এক মাসের ‘অস্ত্রবিরতি’ আরাকান সলভেশন আর্মির

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, সোমবার
মানবিক সংকটে ত্রাণ সংস্থাগুলো যাতে সাহায্য করতে পারে সে জন্য একতরফা ‘অস্ত্রবিরতি’ (সিজফায়ার) ঘোষণা করেছে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা।  এক মাসের এ অস্ত্রবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা গতকাল  থেকে। গত ২৫শে আগস্ট সেনা ও পুলিশ সদস্যদের পোস্টে হামলা চালায় আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি। দৃশ্যত তাদের সঙ্গে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর লড়াই চলছে। এর ফলে রাখাইনে এক ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দেখা দিয়েছে মানবিক সংকট। এর ফলে আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় টুইটারে।
সেখানে এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে সামরিক নিষ্পেষণের ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ে যাতে সাহায্য পৌঁছতে পারে তার জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করছে আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি। বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতির এই সময়ে যাতে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এই মানবিক সংকটের শিকার সব মানুষের কাছে যাতে মানবিক সহায়তা বিষয়ক সবাই তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারে সে জন্য আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি দৃঢ়তার সঙ্গে উৎসাহিত করছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও অনলাইন ডয়েচে ভ্যালে’তে প্রকাশিত রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা রাখাইনে সেনাবাহিনীর নৃশংসতা থেকে রক্ষা পেতে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারের ভিতরেই ৩০ হাজার অমুসলিম সাধারণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ সময়ে আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি কেন অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করেছে তা স্পষ্ট নয়। রাখাইনে সেনাবাহিনী যে তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে তার বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সাহস বা সক্ষমতা এদের নেই বলে দৃশ্যমান। গত দু’সপ্তাহে কয়েক হাজার বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ডজন ডজন গ্রাম উপড়ে ফেলা হয়েছে। এখনো হাজার হাজার মানুষ বাংলাদেশে পৌঁছানোর জন্য সীমান্তমুখী রয়েছে। ক্ষুধার্ত ও আতঙ্কিত শরণার্থীরা স্রোতের মতো প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। এতে হতবিহ্বল হয়ে পড়ছে ত্রাণ বিষয়ক এজেন্সিগুলো ও স্থানীয় সম্প্রদায়। কারণ, এরই মধ্যে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ঠাঁই দিয়েছে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি বিবৃতিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে হাত থেকে অস্ত্র নামিয়ে রাখার আহ্বান জানিয়েছে। বলেছে, আক্রান্ত মানুষকে যাতে মানবিক সহায়তা দেয়া যায় সে জন্য অস্ত্র নামিয়ে রাখতে হবে। তবে মিয়ানমার সরকার বলছে আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মির বিরুদ্ধে ক্লিয়ারেন্স অপারেশন চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মিকে মিয়ানমার সরকার সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। কিন্তু মানবাধিকারের পর্যবেক্ষক ও পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলেছেন, সেনাবাহিনী ও রাখাইন বৌদ্ধরা অগ্নিসংযোগের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। আগুন দিচ্ছে লোকজনকে বাড়ি ছাড়া করার জন্য।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি

‘বিএনপি নির্বাচনে না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে’

আনন্দ শোভাযাত্রার রুট ম্যাপ দেখে চলাচলের অনুরোধ ডিএমপির

‘হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়ায় আমারদেশ প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে’

সমঝোতা স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গারা প্রবেশ করছে

কাউন্টারে টিকেট নেই, দ্বিগুণ দামে মিলছে ফেসবুকে!

৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সরকারিভাবে উদযাপন আগামীকাল

‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রমাণ করে তারা গুমের সঙ্গে জড়িত’

শপথ নিলেন মানাঙ্গাগওয়া

বাণিজ্য, জ্বালানী ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

‘বিএনপির ভোট পাওয়ার মতো এমন কোনো কাজের নিদর্শন নেই’

তাজরীন ট্র্যাজেডির ৫ বছর, শেষ হয়নি বিচার

দুই দফা জানাজা শেষে নেত্রকোনার পথে বারী সিদ্দিকীর মরদেহ

রোহিঙ্গা ফেরতের চুক্তি ‘স্টান্ট’: এইচআরডব্লিউ

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী