ইরাকে গোপন শিবিরে আইএসের ১৪০০ বিদেশী স্ত্রী-সন্তান (ভিডিওসহ)

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের সন্দেহভাজন সদস্যদের ১৪০০ বিদেশী স্ত্রী ও সন্তান এখন ইরাকি কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে। তাদেরকে রাখা হয়েছে ইরাকের একটি মরুভূমিতে গোপন শিবিরে। তাদের বেশির ভাগই তুরস্কের নাগরিক। আরো আছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর নাগরিক। এসব স্ত্রী ও সন্তানদের হয়তো তাদের স্বামী বা পিতা ফেলে চলে গেছে, আর না হয় তারা নিহত হয়েছে। ফলে কোনো উপায়ান্তর না পেয়ে তারা আশ্রয় নিয়েছে ওই গোপন শিবিরে। তারা আশ্বাস দিয়েছে, তারা হত্যাকা- ঘটাতে ওই শিবিরে যায় নি। তারা বাঁচতে চায়। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়, তপ্ত মরুর ভিতর তাঁবু পাতা। তার ভিতরে ঘুমানোর জন্য মাদুর পাতা। তার ওপর দিয়ে কিলবিল করে হাঁটছে ছারপোকা। নেই এয়ার কন্ডিশন। তাদেরকে এমনই অবস্থার মধ্যে ঘুমাতে হয়। এখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। সর্বক্ষণ তাদের মধ্যে আতঙ্ক, হয়তো প্রতিশোধ নেয়া হবে তাদের ওপর। আরটি’র একজন সাংবাদিককে এমন একজন নারী ভিডিও ফুটেজে বলেছেন, তাদের অনেকেই ওই শিবিরে যোগ দিয়েছেন স্বামীসহ। তার বক্তব্য, আমরা এখানে লড়াই করতে বা কাউকে হত্যা করতে আসি নি। আমরা এসেছে বাঁচার আশায়। তবে তাদের এসব কথায় আশ্বস্ত হতে পারছে না অন্যরা। ওই শিবিরে আশ্রয় নেয়া নতুন আরেকজন বলেছেন, যখন আমরা এই শিবিরে এলাম তখন আমাদের সঙ্গে থাকা এক নারী আত্মঘাতী হয়ে নিজেকে উড়িয়ে দিলেন। অমনি সেনা সদস্যরা গুলি করা শুরু করে। আরেকজন নারীর ‘জিহাদি’ স্বামী নিহত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি দেশে ফিরতে চাই। দুর্ঘটনাক্রমে আমি ইরাকে এসেছি। আমি প্রকৃতপক্ষেই দেশে ফিরে যেতে চাই। আমাকে দয়া করে এখান থেকে বের হতে দিন। ইরাকের নিরাপত্তা ও ত্রাণ বিষয়ক কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরাকে আইএসের সর্বশেষ শক্ত ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়ে হটিয়ে দিয়েছে আইএস। এর ফলে আইএসের যোদ্ধাদের ১৪০০ বিদেশী স্ত্রী ও সন্তান এখন ওই শিবিরে অবস্থান করছে। তবে তাদের ব্যাপারে সরকার কি করবে তা জানানো হয় নি। ইরাকের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, এসব নারীর বেশির ভাগই তুরস্কের। বাকিদের মধ্যে রয়েছেন তাজিকিস্তান আজারবাইজান রাশিয়ার নারী। এ ছাড়া আছেন কিছু এশিয়ান নারী। আছেন কিছু ফরাসি ও জার্মান নারীও। এসব নারী ও শিশুকে যে শিবিরে রাখা হয়েছে সে বিষয়ে সরকার গোপনীয়তা বজায় রাখছে। কারণ, আইএসের কারণে বহু ইরাকি ঘরবাড়ি হারিয়েছে। স্বজন হারিয়েছে। তারা বসবাস করছে বিভিন্ন শিবিরে। তাদের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। ফলে ওই গোপন শিবিরের খবর ফাঁস হযে গেছে সেখানকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা ত্রাণকর্মী ও কর্তৃপক্ষের। গত ৩০ শে আগস্ট ইরাকের মসুলে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে আইএসকে পরাস্ত করে। এরপর এসব নারী ও শিশু আশ্রয় নিয়েছেন ওই গোপন শিবিরে। এটি পরিচালনা করছে জাতিসংঘ।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

নিহত জঙ্গি আব্দুল্লাহ’র স্ত্রী গ্রেপ্তার

নিহত কিশোরের লাশ উদ্ধার

জেএমবির তিন সদস্যের ১৪ বছর কারাদণ্ড

শচীন যা পরেননি পৃথ্বি তা-ই পারলেন

টেকনাফে ৫ কোটি ৭০লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার

‘নিজ অবস্থান থেকে আইন মানলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে’

চাল আমদানি করছেন না ব্যবসায়ীরা

তারেকের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ৩১শে ডিসেম্বর

প্লেবয় মডেল হারতে’র ‘মজা’

আদালতে হাজিরা দিলেন নওয়াজ শরীফ

ইরাকে আগ্রাসনের হুমকি এরদোগানের

এতিম রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হচ্ছে

মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণের আশঙ্কা

মিয়ানমার ইস্যুতে বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক

বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যক্রম নিয়ে রুল, সভায় বাধা নেই

বিস্ময়কর উত্থান ঘটলেও জার্মানিতে এএফডি’র নেতা কে!