গালফ সংকট নিয়ে উত্তপ্ত কায়রো বৈঠক

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
কায়রোতে অনুষ্ঠিত এক আরব লীগ বৈঠকে কাতার ও চার আরব দেশের কূটনীতিকরা একে অপরকে উদ্দেশ্য করে উত্তপ্ত শব্দ ছুড়েছেন। তাদের এমন আচরণের পেছনে কারণ ছিল কাতারের সঙ্গে তিন মাস ধরে দেশগুলোর চলা কূটনৈতিক সংকট। সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ৫ই জুন ইরান ও সন্ত্রাসবাদকে সমর্থনের দায়ে কাতারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। কাতার সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আর তখন থেকেই এ সংকটের শুরু। এ খবর দিয়েছে আলজাজিরা। 
খবরে বলা হয়, বৈঠকে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল-মুরাইখি তার উদ্বোধনী বক্তৃতায় ইরানকে একটি সম্মানযোগ্য দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, অবরোধ জারির পর থেকে তাদের এই পার্শ্ববর্তী দেশটির সঙ্গে কাতারের সম্পর্কের উন্নতি ঘটেছে।
তার এমন বক্তব্যের জবাবে সৌদি আরবের দূত আহমেদ আল-কাত্তান বলেন, ইরানকে অভিনন্দন। সৃষ্টিকর্তা চাইলে অতি শিগগিরই আপনারা এর জন্য অনুতাপ করবেন। আমাদের কাতারের ভাইরা যদি ভাবেন যে ইরানের সঙ্গে পুনরায় বন্ধুত্ব করাটা তাদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে তাহলে আমি তাদের বলতে চাই যে, এমন ভাবনা সবদিক থেকেই ভুল। কাতারিদের এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়ে দায়ী করা হবে। তিনি আরো বলেন, আগামী দিনগুলোই তাদের ভুল প্রমাণ করবে। কারণ আমরা জানি যে, কাতারি জনগণ কখনোই ইরানিদের কাতারে কোনো ধরনের ভূমিকা রাখতে দিবে না। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনোয়ার গার্গেশ বলেন, কাতার শান্তি চায় না বলেই গালফ সংকট অব্যাহত রয়েছে। তাদের সিদ্ধান্ত পাল্টাতে হবে। আর যতদিন কাতার এই চার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আগ্রাসী পলিসির পরিবর্তন না আনে, যতদিন দোহা সন্ত্রাসবাদ সমর্থন ও অর্থায়ন করে এবং মধ্যপ্রাচ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা বন্ধ না করে ততদিন আমরা কাতারের সঙ্গে আমাদের পলিসিতেও পরিবর্তন আনবো না। 
মুরাইখি তাদের বক্তব্যের জবাবে বলেন, কাতার সংকট তখনই শুরু হয়েছে যখন সংযুক্ত আরব আমিরাত সমর্থিত অপরাধীরা, যারা কাতারের আমিরের নামে মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছে তারা কাতার নিউজ এজেন্সি হ্যাক করেছিল। তিনি বলেন, এরপর আমরা কাতারের বিরুদ্ধে এই ভয়ঙ্কর গণমাধ্যম ক্যাম্পেইন দেখেছিলাম। যেটি কয়েকটি রাজ্য সমর্থিত পাগল কুকুরেরা চালিয়েছিল। জনাব আনোয়ার এটা বলতে ভুলে গেছেন যে, যেই চার দেশ আমার দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তারাই ১৯৯৬ সালে আমার দেশের বিরুদ্ধে সামরিক একশন নেয়ার চেষ্টাও করেছিল। 
কাত্তানের বিবৃতির জবাবে মুরাইখি বলেন, (এগুলো) সব হচ্ছে হুমকি। আর আমি মনে করি না তার হুমকি দেয়া ও এভাবে কথা বলার অধিকার রয়েছে। এরপর থেকে এরূপ বাক্য বিনিময় চলতে থাকে মুরাইখি ও কাত্তানের মধ্যে। তারা একে অপরকে চুপ হতে বলতে থাকেন।


এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি

‘বিএনপি নির্বাচনে না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে’

আনন্দ শোভাযাত্রার রুট ম্যাপ দেখে চলাচলের অনুরোধ ডিএমপির

‘হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়ায় আমারদেশ প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে’

সমঝোতা স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গারা প্রবেশ করছে

কাউন্টারে টিকেট নেই, দ্বিগুণ দামে মিলছে ফেসবুকে!

৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সরকারিভাবে উদযাপন আগামীকাল

‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রমাণ করে তারা গুমের সঙ্গে জড়িত’

শপথ নিলেন মানাঙ্গাগওয়া

বাণিজ্য, জ্বালানী ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

‘বিএনপির ভোট পাওয়ার মতো এমন কোনো কাজের নিদর্শন নেই’

তাজরীন ট্র্যাজেডির ৫ বছর, শেষ হয়নি বিচার

দুই দফা জানাজা শেষে নেত্রকোনার পথে বারী সিদ্দিকীর মরদেহ

রোহিঙ্গা ফেরতের চুক্তি ‘স্টান্ট’: এইচআরডব্লিউ

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী