কলকাতা থেকে খুলনা ‘সোনার তরী’ এক্সপ্রেস আপাতত চালু হচ্ছে না

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২ আগস্ট ২০১৭, বুধবার
কলকাতা থেকে খুলনা যাত্রীবাহী ট্রেন ছাড়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও শেষ মুহুর্তে ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। বুধবার ৩ আগষ্ট থেকে এই ট্রেন চলাচলের সূচনা হওয়ার কথা ছিল।  দ্বিতীয এই মৈত্রী ট্রেনটির নাম রাখা হয়েছে, ‘সোনার তরী’ এক্সগ্রেস। ভারতের পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক রবি মহাপাত্র এই প্রতিবেদককে বলেছেন, বাংলাধেম সরকারের দিক থেকে প্রযোজনীয সবুজ সঙ্কেত না মেলাতেই আপাতত এই ট্রেন চালু হচ্ছে না। তবে তিনি বলেছেন, ভারতীয রেলওয়ে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে রেখেছে। এখন বাংলাদেশ থেকে ছাড়পত্র পাওয়া গেলেই ট্রেন চলাচল শুরু করবে।তিনি আরও বরেছেন, এদিন পর্যন্ত কোনও খবর পাওয়া যায় নি কবে নাগাদ এই ট্রেন চালু হবে। অথচবাংলাতেদশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের পর থেকেই সীমান্তের দুপারের মানুষ আশায় ছিলেন এই ট্রেনটি চলার।  রেলওয়ে বোর্ডের প্রযোজনীয় অনুমতি এদিন পর্যন্ত কলকাতায় পূর্ব রেলওয়ের সদর দপ্তরে এসে পৌঁছায় নি।
গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরে ট্রেন চলাচলের বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আর আলোচনা হয়। গত ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় দুই প্রধানমন্ত্রী এক সঙ্গে খুলনা থেকে কলকাতা পর্যন্ত পরীক্ষামূলক যাত্রার সূচনা করেছিলেন।  এর পর গত জুন মাসে কলকাতায় দুই দেশের উচ্চপদস্থ রেল আধিকারিকরা ট্রেন চলাচলের ব্যাপারে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন্ সেই সময়ই ৩ আগষ্ট থেকে ট্রেনটি চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল । জানা গেছে, বাংলাদেশের দিকে সীমান্তে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস বিভাগের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়াতেই আপাতত ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে বিষয়টি বর্তমানে আটকে রয়েছে। প্রযোজনীয় ছাড়পত্র পাওয়া গেলেও ট্রেন চলাচলের নতুন তারিখ ঘোষনা করা হবে। অবশ্য কলকাতার মিডিয়া সুত্রে বলা হযেছে, ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ডও এই ট্রেন চালানোর ব্যাপারে প্রযোজনীয় ছাড়পত্র দেয় নি। রেল বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনও ট্রেন চালানো যায় না। একসময় শিয়ালদহ থেকে খুলনা পর্যন্ত বরিশাল এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেন চলত। শিয়ালদহ থেকে পেট্রাপোল-বেনাােল সীমান্ত দিযে যশোর হয়ে ট্রেনটি খুলনা পর্যন্ত যেতো। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের সময়ই এই রুটসহ পূর্ববঙ্গের সঙ্গে সব রুটেই ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওযা হয়েছিল্ সেই পুরনো রুটগুরিতে ফের ট্রেন চলাচল শুরু করতে দুই দেশ উদ্যোগী হযেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখনই লাইন সংযুক্ত করে  তিনি পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিতে মালগাড়ি চালানো শুরু করেছিলেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি

‘বিএনপি নির্বাচনে না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে’

আনন্দ শোভাযাত্রার রুট ম্যাপ দেখে চলাচলের অনুরোধ ডিএমপির

‘হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়ায় আমারদেশ প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে’

সমঝোতা স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গারা প্রবেশ করছে

কাউন্টারে টিকেট নেই, দ্বিগুণ দামে মিলছে ফেসবুকে!

৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সরকারিভাবে উদযাপন আগামীকাল

‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রমাণ করে তারা গুমের সঙ্গে জড়িত’

শপথ নিলেন মানাঙ্গাগওয়া

বাণিজ্য, জ্বালানী ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

‘বিএনপির ভোট পাওয়ার মতো এমন কোনো কাজের নিদর্শন নেই’

তাজরীন ট্র্যাজেডির ৫ বছর, শেষ হয়নি বিচার

দুই দফা জানাজা শেষে নেত্রকোনার পথে বারী সিদ্দিকীর মরদেহ

রোহিঙ্গা ফেরতের চুক্তি ‘স্টান্ট’: এইচআরডব্লিউ

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী