চালু হলো ‘গণস্বাস্থ্য প্লাজমা সেন্টার’

অনলাইন ডেস্ক

অনলাইন ১৫ আগস্ট ২০২০, শনিবার, ২:৪০

‘গণস্বাস্থ্য প্লাজমা সেন্টার’ চালু করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আজ  সকাল ১১টার দিকে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এ সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন দেশের মূল প্লাজমা প্রবক্তা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এ খান । এ সময় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী এবং গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিকে স্মরণ করে আজ (১৫ই আগস্ট) প্লাজমা সেন্টারটি উদ্বোধন করা হলো। ইতিমধ্যে কয়েকজন রক্তদানও করেছেন।

যারা করোনামুক্ত হয়েছেন তাদের রক্তদানের আহ্বান জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, অনেক রক্ত দরকার। প্রত্যেকে যাতে এসে রক্ত দিয়ে যায়। রক্তদান করতে কোনো খরচ নেই।
তবে, যিনি প্লাজমা নেবেন, তার ক্ষেত্রে যেহেতু অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয় আছে, তাই তাদের ক্ষেত্রে সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা ফি পড়বে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্লাজমা সেন্টার ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। সারাদেশের মানুষ এখান থেকে প্লাজমা নিতে পারবে। প্রাথমিক অবস্থায় আমরা প্রতিদিন ২৫ জনকে প্লাজমা দিতে পারব। তবে, আগামী মাসে বিদেশ থেকে আমাদের আরো একটি মেশিন আসছে। তখন আশা করছি প্রতিদিন ৬০ জনকে প্লাজমা দেয়া যাবে।

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

আবুল কাসেম

২০২০-০৮-১৫ ০৪:১০:৩৮

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের কথা শুনে সেই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে বড়োই আশান্বিত হয়েছিলাম এই ভেবে যে, আমরা স্বল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে করোনা টেস্ট করাতে পারবো। আমাদের সেই সুস্বপ্ন দুঃস্বপ্নের চোরাবালিতে হারিয়ে গেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা বুঝতে পারলাম, শ্রেণি বিভক্ত জনগোষ্ঠীর ভিড়ের মধ্যে আমরা গরীবেরা আসলেই কপালপোড়া এবং চিরকাল বঞ্চিত হওয়াই আমাদের ললাটলিখন। স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি স্মরণ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র আজকের দিনে যে 'গণস্বাস্থ্য প্লাজমা সেন্টার' চালু করলেন তা সফলভাবে এদেশের মানুষের করোনা চিকিৎসায় ভূমিকা পালন করবেন, আশাকরি। তবে, বঙ্গবন্ধুর ডাকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বিলেতের সম্ভাবনাময় জীবন ছেড়ে দিয়ে ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন এবং স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু নিজেই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে জায়গা দিয়ে হাসপাতাল স্থাপনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন, তাই কিট আবিষ্কারের সময়ে যদি ঘোষণা করা হতো 'বঙ্গবন্ধু রেপিড টেস্ট কিট' এবং এখনো যদি প্লাজমা সেন্টারের নামকরণ করা হতো বঙ্গবন্ধুর নামে তাহলে বঙ্গবন্ধুর ঋণ পরিশোধ করা অসম্ভব হলেও অন্তত তাঁর প্রতি কিছুটা হলেও কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা হতো। এভাবে অন্যান্য জাতীয় বীরের নামে একেকটা বিভাগের নামকরণ করা যায়। তবে বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নামকরণ একেবারে আলাদাভাবে করতে হবে। অনাড়ম্বর জীবন যাপনে অভ্যস্ত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মানবহিতৈষী, জন দরদী ও একজন সাচ্চা দেশপ্রেমিক সাদাসিধা সৎ মানুষ। স্বল্প খরচে তিনি যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন তা বাংলাদেশে অদ্বিতীয়। তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্থায়িত্ব, সফলতা ও সমৃদ্ধি কামনা করি।

Kazi

২০২০-০৮-১৫ ০২:৩০:৩৫

Congratulations. We wish rapid growth and prosperity.

আপনার মতামত দিন

অনলাইন অন্যান্য খবর

আজও সড়কে সৌদি প্রবাসীরা

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের মাধবকাটিতে মোটরসাইকেল ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই জন নিহত ও তিন জন আহত ...

ডিএমপি’তে উপ-পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে বদলি

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। সোমবার ডিএমপি কমিশনার ...



অনলাইন সর্বাধিক পঠিত