টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ১ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ১১:১৩

কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুর এলাকার চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক নির্দেশনায় বলা হয়, তিন সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহা. শাজাহান আলি। অন্য দুই সদস্য হলেন, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও কক্সবাজারের এরিয়া কমান্ডারের একজন প্রতিনিধি।
কমিটি ঘটনার বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার কারণ, উৎস অনুসন্ধান করবেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত দেবেন।
শুক্রবার রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে সিনহা রাশেদ খান নিহত হন। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শামলাপুরের লোকজন ওই গাড়ির আরোহীদের ডাকাত সন্দেহ করে পুলিশকে খবর দেন। এই সময়ে তল্লাশি চেকপোস্টে গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু গাড়ির আরোহী একজন তার পিস্তল বের করে পুলিশকে গুলি করার চেষ্টা করেন।
আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ওই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

smith

২০২০-০৮-০২ ১৩:০৩:৪২

ছবিতে অফিসারের পোশাক দেখে বোঝা যাচ্ছে, তিনি চাকুরী জীবনে ভিভিআইপি নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি বা এই ধরনের ভিভিআইপিদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় যারা নিয়োজিত থাকেন তারা অস্ত্র ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষ এবং অত্যন্ত দ্রুত অস্ত্র বের করে নিখুতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে গুলি করতে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। অফিসার তার পিস্তল বের করার পূর্বেই একজন বয়স্ক ইনেস্পেক্টার পিস্তল বের করে গুলিও করে দিলেন, অফিসার কিছুই করতে পারলেন না। ব্যপারটা অবিশ্বাস্য। আর ৫০ টা ইয়াবা, গাঁজা, মদ এইগুলো হত্যাকান্ড জায়েজ করার অপকৌশল মনে হচ্ছে। আবার উপরের কারো অনুমতি ছাড়া এরকম কোন হত্যাকান্ডের সাহস তিনি পাবেন এটাও বিশ্বাস করতে ও কষ্ট হচ্ছে। কারা করেছে এবং কে আদেশ দিয়েছে, তা বের করা হউক।

morshed

২০২০-০৮-০১ ২২:৪৩:২৪

যারা হত্যা করেছে তাদের দিয়ে তদন্ত কমিটি!!! তামাশা না করলে কি হয় না।

Shobuj Chowdhury

২০২০-০৮-০২ ০৬:৩৭:৫৫

One interesting observation is that when a victim died by police action his character is also assassinated at the same time.

পাঠক

২০২০-০৮-০১ ১৩:২২:১২

ওই সময় দায়িত্ত্বরত পুলিশ সদস্যদের চাকরিচুত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।তাদের পছন্দের লোক না হলেই গুলি বিনিময়ে মারা গেছে বলে।ব্যাংক লুটেরা বাচ্চু সাহেদ সাবরিনা পাপিয়া সম্রাটরা গুলি বিনিময়ে মারা যায়না।

Unanimus

২০২০-০৮-০২ ০১:১২:৫৫

To: All PSOs/Fmn Comds/All Maj Gen & above. Subj: Progress/Updt of Death Incident of Maj (Retd) Sinha. 1. Pl note that Govt has taken the death incident of Maj (Retd) Sinha very seriously. Being directed from appr level, Home Ministry has already formed a Spl Judicial Investigation Committee headed by Addl District Magistrate of CXB (which incl a Rep of 10 Div) and asked them to submit the report within 7 working day. 2. Bangladesh Army from the very outset has taken incident of our beloved retired colleague as top priority issue. Though it's a Eid Day, yet PS Dte has already taken up a case narrating the entire incident to AFD demanding justice of the very unfortunate incident. 3. As a fol up AFD has already req Min of Home to investigate the issue by the Home Ministry Standing Committee (headed by a Jt Secy) to investigate the case. From Army side 10 Inf Div has been instr to form a Board of Inquiry (headed by a Lt Col) to investigate the matter and fol up other peripheral issues. All investigations are jt in nature and appr rep of Armed Forces, Civil Admin and Police are also there as member. In addition, DGFI, NSI, RAB, ASU and other int agencies are on grd imm after the incident and keeping a very close monitoring of all happenings. The input of different Int agencies will positively assist the entire justice process. 4. Police Auth at the highest level has also taken the issue seriously and they have already closed all 13 pers incl the OC of the Police Sta. 5. It is true that we have lost our comrade and it is a very unexpected and heart breaking incident. We are trying to go all out to find out the fact leaving no stone unturned. As the fact is not known to us, it will be wise to hold our emotions and wait for fact finding to reveal. All stake holders of the Govt are also taken on board to ensure justice for our fallen comrade. 6. Till that time, all should refrain from making any twisted/emotional remark that might work against the justice procedure. This is the time when we should behave maturedly to show our comradeship to Maj (Retd) Sinha. All should have the trust on the auth who is deeply involved in dealing with the case. 7. The above is sent for your info & further nec action to prevent any attempt of rumour/propaganda within the Army on bthe killing incident. CAS

মোঃজাহাঙ্গীর আলম

২০২০-০৮-০১ ১২:০১:৩৯

ঘঠনাটি খুবই দুঃখ জনক, একজন অবসর প্রাপ্ত কোন সেনা কর্মকর্তা কিছু একটা না বলেই পিস্তল তুলে ধরবে কাউকে মেরে পেলার জন্য আমার বিশ্বাসযোগ্য নয়! এখানে কোন কিন্তু আছে, অনেক নিউজ পোর্টাল সংবাদটি প্রচার করে ডিলেট করে দিছে কেন? কার চাপে করেছে?এতে মিডিয়ার স্বাধীনতা কোথায় রইল?

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

বাসে আটকে রেখে গণধর্ষণ

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিদেশী পাত্রী সেজে প্রতারণা

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আল্লামা শফির পতন যেভাবে

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আইসিইউতে আল্লামা আহমদ শফি

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

আল কাবাসের প্রতিবেদন

কুয়েতের আদালতে এমপি পাপুল’র মুক্তির আবেদন নাকচ

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত