পরিবহন খাতে শীর্ষ নাম শ্যামলী

একটি টেম্পো দিয়ে শুরু

কাজল ঘোষ

এক্সক্লুসিভ ১০ আগস্ট ২০২০, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৪২

পরিবহন ব্যবসা একটি চ্যালেঞ্জিং ব্যবসা। জোয়ার ভাটার ন্যায় এই ব্যবসায়ও অনেক উপর নিচ আছে। হ্যাঁ কখনো কখনো হতাশা জমা হয় শীতের সকালের কুয়াশার মতো। আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা চলে যায়। দিনশেষে রেখে যায় আশা জাগানো একটি প্রত্যাশা। যাত্রীদের ভালো সেবা দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাদের ভালোবাসা আরো উজ্জীবিত করে আমাকে এবং এই প্রতিষ্ঠানের সকলকে।

শুরুটা হয়েছিল একটি টেম্পো দিয়ে। সময়টা ১৯৬৭-৬৮। নিজেই চালাতেন রমনী।
পুরো নাম রমেন্দ্র নাথ ঘোষ। পাবনা-কুষ্টিয়া রুটে চলতো সেই টেম্পো। কঠোর পরিশ্রমে একটি থেকে ধীরে ধীরে তা পঞ্চাশটিতে উন্নীত হয়। মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে তিনি একটি বাস কিনে ব্যবসায় গতি আনেন। নাম দেন শ্যামলী পরিবহন। পরিবারের অন্যরাও এ ব্যবসায় যুক্ত হন। তারপর আর পেছনে ফেরা নেই। বর্তমানে পিতার প্রতিষ্ঠিত সেই ব্যবসার হাল ধরেছেন তারই পুত্র শুভংকর ঘোষ। রাকেশ নামেই সকলের কাছে পরিচিত। পড়াশোনা করেছেন নর্থ সাউথে ফিন্যান্সে। উড়াল দেয়ার নানান হাতছানিকে পাশ কাটিয়ে আত্মমগ্ন হন পিতার ব্যবসাতেই। যোগ দেন ২০০৬ সালে। বর্তমানে শ্যামলী এন আর ট্র্যাভেলস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পরিবারের তিন অংশীদারের মধ্যে ব্যবসা ভাগ হলে সাড়ে ছয়শ’ গাড়ি থেকে তিনি পেয়েছেন ১০০টি গাড়ি। এই চৌদ্দ বছরে গাড়ির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে চারশ’তে। বাবা ও মেজো কাকা রমেশ চন্দ্র ঘোষের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে সঙ্গী করেই ব্যবসাকে এগিয়ে নিচ্ছেন। সহধর্মিণী লিপু ঘোষ। এক পুত্র ও এক কন্যা নিয়েই পারিবারিক জীবন। নানান নেতিবাচক বিষয়ের বাইরে এ সেক্টরকে কেমন করে ইতিবাচকভাবে পরিচালনা করা যায় তা নিয়েই কাজ করছেন তিনি।

প্রশ্ন: আপনাদের পূর্ব পুরুষ ছিলেন দধি ব্যবসায়ী। কীভাবে পরিবহনের দিকে ঝুঁকলেন?  
আমার বাবা রমেন্দ্রনাথ ঘোষ সাত ভাই চার বোনের মধ্যে তৃতীয়। ছেলেবেলা থেকেই তার স্বপ্ন গতানুগতিক ঘোষ পরিবারের ব্যবসায়ী ধারার বাইরে নতুন কিছু করা। যা শ্রমনির্ভর ও বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ১৯৬৭-৬৮ সালে পরিবহন ব্যবসা নিয়ে কাজ শুরু করেন। সেই সময় পরিবারের অন্য সকলের অমতে পড়ালেখা ও ঘোষাল ব্যবসা ছেড়ে পরিবহনের দিকে মন দেন। নিজস্ব একটি টেম্পো নিজেই চালাতে শুরু করেন। রুট ছিল নগরবাড়ী-পাবনা-পাকশী-কুষ্টিয়া। এটাই ছিল প্রথম উদ্যোগ। কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস, সততা ও সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে খুব অল্প সময়ে তিনি পাবনায় পরিবহন ব্যবসায়ী হিসেবে সকলের কাছে খ্যাতি লাভ করেন। ধীরে ধীরে একটি টেম্পো থেকে অর্জিত আয় দিয়ে তিনি একের পর এক টেম্পো বাড়াতে থাকেন। একসময় একটি থেকে পঞ্চাশটি টেম্পো হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাবা একটি বাস ক্রয় করেন। পূর্ববর্তী শ্যামলী টেম্পোর মতোই বাসেরও নাম দেন শ্যামলী পরিবহন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তার এই প্রচেষ্টায় পরবর্তীতে পরিবারের অন্যরাও দেশে এবং দেশের বাইরে পরিবহন ব্যবসায় যুক্ত হয়। ধীরে ধীরে পরিবারের সকলেই এই পরিবহন ব্যবসাকে মূল ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করে।

