বিলেতে সাইকিয়াট্রিস্টের ডায়েরি

তিনি এখন ঈশ্বর কন্যা!

যুক্তরাজ্য থেকে ডা: আলী জাহান

অনলাইন ৪ জুলাই ২০২০, শনিবার, ১০:৩৫ | সর্বশেষ আপডেট: ৬:১৬

বাসার সামনে অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে আছে। পুলিশের দুটি গাড়িও অ্যাম্বুলেন্সের পাশে। আমি একটু এগিয়ে গেলাম। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ অফিসার আমাকে আগে থেকেই চেনেন।আমি যে কাজ করি সেই কাজের অংশ হিসেবে মাঝেমধ্যে পুলিশ এবং অ্যাম্বুলেন্স ক্রুদের সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়ে যায়। সবাই আমার নাম না চিনলেও চেহারা অনেকেই চেনেন।পুলিশ বেষ্টনী পেরিয়ে সামনে এগোতে তাই আমার কোন বেগ পেতে হয়না। ইতিমধ্যে সোশ্যাল ওয়ার্কারও চলে এসেছে। পরিস্থিতি যেহেতু খুবই খারাপের দিকে মোড় নিচ্ছে সে জন্য আরেকজন ডাক্তারও আমার সাথে আছেন। আমরা আইরিনকে দেখতে এসেছি।
আমাদের দৃষ্টিতে আইরিন এখন ভয়াবহ বিপদের মধ্যে আছেন।

ইংল্যান্ডে রাত তখন দশটা। আংশিক লকডাউনের কারণে ইংল্যান্ডে এখন একটু তাড়াতাড়ি রাতের নিরবতা নেমে আসে। আমি যে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে আছি তার আশপাশে উৎসুক কিছু মুখ জানালা গলিয়ে আমাদের দিকে তাকাচ্ছেন। হঠাৎ করে তাদের প্রতিবেশীর বাসায় দুই পুলিশের গাড়ি এবং অ্যাম্বুলেন্স কেন এসেছে তা জানার আগ্রহ থাকতেই পারে। কেউ অবশ্য নিচে নেমে এসে জটলা পাকাচ্ছে না।

কথা বললাম উপস্থিত পুলিশ অফিসারের সাথে। কথা বললাম ইতিমধ্যে চলে আসা সোশ্যাল ওয়ার্কারের সাথে।আমার সামনে দিয়ে কারে করে দুটো শিশু এক ভদ্রলোকের সঙ্গে ঐ বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো। বাসায় নিশ্চয়ই মারাত্মক কিছু হচ্ছে। তা না হলে এতো রাতে এই দুই বাচ্চাকে নিয়ে একজন পুরুষ মানুষ কেন হন্য হয়ে বেরিয়ে গেলেন?

আইরিনের বয়স ৩২। একটি সুপার মার্কেটে সপ্তাহে পাঁচদিন কাজ করেন। ৫ এবং ৭ বছরের দুই সন্তান। স্বামীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় গত কয়েক সপ্তাহ থেকে স্বামী আলাদা থাকছেন। গাড়িতে করে আমার চোখের সামনে দিয়ে যে ভদ্রলোক বেরিয়ে গেলেন উনি হচ্ছেন তার স্বামী মাইক। ভদ্রলোকের সাথে দুটো শিশু আইরিন-মাইক দম্পতির দুই সন্তান।

আমরা যখন কথা বলছি তখন বাসার ভেতরে দু’জন পুলিশ অফিসার আইরিনকে সামলে রেখেছেন। তার সঙ্গে কথা বলে বলে তাকে ব্যস্ত রাখছেন। বাইরে থেকে ঘরের ভেতরে আইরিনের উচ্চ কন্ঠের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। আমরা যদিও পুরোপুরি বুঝতে পারছিলাম না কী নিয়ে এতো হৈচৈ হচ্ছে তবে ধারণা করছিলাম ভেতরের অবস্থা ভালো নয়। চরম অস্থিরতা চলছে।

আইরিন যে সুপার মার্কেটে কাজ করেন তারাই আজ দুপুরে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করেছেন। আইরিন তাদের পুরনো স্টাফ। দু’দিন আগে তিনি কাজে গিয়েছিলেন। সুপার মার্কেটের টিলে কাজ করেন আইরিন। কয়েক বছর থেকেই তিনি ওখানে কাজ করছেন। কখনো কোনো সমস্যা হয়নি। সমস্যাটা মাত্র হয়েছে ২ দিন আগে।

