জাতিগত র্নিমূলের অভিযোগ অস্বীকার মিয়ানমারের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৯:৫৫
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের জাতিগত নির্মূলের (এথনিক ক্লিনসিং) সম্বন্ধীয় মন্তব্যের প্রতি নিন্দা জানিয়েছে। সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার প্রধান জেইন রাদ আল হুসাইন মিয়ানমার সরকারকে রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চালানো নিষ্ঠুর সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই অভিযান হচ্ছে জাতিগত নির্মূলতার একটি পরিষ্কার উদাহরণ (টেক্সটবুক এক্সাম্পল)।  তবে মিয়ানমার তার এই মন্তব্যের প্রতি নিন্দা জানিয়েছেন। জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের দূত রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের রাখাইন প্রদেশের সহিংসতার জন্য দায়ী করে বলেন, মিয়ানমার কখনোই এমন অত্যাচার সহ্য করবে না। এ খবর দিয়েছে বিবিসি। 
খবরে বলা হয়, গতমাসে রাখাইনে সহিংসতা শুরু হবার পর থেকে এখন পর্যন্ত সেখান থেকে ৩ লাখ ৭০ হাজারের মেেতা রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বলছে, তারা রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়ছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। তবে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা অনেক শরণার্থী বলছে ভিন্ন কথা। ২৫শে আগস্ট রাখাইনের সীমান্তরক্ষী পুলিশ পোস্টে হামলা চালায় রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা। তারা বলছে, সামরিক বাহিনী সে হামলাকে ব্যবহার করে তাদেরকে রাখাইন থেকে বের করে দিতে চাইছে। এই সংকট নিয়ে সোমবার মন্তব্য করেন আল হুসাইন। তিনি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর এই অভিযানকে জাতিগত নির্মূলের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। পরের দিন তার এই মন্তব্যের প্রতি নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের দূত হতিন লিন বলেন, এই অভিযোগগুলো অকেজো ও ভুল। তিনি বলেন, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও জাতিগত নির্মূল- শব্দগুলো বিশাল গুরুতর অর্থ বহন করে। এগুলো শুধুমাত্র সবচেয়ে দায়িত্বশীল পদ্ধতিতেই ব্যবহার করে যেতে পারে এবং আইনি ও বিচারিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই খুঁজে পাওয়া যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক মিয়ানমার কখনোই এমন অত্যাচার সহ্য করবে না। আমি হাইকমিশনারের এমন শব্দ ব্যবহারের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের পক্ষ হয়ে তীব্র আপত্তি জানাই। 
এদিকে, বাংলাদেশ শত সহস্র রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে আহ্বান জানিয়েছে। দেশটিতে আগে থেকেই ব্যাপক রোহিঙ্গা বাস করে আসছে।  প্রধানমত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমার ব্যক্তিগত মেসেজ বেশ পরিষ্কার, তাদের (মিয়ানমার) মানবতার চোখ দিয়ে এই পরিস্থিতি বিবেচনা করা উচিত। কারণ এই মানুষগুলো, নিষ্পাপ মানুষ, শিশু, নারী, এরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এদের স্থান মিয়ানমারে। তারা সেখানে শত শত বছর ধরে বাস করছে। তারপরেও তারা (মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ) কিভাবে বলতে পারে যে এরা তাদের নাগরিক নয়?

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

রবি-সোমবার সব সরকারি কলেজে কর্মবিরতি

‘বিএনপি নির্বাচনে না আসলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে’

আনন্দ শোভাযাত্রার রুট ম্যাপ দেখে চলাচলের অনুরোধ ডিএমপির

‘হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি না হওয়ায় আমারদেশ প্রকাশে বিলম্ব হচ্ছে’

সমঝোতা স্বাক্ষরের পরও রোহিঙ্গারা প্রবেশ করছে

কাউন্টারে টিকেট নেই, দ্বিগুণ দামে মিলছে ফেসবুকে!

৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সরকারিভাবে উদযাপন আগামীকাল

‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রমাণ করে তারা গুমের সঙ্গে জড়িত’

শপথ নিলেন মানাঙ্গাগওয়া

বাণিজ্য, জ্বালানী ও যোগাযোগ খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

‘বিএনপির ভোট পাওয়ার মতো এমন কোনো কাজের নিদর্শন নেই’

তাজরীন ট্র্যাজেডির ৫ বছর, শেষ হয়নি বিচার

দুই দফা জানাজা শেষে নেত্রকোনার পথে বারী সিদ্দিকীর মরদেহ

রোহিঙ্গা ফেরতের চুক্তি ‘স্টান্ট’: এইচআরডব্লিউ

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী