরি হারিয়েছেন এক নারী কোচ।
সম্প্রতি সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়েছেন ফরিদ খান চৌধুরী। স্টেডিয়াম পাড়ায় গুঞ্জন, দুর্নীতির কারণে সেনাবাহিনী তাকে ছাঁটাই করেছে! সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার নাম করে অনেক অ্যাথলেটের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তার টাকা নেয়ার ঘটনার একটি অডিও ক্লিপ এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।  গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে সেনাবাহিনীতে চাকরির জন্য তৎকালীন কোচ ফরিদ খান চৌধুরীর দ্বারস্থ হন জাইমুল হাসান। সেই অডিও ক্লিপ থেকে জানা যায়, চাকরি পাইয়ে দিতে জাইমুলের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা নিয়েছেন ফরিদ। যদিও পরে যোগ্যতার ভিত্তিতে সৈনিক পদে চাকরি হয়ে যায় জাইমুলের। বিষয়টি নিয়ে কথোপকথনের অডিওতে শোনা যায়, অর্থ আদায় করতে পেরেছেন কিনা জাইমুল, সে বিষয়ে জানতে চান সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (যিনি সাবেক দ্রুততম মানব)। কিন্তু ফরিদের কাছ থেকে এখনো অর্থ আদায় করতে পারেননি বলে জানান হতাশ জাইমুল। অডিওতে জাইমুল বলেন, ‘আপনাকে দিতে হবে এবং নিজে নেবেন বলে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন ফরিদ স্যার।’ তখন ওই সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার বলেন, ‘এর আগে আমার এলাকার এক মেয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে ফরিদ আমার ও ফারুক ভাইকে  (ফারুকুল ইসলাম) দেয়ার কথা বলে। ফরিদ খানেক চাকরি যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি দশ মাস আগে ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডে এসেছি। কোচ ফরিদ তার আগে থেকেই নেই। তবে আমি শুনেছি, বিশৃংখলা জনিত কারণেই সেনাবাহিনীর চাকরি চলে গেছে ফরিদ খান চৌধুরীর।’ অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ফরিদ খান চৌধুরী। এ বিষয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এসব মিথ্যা কথা। অন্য বাহিনীতে সুবিধা বেশি পাওয়ায় সেনাবাহিনী থেকে চলে এসেছি।’ জানা যায়, ফরিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর চাকরি গেছে সাবেক নারী কোচ মাহবুবা ইকবাল বেলীরও। একটি সূত্র জানিয়েছে, ফরিদ খানের মতো অভিযোগ রয়েছে বেলীর বিরুদ্ধেও।

আপনার মতামত দিন

খেলা অন্যান্য খবর

কাউন্টি ক্রিকেটে নিয়মের পরিবর্তন

সুযোগ বাড়লো সাকিব-তামিমদেরও

৫ জুলাই ২০২০

ইউনুসের সঙ্গে দ্বিমত শোয়েবের

‘আর্চারকে ভয়ের কারণ নেই’

৫ জুলাই ২০২০

প্রথমবারের মতো পাকিস্তান দলের কোচিং প্যানেলে জায়গা পেয়েছেন সাবেক তারকা ইউনুস খান। বাবর আজমদের ব্যাটিং ...

তদন্তে কিছু পায়নি লঙ্কান পুলিশ

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বচ্ছতা নিয়ে সংশয় নেই আইসিসি’র

৫ জুলাই ২০২০

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে ফিক্সিং অভিযোগের উপযুক্ত প্রমাণ না থাকায় শুক্রবার তদন্তের ইতি টেনেছে শ্রীলঙ্কা ...



খেলা সর্বাধিক পঠিত