তাঁকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে পাস করে এসে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে হয়

ফেসবুক ডায়েরি

আহমেদ তানভীর | ১৫ জুলাই ২০১৭, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:১৫
আমাদের দেশের রাজনৈতিক সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ দেশের জন্মলগ্ন থেকে কখনোই শিক্ষা বা গবেষণার পীঠস্থান হিসেবে দেখেনি। তারা এটিকে দেখেছে রাজনৈতিক পেশিশক্তি প্রদর্শনের অন্যতম জায়গা হিসেবে। তাদের কাছে হিসাব অত্যন্ত সোজা। যেকোনো আন্দোলন, রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক হোক, সেটি গড়ে ওঠে এবং বেগবান হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঠান্ডা রাখতে পারলে অনেকখানি নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো যায়। এই রাজনৈতিক পেশিশক্তির আঁধারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে প্রথমে যেটি দরকার, সেটি হলো ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক শক্তির একান্ত অনুগত একজন ব্যক্তি।
বেশির ভাগ সময়ে তাঁকে আনুগত্যের পরীক্ষা দিতে হয় দলীয় শিক্ষকদের নেতৃত্ব দিয়ে এবং তাঁর নেতা হওয়ার যে ক্ষমতা আছে, সেটির প্রমাণ দিয়ে। সে ক্ষেত্রে তাঁকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে পাস করে এসে যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে হয়।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

MD. Habibur Rahman

২০১৭-০৭-১৫ ০২:৫৬:২৬

Wow !

আপনার মতামত দিন

আটকে গেল ঢাকার নির্বাচন

ধরা পড়েনি সেই অস্ত্রধারী

স্থগিতে সরকারের ভূমিকা নেই

হার জেনে সুযোগ নিয়েছে সরকার

ভোট নিয়ে হাসিনা-প্রণব আলোচনা

ছয় মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চুক্তি বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া

ওআইসি’র নির্বাচনে ঢাকার প্রার্থীতার ক্যাম্পইন শুরু

নির্বাচন এলেই একটি শ্রেণি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে

ট্রাম্প টাওয়ারে যেন উদ্ভট রিহার্সেল

চট্টগ্রামে ‘স্কুল ছাত্রলীগের’ প্রথম বলি আদনান!

ইয়ে থি আজীব বাত...

মুলতবির আবেদন খারিজ আজও আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর নগ্ন ছবি ছড়ানোর অভিযোগে দুজন আটক

জুড়িতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মুক্তিযোদ্ধা নিহত

গৌরনদীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষ, আহত ৬