প্রশ্ন: নর্থ সাউথে পড়েছেন, কর্পোরেট জগতের নানা হাতছানি ফেলে পরিবহন ব্যবসায় যোগ দিলেন কেন?
আমার যোগ দেয়ার পেছনে মূল কলকাঠি শ্যামলী পরিবহনের পুরনো ও নতুন সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আস্থা ও বিশ্বাস। কারণ দীর্ঘদিন তাদের সকলের শ্রমের বিনিময়ে শ্যামলী পরিবহনের এই অর্জন। তাদের পরিবারও নির্ভর করে এই প্রতিষ্ঠানের ওপর। যেহেতু আমার বাবার রক্ত ঘাম করে এই প্রতিষ্ঠান তা রক্ষা করা আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব মনে হয়েছে। জ্ঞান হবার পর থেকেই দেখেছি বাবার পরিশ্রম এবং বিভিন্ন সময় ভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া। খুব অল্প বয়স থেকেই বাবা তার সকল অভিজ্ঞতা ও সমস্যা সমাধানের পথ নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করতেন। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য পথ প্রদর্শক হিসেবে একজন আদর্শ বাবার দায়িত্ব পালন করেন। কীভাবে ব্যবসায়িক কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান করতেন তা আমাকে বরাবরই আকর্ষণ করতো। বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসা নিয়ে পড়ার সময় থেকেই পড়ালেখার পাশাপাশি ব্যবসার বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে পঠিত বিষয়ের মিল খুঁজতে থাকি। যা আমাকে আরো অনেক বেশি পারঙ্গম করে তোলে পরিবহন ব্যবসায় আগ্রহী হতে। পড়ালেখার শেষদিকে নানান হাতছানি থাকলেও বাবার ইচ্ছা ও আমার স্বপ্ন আমাকে এই পথে নিয়ে আসে। পারিবারিক ব্যবসা হলেও একটি চ্যালেঞ্জিং ব্যবসা হিসেবে পরিবহন ব্যবসা আমার কাছে আর্কষণীয় যা বিশাল জনগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সৃষ্টি করে।

প্রশ্ন: পরিবহন সেক্টর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই নেতিবাচক ধারণা। আপনি সেই নেতিবাচক দিকেই হাঁটলেন।
পরিবহন সেক্টর নিয়ে নেতিবাচক ধারণা যাত্রীগণ বহু বছর ধরে পোষণ করে আসছেন। এর প্রধান কারণ হচ্ছে এ সেক্টরে শিক্ষিত জনবলের অভাব। যাত্রীগণ মনে করেন, পরিবহনে অশিক্ষিত লোকজন কাজ করে। তাই পূর্ব থেকেই তাদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা হয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে আমরা পরিবহন সেক্টরের প্রতি যাত্রীদের এই মনোভাব পরিবর্তনের জন্য শিক্ষিত জনবল নিয়োগ, তথ্য-প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার, সুদক্ষ চালক, গাইড নিয়োগ ও অত্যাধুনিক বিলাসবহুল গাড়িসেবা প্রদানের মাধ্যমে নেতিবাচক প্রভাব দূর করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশার কথা হচ্ছে, পরিবহন সেক্টরের প্রতি বিরূপ মনোভাব আগের থেকে অনেকটা কমে এসেছে। বিশ্বমানের বাস পরিসেবা দেয়ার  ক্ষেত্রে অনুপযুক্ত রাস্তা ও পরিবহনের প্রয়োজনীয় জ্বালানির মান ভালো না থাকায় বিশ্বমানের গাড়ির প্রতি বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া সড়ক মহাসড়কের যত্রতত্র হাট বাজার স্থাপন পরিবহন চলাচলের বড় বাধা। ফিটনেস বিহীন বা রেজিস্ট্রেশন ছাড়া যে সকল গাড়ি আছে তা সড়ক মহাসড়কের জঞ্জাল। এই জঞ্জাল মুক্ত হলে পরিবহন সেক্টর তার নেতিবাচক ধারণা থেকে অনেকটাই মুক্ত হবে।