আইরিনকে একটু অস্থির এবং অন্য মনস্ক দেখা যাচ্ছিল। ম্যানেজার এসে তাকে জিজ্ঞেস করেছে কী হয়েছে। আইরিন বলেছেন যে তিনি কিছু ব্যক্তিগত সমস্যার ভেতরে আছেন কিন্তু প্রকাশ্যে বিস্তারিত আলোচনা করতে প্রস্তুত নন।ম্যানেজারের সঙ্গে আলাপের সময় আইরিনকে স্পষ্টত অন্যমনস্ক মনে হচ্ছিলো। ম্যানেজার তাকে দুই দিনের ছুটি নেবার পরামর্শ দেয়। সেই ছুটির আজ হচ্ছে দ্বিতীয় দিন। স্কুল বন্ধ তাই দুই ছেলেকে নিয়ে গত দুই দিন আইরিন বাসার ভেতরেই ছিলেন। লকডাউন বা মানসিক অস্থিরতা যে কোন কারনেই হোক আইরিন বাসার বাইরে বের হননি। স্কুল না থাকায় বাচ্চারা ল্যাপটপ আর ট্যাবলেট নিয়ে বাসার ভেতরে ব্যস্ত।

আজ দুপুরে সুপারস্টোর ম্যানেজার আইরিনকে ফোন করেছে। জিজ্ঞেস করার জন্য যে আইরিন কেমন আছেন এবং আগামীকাল কাজে ফিরতে পারবেন কিনা। ফোনের মধ্যে ম্যানেজারের কাছে আইরিনের সমস্যাটা প্রকট হয়ে ওঠে। অনেকটা ভয় পেয়ে ম্যানেজার পুলিশকে ফোন করেছে। পুলিশ সোশ্যাল সার্ভিসে এবং সাইকিয়াট্রিক টিমের সাথে যোগাযোগ করেছে। আমরা ওখানে পৌঁছার অনেক আগে থেকেই পুলিশ নিরাপত্তার স্বার্থে বাসায় অবস্থান করছে। পুলিশের কাছ থেকেই আমরা পুরো ঘটনা শুনি।

ম্যানেজার যখন ফোন করে তখন আইরিন তাকে অবাক করে দিয়ে বলে বসেন যে তিনি আর কখনো কাজ করবেন না। কারণ তার কাজ করার আর প্রয়োজন নেই। তিনি এখন এখন ঈশ্বরের মেয়ে, ঈশ্বর কন্যা । ঈশ্বর তার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছেন। ঈশ্বর তার সাথে সরাসরি কথা বলছেন। এমনকি তিনি ঈশ্বরকে তার বাসায় নিজের চোখে দেখেছেন। গতরাতে ঈশ্বর তাকে সাক্ষাৎ প্রদান করেছেন। বাচ্চা দুটো ঘুমিয়েছিলো তাই তারা ঈশ্বরকে দেখতে পায়নি। ঈশ্বর আইরিনকে বলেছেন যে তিনি এখন আর মানুষ নেই। তিনি এখন ঈশ্বর কন্যা। ঈশ্বর কন্যাদের কাজ করতে নেই, সংসার ধর্ম পালন করতে নেই। তার বাসায় যে দুটি শিশু রয়েছে তারা ঈশ্বর কন্যার সন্তান। তাদের স্কুলে দেবার প্রয়োজন নেই।ঈশ্বর তাদের সরাসরি দেখাশোনা করবেন, খাওয়াবেন। কাজেই তাদের জন্য ঘরে খাবার তৈরি করার প্রয়োজন নেই। যেহেতু তাকে অলৌকিক খাবার দেয়া হচ্ছে সেজন্য আইরিন নিজেও গত দুইদিন থেকে কিছুই খাননি। আইরিন আমাদের ঈশ্বর প্রদত্ত অলৌকিক কোন খাবারের প্রমাণ দেখাতে পারেন না।

আইরিনের এখন প্রধান কাজ হচ্ছে তার প্রতিবেশীদের এই খবর পৌঁছে দেয়া যে তিনি এখন আর মানব সন্তান নন। গত দুইদিন থেকে ঈশ্বর ক্রমাগত তার সাথে কথা বলে যাচ্ছেন। ম্যানেজারের সঙ্গে টেলিফোনে আইরিন সে কথাটাই তাকে বলেছেন। ম্যানেজারকে এও বলেছেন যে তার দুই ছেলে সন্তান তার কথা না শুনলে ওদের ব্যাপারে তাকে কিছু করতে হবে। ম্যানেজার ভয় পেয়েছে। হয়তোবা আইরিন তার দুই শিশুকে আঘাত করতে পারে বা মেরে ফেলতে পারে। ম্যানেজার তখন অস্থির হয়ে পুলিশকে ফোন দিয়েছে। পুলিশের সূত্র ধরে আমাদের এখানে আসা।

