ঢাকায় বৃটেনের ৩ এমপি-

রাখাইনে জাতিগত নিধন বন্ধে রাশিয়া ও চীনের ওপর চাপ বাড়ানোর তাগিদ

অনলাইন

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার, ১০:১১ | সর্বশেষ আপডেট: ৭:৪৮
ঢাকা সফররত বৃটেনের ৩ এমপি রাখাইনে জাতিগত নিধন বন্ধে রাশিয়া ও চীনের ওপর চাপ বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। তাদের মতে, রাখাইনে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর যে বর্বর নির্যাতন চলছে তার অনেক কিছু হয়ত এখনও রাশিয়া ও চীন জানে না। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৃটিশ কনজারভেটিভ দলের এমপি পলস ক্যালি বলেন, বর্তমান মিয়ানমারের রাখাইনের পরিস্থিতি নিয়ে মনে হচ্ছে রাশিয়া ও চীন হয়ত অবগত নয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সফররত বৃটেনের কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। বৃটিশ কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এ সংস্থার প্রেসিডেন্ট এবং দেশটির অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের সভাপতি অ্যান মেইন। আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বৃটিশ অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের সদস্য এমপি উইল কুইন্সও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কনসারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটি আর আগে গত মঙ্গল ও বুধবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও এর আশপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন ও রাশিয়ার ভুমিকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বৃটেনের এমপি বলেন, চীন ও রাশিয়ার মিয়ানমারের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক। যখন পুরো পশ্চিমা বিশ্ব মিয়ানমারে অপরোধ দিয়ে রেখেছিলো তখনও মিয়ানমারের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিলো। আপনারা যদি বৃটেনে যান দেখতে পাবেন প্রচুর মানুষ মিয়ানমার এবং রোহিঙ্গা ও অং সাং সুচি সম্পর্কে গত কয়েক বছরের ঘটনা সম্পর্কে অবগত। তবে এক্ষেত্রে মনে হচ্ছে চীন ও রাশিয়া মিয়ানমারের পরিস্থিতির বিষয়ে অবগত নয়। আমরা যা করতে পারি তা হলো রাশিয়া ও চীনকে সরাসরি কিছু চাপ দিতে পারি। কূটনৈতিক ভাবে বিষয়টি নিয়ে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে চাপ সৃষ্টি করতে পারি। ফলে মিয়ানমারের ওপর পরবর্তীতে রাশিয়া ও চীন চাপ দিবে। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা পরিস্থিতিকে মানব সৃষ্ট সংকট বলে অখ্যায়িত করেছেন অ্যান মেইন। তিনি বলেন, আমরা হতবাক হয়েছি। আমরা ক্যাম্পে মানুষের মুখে ভয়াবহ ঘটনা শুনেছি। কিভাবে নিজের চোখের সামনে পরিবারের নিকটজনদের মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে হত্যা হতে দেখেছেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা। এ বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই যে এ মানুষগুলোকে বিতারিত করা হচ্ছে। আমরা জানি না কতজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। তবে আমরা এটা জানি যে এদেরকে জোর করে বের করে দেয়া হচ্ছে। আর সেঙ্গ সঙ্গে পিছন থেকে গুলি করে হত্যা করে পালাতে বাধ্য করা হচ্ছে। পুরো পরিস্থিতিটিকে জাতিগত নিধন বলে অখ্যায়িত করেছেন ব্রিটিশ এমপি উইল কুইন্স। তিনি বলেন, আমরা যাদের সঙ্গেই কথা বলেছি তারাই বলেছে এটি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীই করছে। আমরা নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা সবাই কে জানাবো।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Nazrul Islam

২০১৭-০৯-২১ ২২:৩৭:৫৬

Thank you very much for your time for the oppressed people

আপনার মতামত দিন

কুয়ালালামপুরে গ্রেপ্তার ২ ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা

জামিনে আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক

নারী সহশিল্পীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করা হয় আমাকে

বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক নিষিদ্ধ করার আবেদন প্রত্যাখ্যাত ইন্দোনেশিয়ায়

ডাবলিন সিটি কাউন্সিল ফিরিয়ে নিল সু চির খেতাব

‘বুদ্ধিজীবী হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্তদের দেশে ফেরানোর কাজ চলছে’

ব্রেক্সিট: পার্লামেন্টে আরেক দফা শোচনীয় পরাজয় তেরেসা মে’র

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মিয়ানমারে রয়টার্সের দুই সাংবাদিক গ্রেপ্তার, নিঃশর্ত মুক্তি দাবি, যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ, সিপিজের উদ্বেগ

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা

রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

নিউ জেএমবির প্রতিষ্ঠাতা আটক

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে প্রেসিডেন্টের শ্রদ্ধা

টিভিতে সাক্ষাৎকার বন্ধ করে রাহুলকে শোকজ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে মিয়ানমার, বাংলাদেশ সফরের আহ্বান

৪ সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ভূমিমন্ত্রীপুত্র কারাগারে