প্রশ্ন: এ সেক্টরে কাজ করতে গিয়ে কি ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন প্রতিনিয়ত?
পরিবহন সেক্টরে কাজ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়। দক্ষ জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ সেক্টরে বিনিয়োগের তুলনায় রিটার্ন খুবই কম। রাস্তায় অব্যবস্থাপনা, মাত্রাতিরিক্ত খরচ, সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখা। যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্যশীল মনোভাব পোষণ করা। শ্রমনির্ভর এই ব্যবসায় সকলকে আপন করে একটি বৃহৎ যৌথ পরিবার তৈরি করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার যে অভিজ্ঞতা তা অল্প কথায় বলে বা লিখে বোঝানো কঠিন।

প্রশ্ন: বাংলাদেশ-ভারত, মৈত্রী স্থাপনেও আপনাদের পরিবহন সংস্থা কাজ করছে, অভিজ্ঞতা কেমন?
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদান অনেক। দুই দেশের মানুষের মধ্যেও রয়েছে একটি দৃঢ় ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। এই বন্ধন আরো দৃঢ় করতে ও পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে আমরা একটা মাইল ফলক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি। বন্ধু প্রতিম এই দেশ দুটির তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায়ে আমাদের রয়েছে ব্যাপক গ্রহণ যোগ্যতা, দুই দেশের যাত্রীদের বাস পরিসেবা দিতে গিয়ে ভালোমন্দ বিভিন্ন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়। দুই দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে (যেমন: পেশাজীবী,  ব্যবসায়ী, রোগী, শিক্ষার্থী, পর্যটকসহ অন্যদের) পরিবহন সেবা দিতে পেরে আমরা গর্বিত।

প্রশ্ন: এটি একটি সেবা খাত, যাত্রীদের নানান অভিযোগ থাকে, কীভাবে সামলান?
এটি একটি সেবা খাত। আমি এবং আমার প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী যাত্রী সেবা দিতে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা সব সময় যাত্রীর প্রাপ্য সেবা সু-নিশ্চিতে কাজ করি। এরপরও যদি কোনো যাত্রী আমাদের  সেবার মান নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন বা অভিযোগ করেন তখন যাত্রীর অভিযোগ আমরা উপদেশ হিসেবে গ্রহণ করে সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের চেষ্টা করে থাকি এবং ভবিষ্যতেও যেন উক্ত সমস্যার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি।

প্রশ্ন: কখনো কি হতাশা বোধ করেন এই সেক্টরে যোগ দেয়া নিয়ে?
আগেই উল্লেখ করেছি পরিবহন ব্যবসা একটি চ্যালেঞ্জিং ব্যবসা। জোয়ার ভাটার ন্যায় এই ব্যবসায়ও অনেক উপর নিচ আছে। হ্যাঁ কখনো কখনো হতাশা জমা হয় শীতের সকালের কুয়াশার মতো। আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা চলে যায়। দিনশেষে রেখে যায় আশা জাগানো একটি প্রত্যাশা। যাত্রীদের ভালো সেবা দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর তাদের ভালোবাসা আরো উজ্জীবিত করে আমাকে এবং এই প্রতিষ্ঠানের সকলকে। শ্রমনির্ভর এই পরিবহন ব্যবসাকে আমার দৃষ্টিতে একটি শিক্ষামূলক সেক্টর হিসাবে আমি মনে করি। প্রতিনিয়ত এই ক্ষেত্র থেকে কিছু না কিছু শিক্ষা অর্জন করি। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সংস্পর্শে আসার সহজে সুযোগ করে দেয় এই ব্যবসা। আবার কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা বাড়িয়ে দেয় হতাশার মাত্রা। সবশেষে একটি কথাই বলবো ‘সর্বক্ষেত্রে মানুষ হোক সচেতন, তাহলে সড়ক হবে নিরাপদ।’