বাসার ভেতর পুলিশের সঙ্গে আমাদের উপস্থিতিকে আইরিন খুব সহজভাবে মেনে নেননা। তিনি তার বিশ্বাসে অটল। তিনি এখন ঈশ্বর কন্যা। আমাদের সামনে বসেই আইরিন ঈশ্বরের সাথে কথা বলা শুরু করেন। আমরা দেখতে থাকি যে আইরিন কাল্পনিক কারো সঙ্গে কথা বলছেন। যাকে আমরা দেখছিনা বা শুনতে পাচ্ছি না কিন্তু আইরিন হয়তো দেখছেন এবং শুনতে পাচ্ছেন।

এতকিছু কীভাবে শুরু হয়েছে? আইরিনকে জিজ্ঞেস করলাম। প্রথমে কিছুটা জড়তা এবং সন্দেহ থাকলেও আইরিন পুরো ঘটনা বলতে থাকেন।

গত তিনদিন আগে, আইরিন বলতে থাকেন, আমি টেলিভিশন দেখছিলাম। বিবিসির সংবাদ দেখছিলাম। হঠাৎ করে কি একটা আওয়াজ হলো। গায়েবি আওয়াজ মনে হল। পরক্ষণেই মনে হলো আওয়াজটা টিভি থেকে এসেছে। টিভির ভেতর থেকে হঠাৎ করে একজন বললো আমি ঈশ্বর বলছি, তুমি আমার কন্যা। তুমি ঈশ্বর কন্যা। মানব সন্তান নও। তোমার ঘরে যে দুই শিশু সন্তান রয়েছে, ওদের গায়ে মানব রক্ত রয়েছে। কিন্তু তোমার গায়ে যে রক্ত তা হচ্ছে ঈশ্বরের রক্ত। তোমাকে পছন্দ করা হয়েছে। তুমি ঈশ্বরের অভিবাদন গ্রহণ করো। এবং নিজের জীবনকে ঈশ্বরের আলোয় গড়ে তোল। ঈশ্বর তোমাকে দেখাশোনা করবেন। তোমার কোন কাজ করার প্রয়োজন নেই। তিনি তোমার শরীরের ভেতর অলৌকিকভাবে খাবার দেবেন। তোমার খাবার গ্রহণ বা পানি পান করার প্রয়োজন নেই।

আইরিন বলতে থাকেন- প্রথমে একটু ভয় পেলেও গত কয়েকদিন ধরে দিনে অনেকবার এই আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি। দুইদিন আগে আমি যখন সুপারমার্কেটে কাজে যাই, তখন ঈশ্বর বারবার আমাকে বলছিলেন যে তুমি বাসায় ফিরে যাও, এখানে কাজ করা তোমার মানায় না। ঈশ্বরের মেয়ে সুপার মার্কেটে কাজ করতে পারে না। আমি চেষ্টা করছিলাম ব্যাপারটি লুকিয়ে রাখার জন্য। কিন্তু ম্যানেজারের চোখে আমার অন্যমনস্কতা ঢাকা থাকেনি। তাই সে আমাকে দুই দিনের ছুটি দিয়েছে। এক দিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। গত দুইদিন ধরে আমি ক্রমাগত ঈশ্বরের সাথে কথা বলছি। গতরাতে তিনি এসে আমাকে দেখাও দিয়েছেন। এমন সৌভাগ্য কজনের হয়?

'ঈশ্বর দেখতে কেমন? একটু বর্ণনা দেয়া যায়?'প্রশ্ন করলাম।
'ঈশ্বর তো ঈশ্বরের মতোই। উনার কোন বর্ণনা নেই।একমাত্র ঈশ্বর প্রেমিকের কাছে আমি তাঁর বর্ণনা দেবো। তোমাদের কাছে কেন দেবো?'

আইরিন কথা বলতে থাকেন। কথার মধ্যেই তিনি অন্যমনস্ক হয়ে যান, বিড়বিড় করে কথা বলতে থাকেন। আমরা বুঝতে পারি যে আইরিন সম্ভবত ঈশ্বরের সাথে কথা বলছেন।

ড্রয়িং রুমের চারদিকে তাকাই। জিনিসপত্র এলোমেলো হয়ে আছে। এখানে সেখানে কাপড় ছড়িয়ে আছে। একটি মাত্র লাইট। জিজ্ঞেস করলাম অন্য সুইচ অফ করা কেন।

'ঈশ্বরের কোন আলো লাগেনা? ঈশ্বর কন্যার আলো লাগবে কেন?' আইরিন ঝটপট উত্তর দেন।

আইরিনকে জিজ্ঞেস করি 'টেলিভিশনের ভেতর থেকে যে আওয়াজ শুনতে পেলেন তা হয়তো মনের ভুল হতে পারে।'

'যা বোঝেননা তা নিয়ে প্রশ্ন করবেন না। বেশি প্রশ্ন করলে বাসা থেকে বেরিয়ে যাবেন।'

'একটি আওয়াজ আপনাকে বললো আপনি ঈশ্বরের কন্যা আর তাতেই আপনি ঈশ্বর কন্যা হয়ে গেলেন?'

