হুমায়ূনের পাঠকরা ভণ্ডামিমুক্ত!

ফেসবুক ডায়েরি

রহমতউল্লাহ বাবু | ২৩ জুলাই ২০১৭, রোববার
আমাদের এখানে এক শ্রেণির মানুষ আছেন যারা আমার নাটক বা সিনেমা দেখে বলেন, এর মধ্যে শিক্ষার কিছু নেই। সমস্যা হচ্ছে, আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষা খুঁজি না। যতো শিক্ষার খোঁজ করি নাটক আর সিনেমার মধ্যে। -হুমায়ূন আহমেদ
১৯শে জুলাই বাংলা সাহিত্যাকাশের ধূমকেতু হুমায়ূন আহমেদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী। হুমায়ূন আহমেদকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো তিনি কতদিন বাঁচতে চান। তিনি জবাব দিয়েছিলেন, বেশিদিন না।
মানুষের মঙ্গলগ্রহে পদার্পণটা দেখে যেতে চাই। কিন্তু তা হয়নি, তিনি ২০১২ সনের এইদিনে চলে যান। আমি হুমায়ূন আহমেদের সবগুলো উপন্যাস, ছোটগল্প, প্রবন্ধ-নিবন্ধ পড়েছি এবং সবগুলো নাটক-সিনেমা দেখেছি। কোনো কোনো উপন্যাস বা ছোটগল্প ৩/৪ বার পড়েছি। কিছু নাটক-সিনেমা ৩/৪ বার করে দেখেছি। হুমায়ূন আহমেদের লেখা মানুষের উপর নানা ধরনের প্রভাব ফেলে। তার মধ্যে প্রধানতম প্রভাবটি হচ্ছে হুমায়ূনের পাঠকরা ভণ্ডামিমুক্ত হয়। তারা সাদাকে ‘সাদা’ এবং কালোকে ‘কালো’ বলতে শেখে। এমনকি, রবীন্দ্রনাথের কোনো গান বা কবিতা খারাপ লাগলে সেটাও বলে ফেলে। ‘কে কি মনে করবে’  ভেবে কিংবা ‘জাতে ওঠার জন্য’  জোর করে কিছুকে ভালো বলবে না। আবার সোনাকে পিতলও বলবে না। অনেক কথিত পণ্ডিত আছেন যারা হুমায়ূনের লেখা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছেন। আমার মতে, এরা অক্ষম, ঈর্ষাপরায়ণ, পরশ্রীকাতর এবং কিছুটা গর্দভ। জন্মসূত্রে বাংলাভাষী হয়ে যে শিক্ষিত লোক ‘আজ আমি কোথাও যাবো না’, ‘গৌরীপুর জংশন’, ‘মধ্যাহ্ন’, ‘অপরাহ্ণ’, ‘মাতাল হাওয়া’ কিংবা ‘মেঘ বলেছে যাবো যাবো’ পড়েননি তাকে এক কথায় ‘হতভাগা’ ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না। তা তিনি হ্যামলেট, ম্যাকবেথ, ওয়ার অ্যান্ড পিচ কিংবা লা মিজারেবল বেটে খেলেও।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

যশোরে বিএনপি নেতা অমিতের বক্তব্যে তোলপাড়

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু

‘বিষয়টি নিয়ে আমি বেশ উত্তেজিত’

পাঁচ দশকের দীর্ঘ লড়াই

ভিডিও দেখে অস্ত্রধারীদের খোঁজা হচ্ছে

‘অতিষ্ঠ হয়ে প্রেমিককে ছুরিকাঘাত’

ফল প্রকাশের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অবরোধ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সময় লাগবে ৯ বছর!

মত প্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত, আক্রমণের শিকার নাগরিক সমাজ

মেয়র আইভী হাসপাতালে

জিয়াউর রহমানের ৮২ তম জন্মবার্ষিকী আজ

এবার আটকে গেল দক্ষিণের ১৮ ওয়ার্ডের নির্বাচনও

হাথুরুকে দেখিয়ে দেয়ার লড়াই

‘আপনার এত তাড়াহুড়া কিসের?’

সংবাদটি আমাকেও শোকে মুহ্যমান করে ফেলে

‘নেতৃত্ব তৈরির প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতেই ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রাখা হয়েছিল’