প্রশ্ন: ব্যবসায় সবচেয়ে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা আর সুখকর অভিজ্ঞতা?
পরিবহন ব্যবসা কখনো ঘরে বসে হয় না। এই ব্যবসা সশরীরে মাঠে উপস্থিত থেকে মেধা খরচ করতে হয়। সবসময় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে সকল বিষয়ের ওপর। দায়িত্বের জবাবদিহিতা সকল পর্যায়ে সুনিশ্চিত করা এই ব্যবসার মূল বিষয়। বিনিয়োগ থেকে শুরু করে পরিচালনার প্রত্যেকটি স্তরে থাকতে হবে জবাবদিহিতা। আমার অবস্থান থেকেও আমি যেমন আমার কর্মচারীদের কাছে জবাবদিহি করি তেমনিভাবে তাদের কাজের জবাবদিহিতা গ্রহণের ক্ষেত্র তৈরি করি। আবার ব্যাংকের বিনিয়োগ থেকে যাত্রীদের নিরাপত্তার দিকও থাকে জবাবদিহির মধ্যে। যার কারণে নিজের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর মাঠ পর্যায়ে মানুষের নিকট থাকে। প্রযুক্তির এই কল্যাণ অপরিহার্য। তবুও মাঝেমধ্যে সৃষ্টি হয় জটিলতা। ২৪ ঘণ্টা বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন মানুষ ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ফোনগুলো বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির জন্ম দেয় যা আমার ব্যবসায়ী জীবনের সবচেয়ে বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা।

আবার শ্রমনির্ভর এই ব্যবসায় সকলে মিলে যখন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সঙ্গে কোনো কাজ সম্পন্ন করা হয়। পাহাড়সম বাধা ডিঙিয়ে স্রোতের বিপরীতে যখন ভালো কোনো কাজ করতে পেরেছি বলে মনে করি তখন নিজেকে অনেক গর্বিত মনে হয়। বাবা-মার মুখে যখন নিজের প্রশংসা শুনি তখন পৃথিবীতে নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হয়। সকল চাওয়া পাওয়ার সমীকরণ তখন শেষ হয়।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Md Ehsan E Elahi

২০২০-০৮-১০ ০৮:১৮:৪৩

Thank you very much Rakesh for your excellent interview regardig transport sector.Go ahead, I wish your every success.

Khaja Hamid

২০২০-০৮-১০ ০১:৩৮:০৩

I'm so proud and pleased being a neighbor of this family and Rakesh specially, So helping and broad mind brother. May God prosper their business as my soul wishes..

আপনার মতামত দিন

এক্সক্লুসিভ অন্যান্য খবর

ইন্ডিপেন্ডেন্টের রিপোর্ট

জেএন্ডজের সিঙ্গেল ডোজ পরীক্ষা শুরু

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

৪ঠা অক্টোবর থেকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আগামী ৪ থেকে ১৭ই অক্টোবর পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী ধাপে ধাপে সারা দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ...

করোনাজয়ী তমার আর্জি

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

হিলি স্থলবন্দরে পিয়াজ আমদানি বন্ধ

১১ ট্রাক পচা পিয়াজ নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিইআরসি বিল পাসের সুপারিশ

বছরে একাধিকবার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য বাড়ানো যাবে

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আল-কাবাসের প্রতিবেদন

পাপুলের মুক্তির আবেদন নাকচ

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

 মানবপাচার, অর্থ পাচার, ঘুষ প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকির অভিযোগে কুয়েতের কারাগারে আটক বাংলাদেশের ...



এক্সক্লুসিভ সর্বাধিক পঠিত