' এসব প্রশ্ন করছেন কেন? ঈশ্বরকে আপনি কখনো দেখেছেন? আমি শুধু তার কথা নয় তাকে স্বচক্ষে দেখেছি। উল্টোপাল্টা প্রশ্ন করবেন না।'- আইরিনের পাল্টা যুক্তি।

আইরিন স্বীকার করেন যে গত দুইদিন তিনি কিছুই খাননি। ঈশ্বর তাকে বলেছেন কিছু না খাবার জন্য। গত দুইদিন ধরে আইরিন তার বাচ্চাদের কিছু খাওয়াননি। বাচ্চারা গোপনে কিছু খেলে সেটা বলতে পারবেন না। কথা প্রসঙ্গে আইরিন স্বীকার করেন যে বাচ্চাদের স্কুলে যাবার প্রয়োজন নেই। যদিও ওদের গায়ে এখন মানুষের রক্ত আছে খুব শীঘ্রই তারা ঈশ্বরের সন্তানের সন্তানে পরিণত হবে। যদি তা না ঘটে তাহলে যা করার আইরিন তাই করবেন। তার কথার ভেতরে স্পষ্ট ইঙ্গিত যে তিনি তার বাচ্চাদের আঘাত করতে পারেন বা মেরে ফেলতে পারেন।

পুলিশ ইতিমধ্যে আইরিনের স্বামীকে খবর দিয়েছে। মাইক, আইরিনের স্বামী, একটু আগে এসে দুই ছেলেকে নিয়ে গেছে। আইরিন ছেলেদেরকে মাইকের হাতে দিতে রাজি হননি। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতির কারণে তিনি তেমন কিছু করতে পারেননি। বাচ্চারা যখন বাবার সঙ্গে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয় তখন তাদের খুবই ক্লান্ত এবং অবসন্ন লাগছিল। বোঝাই যাচ্ছিল বেশ কয়েকদিন ধরে ওদের খাবার-দাবার হচ্ছে না।

আইরিনের আগের শারীরিক বা মানসিক রোগের ইতিহাস নেই। তিনি কোন ঔষধ সেবন করেন না। কমিউনিটিতে একজন হাসিখুশি মহিলা হিসেবে তাঁর পরিচিতি আছে। এই হাসিখুশি মহিলাটি গত তিনদিনে ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা হয়ে গেছেন!

আইরিনকে কোনোভাবেই আমরা বুঝাতে পারিনা যে তিনি ঈশ্বর কন্যা নন। তিনি যার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছেন বা যাকে দেখছেন তার অস্তিত্ব বাস্তবে নেই বরং তার মস্তিষ্কে। ঈশ্বর তার সাথে কথা বলেননি। ঈশ্বর তার সাথে সাক্ষাৎ করতেও আসেননি।ব্রেইন তার সাথে খেলা করছে। তিনি Auditory Hallucination, Visual Hallucination and Delusion of Reference এ ভুগছে।। এ সবগুলো উপসর্গ সিজোফ্রেনিয়া রোগের লক্ষণ। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতেই হবে। বাসায় থাকলে তিনি নিজে মারা যাবেন এবং তার সাথে তার বাচ্চারাও মারা পড়তে পারে।

ডা: আলী জাহান
ব্রিটেনে কর্মরত সাইকিয়াট্রিস্ট
alijahanbd@gmail.com

(পুনশ্চ: রোগীর গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য স্থান, কাল এবং পাত্রে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে।)

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Laily

২০২০-০৭-০৪ ০৯:০৬:২১

অনেক অনেক ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব কে একটা বাস্তব গল্প আমরা (পাটকদের ) উপহার দেওয়ার জন্য।

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

সিনহার মৃত্যু

দুই সাক্ষী চোখেও দেখেননি, কানেও শোনেননি

৭ আগস্ট ২০২০

শ্রুতিমধুর নয় এমন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ

৭ আগস্ট ২০২০

সারা দেশে এমন কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম আছে যা শ্রুতিমধুর নয় এবং ভাষা ও ...



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত



গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

ওসি প্রদীপ কোথায়?